Robbar

Team India

ইডেনে লক্ষ্মণ-দ্রাবিড় আজও নটআউট

ইডেনে রাহুল-লক্ষ্মণ জুটির সেই সম্মোহক ব‍্যাটিং-এর ২৫ বছর পূর্ণ। রইল বিশেষ নিবন্ধ।

→

গম্ভীর যে পৃথিবীকে জয় করলেন গৌতম

ট্রফির সঙ্গে বিদ্বেষের এই পৃথিবীকেও জিতে নিয়েছেন গম্ভীর। এমন সাফল্যবানকে ধোনির মতো ব্যক্তিত্ব কুর্নিশ জানাবেন, সেটাই কাম্য। যুদ্ধের বিষবাষ্পে দুই হাস্যোজ্জ্বল মহারথীর ‘দোস্তি’ রক্তকরবী হয়ে ফুটলে ক্ষতি কি!

→

জয়ের উল্লাস অথচ ভিড়ের ভাঙন

কিছু কিছু ‘ভিড়’ হয়ে ওঠে রাজনৈতিক আগ্রাসনের আরেক চতুর মুখচ্ছবি। ভিড়ের মধ্যে সেই মিশে থাকা ভিড় আনন্দজল-ভরা চোখের চিৎকৃত ‘ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়া’ বা ‘জনগণমন’র মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায় ‘ভারতমাতা কি জয়’ কিংবা ‘জয় শ্রীরাম’। ভিড় থেকে আলাদা হয়ে ওঠে আরেক ভিড়।

→

কেউ ফেরে, কেউ ফেরার

ফেরা তো আসলে প্রত্যাবর্তন‌ও। হারিয়ে যেতে যেতে ঘুরে দাঁড়ানো। যেমন করে ঘুরে দাঁড়ায় লড়াকু যোদ্ধা রঙ্গমঞ্চে নজর কেড়ে নেওয়া পার্শ্বচরিত্র। কিংবা নিঝুমপাড়ায় ফেরিওয়ালার ডাক।

→

‘টাইম ট্রাভেলার’ বৈভব ফেরালেন নস্টালজিক ভারতকে

আমাদের একঘেয়ে ক্রিকেট যাপনের মাঝে এই মারকাটারি সেঞ্চুরি কেবলই এক বিস্ময় ইনিংস নয়, বৈভব সূর্যবংশীর সবচেয়ে বড় উপহার বোধহয় এই সময়যানটিই।

→

জেমিমা শেখালেন বন্ধুত্বের ‘ছুটি’ নেই

হৃদয়ের শুশ্রূষাকে যে জেমিমা তাঁর আধুনিক মন আর বোঝাপড়া দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতেই রাখেন, তা টের পাওয়া গিয়েছিল আগেই। মনই যে মগজ, আর মগজেই মন, এই মেয়ে মাত্র ২৪-এ সে-কথা এত নির্ভুল পড়তে পারল কীভাবে?

→

গম্ভীর যেন কমল মিত্র, ভারতীয় ক্রিকেট তার সন্তান

গম্ভীরবাবু কখনও কমল মিত্র, কখনও ইশানের বাবা আবার কখনও ‘উড়ান’-এ লাস্ট সিনে নিজের ছেলের পেছনে দৌড়তে থাকা রণিত রায়। আর সন্তানের নাম, ভারতীয় ক্রিকেট!

→

টেস্ট ক্রিকেট দু’দণ্ড শান্তি পেতে তাঁরই মুখোমুখি বসেছিল

বিদায় পুজারা। যে সময় বলা হচ্ছিল টেস্ট ক্রিকেটকে গিলে নেবে টি-টোয়েন্টি, যে সময় আইপিএলে কোটি কোটি টাকার নিলাম, সে সময়– সেই দুরন্ত ঘূর্ণির হু হু সময়ে, শুধুমাত্র টেস্ট ক্রিকেটে নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন চেতেশ্বর পুজারা। নিজেরই মুদ্রাদোষে আলাদা হয়েছিলেন। দ্রাবিড়ের সময়ে, দ্রাবিড় শুধু একক ছিলেন না। কিন্তু পুজারার সময়ে, টেস্ট ক্রিকেট দু’দণ্ড শান্তি পেতে তাঁরই মুখোমুখি বসেছিল নিশ্চিত।

→

টেস্ট ক্রিকেটে ড্রয়ের দিন মনে পড়ে মধ্যবিত্তরা ড্র করে চলেছেন রোজই

ওয়াশিংটন-জাদেজারা দিনের শেষে ওই মধ্যবিত্তের প্রতিনিধি। তাঁদের লড়াকু চওড়া ব্যাটে সাম্যের গান শোনা যায়। ড্র সেই সাম্যের সুর। যে সুরে জয়ের উদ্দামতা নেই, নেই হারের শ্মশান-নীরবতা।

→

শচীন-বিরাটরা আসেন-যান, ভারত থেকে যায়

শচীন নেই। বিরাট নেই। তো কী হয়েছে! যশস্বী আছেন। শুভমান আছেন। বোল্ড ইন্ডিয়া আছে। ভয়কে জয় করার মন্ত্রগুপ্তি তাঁদের নখদর্পণে!

→