আদিম সেই গুহাজীবন ছাড়িয়ে হালের আইনি-বেআইনি প্লটে ঘাড় গোঁজার ঠাঁই ইস্তক, প্রেমের খোদকারি বিবর্তিত হয়েছে নিখাদ আখরে– শিকার সঙ্গী থেকে কাব্যাকাঙ্ক্ষা, অধিকার থেকে অংশীদারে, চিরন্তন থেকে চিরউচাটনে, রিলেশনশিপ থেকে সিচুয়েশনশিপে– বদলায়নি কেবল একটাই– মানুষের দাগ রেখে যাওয়ার চাহিদা।
সত্যিই যদি প্রেমে বশ করা যেত বা যায় তাহলে কি তা আদৌ প্রেম? কারণ প্রেমের আসল ক্ষীরটাই তো মতের অমিলে। সম্পর্কে টারবুলেন্স না থাকলে প্রেম মরে যায়। ঝঞ্ঝা-পরবর্তী প্রেমের তাই বিশেষত্ব আলাদা। তা কেবল সুন্দর না, বাটারস্কচীয় সুন্দর!
সাহিত্য, ইতিহাস, শিল্পকলা, এমনকী, ধর্মীয় পুঁথিতেও যেভাবে যৌনতা, প্রেম বা অন্তরঙ্গতা নিয়ে নানা খোলামেলা আলোচনা পাওয়া যায়, তার সঙ্গে আজকের হিন্দুত্ব মবদের মতামত মেলে না।
এ পৃথিবী ভালোবাসিতে জানে না। রাষ্ট্র কেবল বিছিন্নতাই চায়। মানুষে মানুষে, মানুষে পশুতে, সর্বতোভাবেই। হয়তো তাই গ্রামীণফোনকে আলাদা করে পশুপ্রেম প্রচার করতে হয়। যেমন করে প্রচার করার প্রয়োজন পড়ে সমলিঙ্গের মানুষ অথবা প্রান্তিক লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষদের প্রেম, সামাজিক স্বীকৃতির আশায়।
আমি জুলিয়া রবার্টস ‘ইট প্রে লাভ’-এর নায়িকা লিজ হয়ে উঠলাম। এবং লিজ আমার মধ্যে থেকে গেল। আমি যে হিন্দু হয়েছি, সেটা লিজের প্রভাবে।
অনেক রাতের মেসেজ এলে, শুধুই কি ডেকে দেয় স্মার্টফোনের সচকিত আলো? পাশবালিশ ডাকে না?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved