Robbar

Vincent van Gogh

প্রতিভা নয়, অসুখ!

ভিনসেন্ট ভ্যান গখ ছবির কারণেই হয়েছিলেন প্রায়োন্মাদ। ছবির টানেই একদিন ভাই থিওর রক্ষিতার দিকে তিনি হাত বাড়ালেন, সূক্ষ্মভাবে। ভ্যান নিঃসঙ্কোচ, আমার স্টুডিওতেই আমরা তিনজনে একসঙ্গে আঁকব। তাতে উৎসাহ বাড়বে।

→

জীবনপুরেই হকনির দেশ

রেনেসাঁর সার্থক উত্তরসূরি বলেই হয়তো এক মাধ্যমে বেশিদিন আটকে থাকা না-পসন্দ ছিল হকনির। সেকালের দা ভিঞ্চির রীতি মেনেই শিল্প মাধ্যমের ব্যবহারে তুমুল হইহল্লা বাধিয়ে দিলেন হকনি। মানুষের চোখ যা দেখে, স্মৃতি সেই দৃশ্যেরই সম্পাদক। ছবি আঁকার মধ্যে সেই স্মৃতির সঞ্চয় একে একে সেলাই করে এক সুবিশাল দৃশ্যের অবতারণা করতে চাইলেন।

→

জীবনানন্দেরই বিড়ালের মতো তাঁর সঙ্গে আমাদের দেখা হয় নৈশ সড়কে, ইতিহাসে

এখন খানিকটা বুঝতে পারি জীবনানন্দ দাশ কেন তাঁর মাতৃভাষায় ‘জল’ নামের একটি অতিব্যবহৃত শব্দের নিকট ও সুদূর অর্থ বিষয়ে চিন্তিত হয়ে উঠেছিলেন।

→

সেল্ফ পোর্ট্রেটে অন্তরাত্মার খোঁজ করেছেন রেমব্রা ও ভ্যান গখ

রেমব্রা-র জীবন আর ভ্যান গঘের জীবনে যেন শত যোজন দূরত্ব! তবু যেন এক অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা দু’জনের জীবন।

→

খরা নয়, ফসলের বার্তা দিতে চেয়েছিলেন ভ্যান গগ

ভ্যান গগ কখনওই খুব দক্ষ শিল্পী ছিলেন না। অ্যানাটমি জ্ঞান দুর্বল। কিন্তু উনি যেটা খুঁজেছিলেন, এবং সফলভাবে পেয়েছিলেন তা মনুষ্য চরিত্র, ক্যারেক্টার।

→