

যে বিষয়গুলি প্রত্যক্ষত শ্রেণিগতভাবে কিষান-মজদুরদের স্পর্শ করে না, এমন অনেক বিষয় যা এই চাকরি করা ভদ্র সাধারণকে প্রত্যক্ষত স্পর্শ করে, তার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকছেন লক্ষ্মণের সাধারণ মানুষ– একা, নিরুপায় কিন্তু সচেতন। খবরের কাগজের পাতায় সহ-সাধারণদের সচেতন করে দেওয়াই তাঁর কাজ।
‘বর্ত্তমান ভারত’-এ বিবেকানন্দ রাম, অশোক ও আকবর তিনজনকে ‘মহামতি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন।
রবীন্দ্রনাথ আর রবীন্দ্র-সাহিত্যের প্রতি পাঠকের মন লাবণ্যের মতো। এই বিদায় নেয় বলেই থাকার মুহূর্তটুকু বন্ধনহীন গ্রন্থি হয়ে ওঠে।
নিজেকে কেন ‘রাবীন্দ্রিক’ আবরণে ঢেকে রাখলেন রবীন্দ্রনাথ অধিকাংশ সময়? সে কি গুরুদেবের গড়ে ওঠা ভাবমূর্তিকে বহন করার জন্য?
যে উন্মত্ত জনতার ঢেউ রবীন্দ্রনাথকে প্রয়াণের পর ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল, সেই ঢেউ হয়ে ওঠা জনতার অন্তর্গত মানুষগুলি কি জানতেন, তাঁদের এই মানুষটির প্রতি বিশ্বের মানুষের গভীর শ্রদ্ধার কথা! কয়েক মাস পড়ে, এই সংখ্যাটি কি হাতে নিয়ে দেখেছিলেন ভিড়ের মানুষেরা?
পাঠক রবীন্দ্রনাথও যেন কবি রবীন্দ্রনাথকে নতুন করে নির্মাণ করছেন।
প্রশাসকরা যেমন পড়ুয়াদের আবেগকে অমর্যাদা করে তাদের বিরুদ্ধে দমননীতিকে সার্বিক করে তুলবেন না তেমনই ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনেরও দায়িত্ব আছে। আন্দোলন মানে তো কেবল উত্তেজনার আগুন নয়। পড়ুয়াদের গঠনমূলক স্বদেশি মন্ত্রে দীক্ষিত করার জন্য রবীন্দ্রনাথ ব্রতী বালকদের দল তৈরি করেছিলেন।
কলকাতার বর্ষা তাঁকে ছেলেবেলায় আশাহত করলেও বড়বেলায় অনেক কিছু দিয়েছে।
বিশ্বভারতীর পল্লি-পুনর্গঠনের কাছে কেবল দেশের মানুষের কাছে নয় বিদেশের কাছেও হাত পেতেছেন। বিশ্বমানবের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চেয়েছেন যে!
শিক্ষাসত্রের শতবর্ষ উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাচিন্তাকে আরেকবার বুঝে নেওয়া জরুরি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved