Robbar

আমরা যেন থাকি ভাতে-ভাতে

মা খেতে খেতে একটা গল্প বলে। দেবী অন্নপূর্ণা। চলেছেন নদী ডিঙিয়ে। তাকে নিয়ে যাবে যে মাঝি, নাম তার ঈশ্বরী। সেই মাঝি বলেছিল দেবীকে, ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।’ সে ভাবে, নৌকায় দেবীর সঙ্গে দেখা হলে, দুধ-ভাত চাইবে না। কী চাইবে?

→

গলাগলি

গলা অতি বিষম বস্তু। যারা গলা তোলে, আর তাদের বিরুদ্ধে যারা গলা তোলে, দু’-পক্ষেরই বাইরে থেকে আড়ি কিন্তু ভিতর থেকে গলাগলি ভাব।

→

বাবু কলকাতার উবু মানুষ

এই ধর্মসাধন যেমন বাবু নরেন্দ্রকে আর উবু লাটুকে মিলিয়ে দেয়, তেমনই রবীন্দ্র-মানসেও কি সামাজিক ও রাজনৈতিক স্তরে কোনও ব্যবস্থাপনার আদর্শ উঁকি দিচ্ছিল, যা পাশ্চাত্যের বর্বর সীমাবদ্ধ রাষ্ট্রতন্ত্রকে ভেঙে ফেলবে?

→

স্মৃতি-বিস্মৃতির কথা

শুধু আপনারই বা কেন হবে, আমার আপনার সকলের মাথার নাম ‘স্মৃতিমণ্ডল’। স্মৃতি নামের মন্ডল পদবিধারী মেয়ের কথা বলছি না, বলছি এক সমাসবদ্ধ পদের কথা। স্মৃতিমণ্ডল।

→

এই বঙ্গে যা যা চাই!

বহিরাগত বলে মনে হচ্ছে যাদের, তাদের আমরা বের করে দিচ্ছি না। উদারভাবে গ্রহণ করছি। তাদের ক্যাম্পের নিভৃতিতে রেখে পুণ্য করার সুযোগ দিচ্ছি। দেশের জন্য পুণ্য, দশের জন্য পুণ্য।

→

রাজনীতিতে কেউ ‘রাম’, কেউ ‘বোকারাম’

বোকা বনা আর বোকা বানানো তারই এক মহাযজ্ঞশালা এই রাজনৈতিক পৃথিবী।

→

শংকরের আয়নায় চাকরিজীবী বাঙালি মুখ দেখত নিজেদের

শংকর চলে গেলেন। রেখে গেলেন বাঙালির, চাকরিজীবী বাঙালির ও চাকরিকেন্দ্রিক বাঙালির মুখ দেখার সাহিত্য দর্পণ।

→

নন্দিনীর ওপেন রিলেশনশিপ!

নন্দিনীর জীবনে একপিঠে রঞ্জন অন্যপিঠে বিশু। খুব ফালতু লাগছে? মনোগ্যামি পলিগ্যামি এই সব মাথায় উঁকি দিচ্ছে? কিংবা, মনে হচ্ছে একালে যেমন লেখা থাকে ‘ওপেন-রিলেশনশিপ’ সেই রকম কিছু একটা।

→

বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বন্দে মাতরম্‌’ ঘিরে ধর্মীয় সংকীর্ণতার আবাহন দেখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ

‘বন্দে মাতরম্‌’ যেখানে উগ্রজাতীয়তাবাদের সহচর সেখানেই রবীন্দ্রনাথের আপত্তি। বঙ্কিমের প্রতি অশ্রদ্ধা নিয়ে নয়, হিন্দু-মুসলমান-ইংরেজ যেখানে ছোট ও সংকীর্ণ– সেই অংশের প্রতি সচেতনতা থেকেই, এই গানটির অঙ্গচ্ছেদ করে গ্রহণের পক্ষপাতী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ।

→

বাঙালি মেরুদণ্ডের সেকাল-একাল

বাঙালি এখন আর মেরুদণ্ড বলে না, শিরদাঁড়া বলে। তাদের বেতো শরীর। ব্যথা হয়ে যায়। মাটিতে সাষ্টাঙ্গে শুয়েও শিরদাঁড়ায় টান লাগে। তাই আজকাল মাঝে মাঝে শিরদাঁড়াটি খুলে বাঙালি রোদে শুকোতে দেয়।

→