যে বাড়ি না ফিরে, ক্ষণে ক্ষণে বন্ধুর বাড়ি চলে যায়, তার কি একা থাকা মানায়? সে অন্তত দু’জনে, যুগলবন্দি।
শক্তির মৃত্যুতে খুব ভেঙে পড়েছিল পৃথ্বীশ। জীবৎকালে বারবারই পৃথ্বীশ আর শক্তির ঝামেলা হত, শক্তি কেন পৃথ্বীশকে নিয়ে একটা এলেজি লেখেনি। শক্তি বোঝাত, আরে তুই তো মরিসনি, এলেজি লিখব কী করে!
কবিতা চাইতে এসে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকেও বেজায় ঘুরিয়েছিলেন শক্তি। আমাদের অন্তরঙ্গতা ছিল পারিবারিক। বাড়িতে আসতেন। খেতেন লিকার চা। শক্তির সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পাওয়ার দিন, সবার আগে বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনিই।
একবার বইমেলার গেট সাজানোর দায়িত্বে ছিলেন আমাদের বন্ধু আর্কিটেক্ট শোভনলাল ব্যানার্জী। সুকুমার রায়ের ‘আবোল তাবোল’-এর কবিতার ছবি দিয়ে তৈরি হয়েছিল বিরাট কাটআউট। সে এক হইহই ব্যাপার।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved