Robbar

যে পারে সে এমনি পারে শুকনো ডালে ফুল ফোটাতে, বলতেন চণ্ডী লাহিড়ী

যেদিন দেওয়ালে হাতে আঁকা ছবি নড়ল সেদিন দু’হাত তুলে চিৎকার করে আনন্দে প্রায় ‘ইউরেকা’ বলে উঠলেন চণ্ডীদা।

→

সহজ আর সত্যই শিল্পীর আশ্রয়, বলতেন পরিতোষ সেন

দেমাক আর অহংকার ছাপিয়ে চারিত্রিক সরলতাকেই প্রাধান্য দিতেন পরিতোষদা।

→

সব ছবি একদিন বের করে উঠোনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলাম, বলেছিলেন অতুল বসু

মাস্টারমশাইয়ের কথা শুনে উপলব্ধি হল, ছবি আঁকাটা যত না হাতের কাজ তার চেয়ে অনেক বেশি মগজের।

→

যদি বিমূর্ততা না থাকত তাহলে আমরা শুধু বাস্তবের জন্য দম বন্ধ হয়ে মরে যেতাম

মূর্ত থেকে বিমূর্ততায় যে আসা, সেটা তো একদিনে হয়নি, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলেই এখানে এসেছি।

→

ভারতে আইনসিদ্ধ নকল ছবির বাজার হলে মন্দ হয় না

জাল ছবি তৈরির ডেরাগুলো খুঁজতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ের সংবাদমাধ্যম থেকে যা জানা গেল, তাতে ভারতের নকল শিল্পের রাজধানী নাকি কলকাতা এবং পরবর্তীকালে সরে গিয়ে দিল্লি আর মুম্বই!

→

চিন্তা ও রুচির দুর্ভিক্ষের কোনও ছবি হয় না, বলেছিলেন জয়নুল আবেদিন

তাঁকে ‘মানবতার শিল্পী’ বলা হয়। সে কারণে বিশ শতকে আধুনিক চিত্রকলা চর্চার যে জগৎ, সে সবের মধ্যে পুরোপুরি না গিয়ে তিনি আমাদের দেশ, এই অঞ্চল, এখানকার মানুষ, প্রকৃতি– এসব নিয়ে কাজ করেছেন। কাজ করেছেন দুঃখ-কষ্ট, অভাব অনটন নিয়ে। শুরুটা সেই তেতাল্লিশের মন্বন্তরে।

→

মারিও মিরান্ডার ছবির দেশে জনসংখ্যা খুব বেশি

১৯২৬ সালের, ২ মে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিখ্যাত শিল্পী মারিও মিরান্ডা। সত্যজিতের জন্মদিনে আরেক শিল্পীর প্রতি প্রণতি।

→

জীবন জোড়া কাজের ‘খসড়া খাতা’ শৈশবেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল মাণিদার

কে জি সুব্রহ্মণ্যন-এর শতবর্ষ এ বছর। রইল তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা।

→