আমাকে মাঝে মাঝে বম্বে ডাইং-এর ফ্যাক্টরিতে পাঠাতেন মিসেস ওয়াড়িয়া। তোয়ালে, বিছানা চাদর, বালিশের ওয়াড় এমনকী, লুঙ্গিরও ডিজাইন। শিল্পের এই বিচিত্র ব্যবহার ভুলব না। লোকে বলে, ফ্যাশন ধনীদের জন্য। আসলে সমস্ত কিছুই শেষ পর্যন্ত চাপানো হয় দরিদ্র শ্রেণি আর সাধারণ নাগরিকের ঘাড়ে।
আমি যে আজকাল এত মুখ আঁকি, ‘ফবিস্ট’দের মতো অবাস্তব রং মাখাতে ভালোবাসি মুখমণ্ডলে, তার পিছনে কি প্রচ্ছন্ন থাকে ফেলে আসা দিনগুলোর অভিজ্ঞতার কিছু কিছু?
এত যে বিশাল ছবির দাম, এত যে বিক্রি, নিলাম ইত্যাদি মিলিয়ে অর্থনৈতিক খবরাখবর, শুনেছি বিশাল সংসারে আয়-ব্যয়ের হিসেবের শেষে হুসেনের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স নাকি জিরো! ১৭ সেপ্টেম্বর এম এফ হুসেনের জন্মদিন।
যেদিন দেওয়ালে হাতে আঁকা ছবি নড়ল সেদিন দু’হাত তুলে চিৎকার করে আনন্দে প্রায় ‘ইউরেকা’ বলে উঠলেন চণ্ডীদা।
দেমাক আর অহংকার ছাপিয়ে চারিত্রিক সরলতাকেই প্রাধান্য দিতেন পরিতোষদা।
মাস্টারমশাইয়ের কথা শুনে উপলব্ধি হল, ছবি আঁকাটা যত না হাতের কাজ তার চেয়ে অনেক বেশি মগজের।
শুরু হল নতুন কলাম। এই পর্বে রইল শিল্পী সুনীল পালের কথা।
মূর্ত থেকে বিমূর্ততায় যে আসা, সেটা তো একদিনে হয়নি, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলেই এখানে এসেছি।
১৯৪৮ সালের লন্ডন অলিম্পিক বাঙালি ভুলে গেল কেন?
জাল ছবি তৈরির ডেরাগুলো খুঁজতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ের সংবাদমাধ্যম থেকে যা জানা গেল, তাতে ভারতের নকল শিল্পের রাজধানী নাকি কলকাতা এবং পরবর্তীকালে সরে গিয়ে দিল্লি আর মুম্বই!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved