এই স্বঘোষিত প্রতিভাবানদের দেশে, সবজান্তা শিল্পবিশেষজ্ঞর দেশে, স্বঘোষিত শ্রেষ্ঠ শিল্পীর দেশে, আমিই ‘শেষকথা’ প্রমাণ করার ঔদ্ধত্যময় দেশে– শিল্পের ইতিহাস ভেঙেচুরে যাবেই।
‘অরাজনৈতিক’ বলে কিছু হয় না। পিকাসোর এই ছবিও রাজনৈতিক। পিকাসোকে দুর্গাপুজোর চালচিত্র হিসেবে ব্যবহার করাও রাজনৈতিক। আমার মনে হয় এই ছবি আশা জাগানো। নিরাশার ছবি নয়। পিকাসোও তাই-ই ছিলেন।
দেলাক্রোয়ার শরৎ আর আমাদের শরৎ এক নয়। কিন্তু এই ছবি কি এই সময়েরই ভাষা নয়? প্রায় ২০০ বছর পেরিয়ে এসেছি আমরা এই ছবি থেকে।
এখনও কলকাতা তিলোত্তমা হতে পারে, কারণ মানুষ এখনও জেগে আছে, প্রতিবাদে, মিছিলে।
যাঁরা সচেতন মানুষ, যাঁরা প্রতিবাদ করছেন, তাঁদের দৈনন্দিন যাপনে একটা দ্বিধাবোধ হয়তো তৈরি হয়েছে। আনন্দ করায়, আড্ডা দেওয়ায়, রোজের আরাম-বিলাসে।
এ বছর পুজোয় তেমন বিরাট কোনও পরিকল্পনা নেই আমার। দুটো মাত্র ঠাকুর গড়ব। ভবানীপুর ও বাঘাযতীনে।
সারা দুনিয়ায় গণেশ হালুই পরিচিত বিমূর্ত শিল্পী হিসেবেই। তিনি তাঁর মতো করে দেখেছেন শরতকে। শরতকালে শুধু যে দুর্গাপুজো হয়, তা তো না। এ তো আরেকটা অকালবোধনও হতে পারে।
বিজ্ঞান যতটা বাতিল করার কথা বলবে, শিল্প বলবে না, শিল্প মনে রাখবে। বলে দেবে, মনে করিয়ে দেবে ইতিহাসগুলো।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved