Robbar

সহজ পথের সন্ধানে

Published by: Robbar Digital
  • Posted:July 3, 2026 8:49 pm
  • Updated:July 3, 2026 10:27 pm  

মেঝেতে একপাশে লাল শালু ঢাকা একটি কুশাসন। কুশাসনের সামনে কোশাকুশি, একটি কাঁসার কমণ্ডলু, একটি হাতঘণ্টা ও আরও কিছু কিছু পূজার দ্রব্য। সেসব আমি ভালো চিনতেও পারলাম না। কিন্তু একটা জিনিস দেখে খুব অবাক হলাম। কোশাকুশির সামনে লাল শালুতে মোড়া সিন্দূরচর্চিত একটি নরকরোটি! সেদিকে তাকিয়ে কেমন অস্বস্তি হল, চোখ ফিরিয়ে নিলাম। এই বুড়ো মানুষটি কি কোনও তান্ত্রিক? ঘরে করোটি কেন?

সন্মাত্রানন্দ

১২.

চরণ জানে কোথায় যায়, আমি তা জানি না। এমন কখনও কি তোমার হয়েছে? নিজেকে বোধহয় ছুটি দিয়েছিলাম আমি সেদিন, তাই কোথায় যাচ্ছি, কেন যাচ্ছি, কিছুই ঠাহর হচ্ছিল না। পা সে নয়, যেন দু’টি পাখা, যেদিকে খুশি চলে যাচ্ছে। বেশ কিছুক্ষণ ধরে এ-গলি ও-গলি, এ-রাস্তা সে-রাস্তা পেরিয়ে যেতে দেখলাম। মনে হচ্ছিল, রাস্তাই হেঁটে যাচ্ছে, আমাকে একের পর এক পেরিয়ে পিছনে চলে যাচ্ছে, শেষে আমি গৌহাটি রেলওয়ে স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছি। অত বড় জংশন স্টেশন; জানি না, কোথায় যাব এর পর, আদৌ কোথাও যাব কি না।

একটা প্যাসেঞ্জার ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল, উঠে বসলাম। কিছুক্ষণ পরে ট্রেনটা চলতে আরম্ভ করল। কামরার ভিতরে মানুষের কত কথালাপ, হকারদের বচসা, ট্রেন ছুটে যাওয়ার কঙ্কনঝংকার, রেললাইনের দু’ধারে নগরজীবনের কত হইহট্টগোল– কিছুই আমার কানে ঢুকছিল না। যখন কেউ সমুদ্রে নামে, ঢেউয়ের দিকে মুখ করে যখন কেউ সাগরের গভীরে চলে যেতে থাকে নীলাম্বুরাশির অতন্দ্র তরঙ্গে মুগ্ধ হয়ে, তখন সে আর সমুদ্রের পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজনের কথার শব্দ কিছুই শুনতে পায় না।

ভিতরের নেশায় বুঁদ হয়েছিলাম, বাইরের খবর রাখিনি। খেয়াল যখন হল, যখন বাইরের দিকে হুঁশ ফিরল, দেখলাম, ট্রেনটা দাঁড়িয়ে আছে একটা নিরালা স্টেশনে। কে জানে কী মনে হল, নেমে পড়লাম ট্রেন থেকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রেনটা আমাকে প্লাটফর্মে ফেলে বেরিয়ে গেল। আমি দাঁড়িয়ে রইলাম একা!

একা, কেননা সে এক নির্জন স্টেশন। নাম দেখলাম– ঠাকুরকুচি। স্টেশন বলতে দু’খানা প্লাটফর্ম; আসতে আর যেতে। প্লাটফর্মের দু’দিকেই দিক-হারানো মাঠ, চাষের খেত। স্টেশন-মাস্টারের কামরা, টিকিটঘর আছে, তবে সে যেন খানিকটা নিয়মরক্ষার জন্যই। এমন এক স্টেশনে, সারা দিনে দুটো-একটা প্যাসেঞ্জার ট্রেনও দাঁড়ায় কি দাঁড়ায় না। এদিক-সেদিক তাকিয়েও আমি ছাড়া দু’-চারটি প্রাণীর বেশি চোখে পড়ল না। তার মধ্যে একটি ঘিয়ে ভাজা কুকুর!

শিল্পী: স্যমন্তক চট্টোপাধ্যায়

আমি প্লাটফর্ম ছেড়ে মাঠের পথে নামলাম। ছড়ানো মাঠ। সন্ধে হয়ে আসছে। সাঁঝের কুয়াশামাখা রিক্ত, শস্যহীন খেত। আলপথ দিয়ে হেঁটে চলেছি। জানিই না, কেন যাচ্ছি, কোথায়ই বা যাচ্ছি। পিছনে ফেলে এসেছি অর্থহীন জীবন। সামনে কীসের সার্থকতা? তাও জানি না আমি।

মাঠ ফুরল এক সময়। গ্রাম এসে পড়ল। তবে একে গ্রাম বলে কোন পাগলে? উঁচুনিচু মাটি, বড় বড় গাছগাছালিতে ঢাকা। পাঁচ-ছ’টি মাটির ঘর চোখে পড়ল। তবে সেগুলোতে মানুষ আছে কি না, বুঝতে পারলাম না। একটা-দুটো বাড়ির দরজাটুকুও তালাবন্ধ দেখলাম, দরজার পাল্লায় বৃষ্টির জল পড়ে পড়ে সবুজ হয়ে রয়েছে।

ভাবলাম একবার, ফিরে যাব? তারপরই ভাবলাম, কেনই বা? ফিরে যাব কার কাছে, কীসের জন্যে?

হঠাৎ মনে হল একবার, ছোটবেলার সেই মুকুরটিলাতেই দাঁড়িয়ে নেই তো আমি? তেমনই উঁচুনিচু জমি, তেমনই বড় বড় গাছে ঢাকা বনাঞ্চল। পরমুহূর্তেই সেই ভ্রম ভাঙল। মুকুরটিলায় কি এরকম মাটির বাড়ি আছে এতগুলো? আয়নার ওধারে যে-দৃশ্যপট, তার উপাদানরূপ বস্তুপিণ্ডসমূহকে যদি কেউ একটু অন্যভাবে সাজায়, তাহলে ঠাকুরকুচির এ-বনান্তিক গ্রামের ছবি ফুটে উঠতে পারে। ওই যে মেলায় বাচ্চাদের খেলনা পাওয়া যায়, কী নাম কী নাম… পেটে আসছে তো মুখে আসছে না। কী বললে, ক্যালাইডোস্কোপ? তাই হবে। তা এ-ও যেন সেই এক আশ্চর্য খেলনাটা, নাড়া দিলেই ভিতরের নকশা পালটে যায়।

হঠাৎ দূরস্থ কোনও অগ্নিশিখার নড়াচাড়া আমাকে চকিত করে তুলল। সামান্য এগিয়ে গিয়ে দেখলাম, মাটির ঘর একখানি, খড়ের চাল। বাড়িটার দাওয়ার ঠিক মাঝখানে পিতলের পিলসুজের ওপর মাটির একটি বড় প্রদীপ জ্বলছে। আর কোথাও কিছু নেই। একটি মানুষকেও দেখতে পেলাম না কাছেপিঠে।

কিন্তু আগুন যখন আছে, তখন আগুন জ্বালানোরও কেউ থাকবে। আমি পায়ে পায়ে এগিয়ে দাওয়ায় উঠলাম। দেখলাম, ঘরের দরজাটা ভিতর থেকে বন্ধ। দরজার পাল্লায় টোকা দিলাম। একবার, দু’বার, তিনবার।

‘কেউ আছেন কি?’ জিজ্ঞেস করলাম গলা তুলে– কে জানে, কাকে!

একটু পরে ঘরের ভিতর মন্থর পদশব্দ পেলাম। কেউ আসছে বোধহয়। এক মুহূর্ত পরেই দরজা খুলে গেল। দরজার ওদিকে একজন বৃদ্ধ মানুষ। পরনে একখানা লাল রঙের কাপড়। খালি গা। বুকের লোমগুলো সব সাদা হয়ে গিয়েছে। মাথার পলিতকেশগুলো ঝুঁটি করে চূড়া করে বাঁধা। মুখে কাঁচাপাকা দাড়িগোঁফ। চোখের দৃষ্টি স্নিগ্ধ কিন্তু সজাগ। আমার দিকে বুড়ো মানুষটি হাসিমুখে চেয়ে আছেন। যেন আমি তাঁর পূর্বপরিচিত।

হঠাৎ নীরবতা ভেঙে তিনি কথা কয়ে উঠলেন, ‘সেই এলি, মা! কিন্তু এত ঘুরপথে এলি। উঠানে জলের কলসি আছে। হাত-মুখ ধুয়ে ভিতরে আয়।’

আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো উঠানে নেমে কলসি থেকে জল নিয়ে হাত-পা ধুলাম। জলের ঝাপটা দিলাম মুখে। আঁচল জলে ভিজিয়ে ঘাড়, কাঁধ, মুখ মুছলাম। এতটা অবিরত পথ-চলার ক্লান্তি দূর হল কিছুটা হলেও। দাওয়ায় উঠে খোলা দরজা দিয়ে ঘরের ভিতরে ঢুকলাম। একটি বেশ লেপাপোঁছা মাটির ঘর। বুড়ো মানুষটি একটি পিঁড়ি পেতে একধারে বসতে বললেন। তারপর ঘরের আরেক কোণ থেকে খানিকটা মুড়ি একটা জামবাটিতে ঢাললেন। চট করে ঘরের বাইরে গিয়ে গাছ থেকে শসা একটা তুলে এনে দক্ষ হাতে সরু সরু করে কাঁটলেন। ছোট একটা কুরুনি দিয়ে একটা আধমালার নারকেল কুরে সেই নারকেল-কোরা, চিনি আর শসা মুড়ির ওপর ঢাললেন। কুঁজো থেকে মাটির গেলাসে জল নিলেন। তারপর সেই জামবাটি-ভরতি খাবার আর জলের গেলাস আমার সামনে ধরে দিয়ে বললেন, ‘খেয়ে নে, মা। আমার আজ এইটুকুনই আছে।’

শিল্পী: স্যমন্তক চট্টোপাধ্যায়

দেওয়ালের গায়ে কুলুঙ্গিতে প্রদীপ জ্বলছিল। আমি খেতে খেতে ঘরের ভিতরটা দেখছিলাম। একপাশে একটা দড়ির খাটিয়া। তার ওপর একটা কম্বল পাতা। মাথার দিকে কতগুলো কাপড় জড়ো করে বালিশের অনুকল্প তৈরি করা হয়েছে।

মেঝেতে একপাশে লাল শালু ঢাকা একটি কুশাসন। কুশাসনের সামনে কোশাকুশি, একটি কাঁসার কমণ্ডলু, একটি হাতঘণ্টা ও আরও কিছু কিছু পূজার দ্রব্য। সেসব আমি ভালো চিনতেও পারলাম না। কিন্তু একটা জিনিস দেখে খুব অবাক হলাম। কোশাকুশির সামনে লাল শালুতে মোড়া সিন্দূরচর্চিত একটি নরকরোটি! সেদিকে তাকিয়ে কেমন অস্বস্তি হল, চোখ ফিরিয়ে নিলাম। এই বুড়ো মানুষটি কি কোনও তান্ত্রিক? ঘরে করোটি কেন?

মাথা নিচু করে মুড়ি আর নারকেলকোরা খাচ্ছি, বুড়ো আমার থেকে একটু দূরে আরেকটা পিঁড়িতে বসে আছেন। মাঝেমাঝে এটা-ওটা জিজ্ঞেস করছেন। কখন বেরিয়েছি? কী করে এখানে এলাম? আরেকটু কি নারকেল কোরা নেব? জল খাব আর? মুড়ি? বেশ সহজ সব কথা। সরল, আন্তরিক।

হঠাৎ আমার মুখের দিকে চেয়ে চেয়ে বলে উঠলেন, “তোর নাকটা কী সুন্দর! নাকছাবি কি নথ পরিস না? কেমন বড় বড় কালো কালো চোখ দু’টি তোর! নথ পরলে কত সুন্দর মানাবে!”

কোনও পরিণতবয়স্ক পুরুষ যে এত সহজে, এত অনাড়ম্বরভাবে, এত ভূমিকাবিহীন সোজাসুজি কোনও মেয়ের রূপের প্রশংসা করতে পারেন, আমি এর আগে কখনও তা শুনিনি। কিন্তু এ কি রূপের প্রশংসা আদৌ? এ যেন ছোট ছেলে মায়ের কোলে বসে মাকে আদর করে চিকুর ধরে, নথ ধরে, কি কানের মাকড়ি ধরে টেনে দৌরাত্ম্য করে, এ-ও যেন তদ্রূপ! আরও আশ্চর্য, ওকথা শুনে আমার মনে কোনও লজ্জা বা সংকোচের ভাব কিছুই উৎপন্ন হল না। যেন সমস্তই স্বাভাবিক কথা। আমি শুধু তাঁর দিকে চেয়ে হেসে উঠলাম।

খাওয়া হয়ে গিয়েছিল। এঁটো বাটিটা তুলে নিয়ে ঘরের বাইরে যাচ্ছিলাম। তিনিও আমার পিছে পিছে এসে দাওয়ায় দাঁড়িয়ে কাকে যেন হাঁক দিয়ে ডাকতে লাগলেন, ‘সরস্বতী! অ সরস্বতী!’

কিছুক্ষণের মধ্যেই কলাবাগান পেরিয়ে কে একটি মাথায় ঘোমটা দেওয়া বউ উঠানে এসে দাঁড়াল। মুখ ঘোমটায় এমন করে ঢাকা যে, আমি তার মুখ সাঁঝের আঁধারে ভালো দেখতে পাচ্ছিলাম না। বউটি খুবই বিনীতভাবে অথচ উদ্বিগ্ন স্বরে বলল, ‘ডাকছ কেন, বাবা? কী হয়েছে?’

বৃদ্ধ মানুষটি কেমন অনুনয়ের সুরে বললেন, “দ্যাখ না, এ মেয়েটা এখানে এসে পড়েছে। তোরা ওকে ক’টা দিন একটু তোদের ঘরে স্থান দে। আমি দেখছি পরে কী করা যায়! বড় দুখিনী মেয়ে, সাবধানে রাখিস!”

বউটি তখনই জবাব দিল, ‘যে আজ্ঞে, বাবা! আপনি যা বলবেন, তাই হবে এখন’, এই বলে সে আমার কনুইয়ের কাছটা ধরে বলল, ‘চলো, ভাই, আমাদের ঘরে। পুঁটুলি-টুটুলি তো তোমার কিছুই দেখছি নাকো!’

আমি তাদের ঘরে গিয়ে উঠলাম। বউটির নাম সরস্বতী, তার বরের নাম তারাপদ। ছোট একটা বাচ্চা ছেলে তাদের। এই নিয়েই তাদের সংসার।

ধীরে ধীরে সে-গ্রামে আমি অভ্যস্ত হয়ে উঠলাম। প্রথম দর্শনে যত জনবিরল মনে হয়েছিল, সে-গ্রাম তত জনবিরল নয়। তবু যে-কোনও ছোট গাঁয়ের তুলনাতেও সেই গ্রামে লোকসংখ্যা অপ্রতুল। আসলে নানা জায়গা থেকে লোক উঠে এসে বনের ধারে ওই জায়গাটাতে বসতি করেছে। বৃদ্ধ মানুষটি এ-গাঁয়ে অত্যন্ত সম্মানিত। তাঁর আদেশ এখানে সকলেরই শিরোধার্য। তিনি বললেন, সকলে মিলে আমার এক কামরার একটা ঘর তুলে দিতে। দিন পনেরোর মধ্যেই আমার কুঁড়েঘরটি তৈরি হয়ে এল। আমি সেখানেই থাকতে লাগলাম।

আনন্দে। নির্ভার।

পরে জানলাম, আমার আশ্রয়দাতা সেই বৃদ্ধের নাম সহজানন্দ। তিনি তন্ত্রসাধক। আমি যতই তাঁর সঙ্গে মিশতে লাগলাম, ততই অবাক হয়ে যেতে লাগলাম। তন্ত্রশাস্ত্রে তাঁর জ্ঞান, সাধনজগতে তাঁর উপলব্ধি বিস্ময়কর। আমাকে তিনি নিজের মেয়ে বলেই গ্রহণ করেছিলেন। আমার অতীতের সমস্ত ঘটনা খুঁটিনাটি কিছুটা তিনি জেনেছিলেন আমার কথা থেকে, কিছুটা তাঁর অব্যাখ্যাত শক্তি-সহায়ে। আমাকে অনেকভাবে পরীক্ষা করে নিয়েছিলেন।

তিনিই আমার গুরু, আমার পিতা, আমার সর্বস্ব। আমাকে তিনি খুব ভালো করে সংস্কৃত শেখালেন, তন্ত্রভুবনের আলো-আঁধারিময় খুঁটিনাটি সাধন করালেন। কখনও কখনও সঙ্গে নিয়ে যেতেন নানা স্থানে। কামাখ্যায়, উজ্জয়িনীতে, ওঁকারেশ্বরে, কাঞ্চীপুরমে।

বড় অদ্ভুত মানুষ ছিলেন গো তিনি! কখনও কখনও কয়েক মাসের জন্য উধাও হয়ে যেতেন কোথায়। আবার হঠাৎ একদিন হাজির হতেন এসে ঠাকুরকুচিতে। আমি পরে জেনেছি, তিনি বাংলাভাষায় কতগুলো বই লিখেছিলেন। ধর্মের বই নয় সবগুলো। বেশ গল্প-উপন্যাসেরই বই। কলকাতায় তাঁর লেখা বইপত্র খুবই বিখ্যাত হয়েছিল। সিনেমাও হয়েছে দুয়েকটা। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার, খুব বেশি লোক তাঁকে দেখেনি। আড়ালে থাকতেই ভালোবাসতেন তিনি চিরকাল। ভিড় ভালোবাসতেন না।…

শিল্পী: স্যমন্তক চট্টোপাধ্যায়

কিন্তু তোমাকে আমি এসব আর বলছি কেন? এসব তো তুমি শুনতে চাওনি, বাপু! এসব তেমন কাজেও কিছু লাগবে না তোমার। তুমি জানতে চেয়েছিলে, আমি কেমন করে এই জীবনে এলাম, তাই তো? শুনলে তো সব কিছুই তোমাকে বললাম মোটামুটি। আসলে প্রত্যেকের জীবনেরই তো একেকটা গল্প থাকে। আমারও একটা আছে। এর বেশি আর কী, বলো?

দেখো দেখি, কথায় কথায় কত বেলা হয়ে গেল আজ! চলো, চলো, এক্ষুনি চান-খাওয়া সেরে নাও তাড়াতাড়ি। কত কাজ পড়ে আছে গো আমার!

……………………….

রোববার.ইন-এ পড়ুন আয়নার ওধারে-র অন্যান্য পর্ব

……………………….