


শিল্পী কৃপাময়ী কর্মকারের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপে অনুভব করা যায়, ব্রত আসলে কেবল ধর্মীয় আচার নয়; এটি বাংলার নারীদের অলিখিত আত্মজীবনী। ‘সাঁঝ পুজনীর ব্রত’-এ সতীনহীন দাম্পত্যের আকাঙ্ক্ষা, ‘দশ পুতুল ব্রত’-এ আদর্শ সংসারের স্বপ্ন, ‘যম পুকুর ব্রত’-এ পরিবার ও সমাজের সর্বজনীন মঙ্গলকামনা– সব মিলিয়ে এগুলি এক সম্পূর্ণ জীবনদর্শনের ভাষা। কৃপাময়ীর কণ্ঠে শোনা ব্রতকথাগুলি আসলে ইতিহাসের প্রান্তে চাপা পড়ে থাকা অসংখ্য নারীর স্বর। যে স্বর কখনও প্রার্থনা, কখনও প্রতিবাদ, কখনও বা এক স্নিগ্ধ স্বপ্ন হয়ে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে আছে।
বীরসিংহ গ্রামে সন্ধে নামে একটু অন্যরকমভাবে। মল্লভূমের প্রাচীন স্মৃতিবাহী সেই জনপদে দিনের আলো নিভে এলে যেন অতীতের অনেক অপ্রকাশিত গল্প ধীরে ধীরে জেগে ওঠে। সেই গল্পগুলিরই এক গুরুত্বপূর্ণ ধারক কৃপাময়ী কর্মকার– একজন গৃহবধূ, দুর্গাপট শিল্পী এবং একইসঙ্গে লোকস্মৃতির এক জীবন্ত ভাণ্ডার। সংসারের নিত্যকার কাজের ভিড়ের মধ্যে তিনি যেমন রাজার বাড়ির দুর্গাপট আঁকার প্রস্তুতি নেন, তেমনই বহন করে চলেছেন বাংলার বহু প্রাচীন ব্রতসংস্কৃতির ধারাবাহিকতাও। তাঁর স্মৃতিতে সংরক্ষিত ব্রতকথাগুলি আর সেই সঙ্গে তৈরি হতে থাকা ব্রত-পুতুলের সম্ভার আজ শুধু মাত্র ধর্মীয় আচারের বিবরণ নয়; সেগুলি আসলে বাংলার নারীদের দীর্ঘ সামাজিক অভিজ্ঞতা, বেদনা, স্বপ্ন ও আত্মপ্রকাশের এক মূল্যবান সাংস্কৃতিক দলিল।
রথের পার্বণ পেরিয়ে গেল, স্বভাবতই কৃপাময়ীরও ব্যস্ততা বাড়তে শুরু করেছে। এখন তিনি আঁকবেন বড়মার পট, মেজমার পট, ছোটমার পট। দিনের সময় ধরে চলছে তার প্রস্তুতি। গাছপালা, মাটি, নানা পাল্লার পাথুরে রং জোগাড়ের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার শুধু রাজার বাড়ির ডাক আসার অপেক্ষা। আসলে রাজপরিবারের বিশেষ অনুরোধেই দুর্গাপট আঁকতে হয় কৃপাময়ীকে। সেইসঙ্গে আঁকতে হয় কঙ্কালদর্শন মহাকালীর মহামারী পটও, যা এখনও একপ্রকার গোপন ঐতিহ্যের অন্তর্গত। এই পট সাধারণ মানুষের দর্শনের জন্য নয়। কিন্তু তাঁর এসব শিল্পচর্চার আলোচনার মাঝখানেই যখন উঠে আসে ব্রতের কথা, তখন বোঝা যায়– পটের মতোই ব্রতও আসলে বাংলার লোকজ সমাজস্মৃতির এক সমৃদ্ধ ভাণ্ডার। সব মিলিয়ে এই দুই পর্যায়ের পট আঁকার জন্য শুধু গ্রাম চৌহদ্দি নয়, আজ বর্তমানে এই শিল্পী গৃহবধূর যথেষ্ট নাম ডাক কলকাতার পুজো সেলিব্রেশনেও।

বাংলার ব্রতকে শুধুমাত্র একটি যৌথ ধর্মীয় আচার বা লোকবিশ্বাসের ধারক হিসেবে দেখলে চলবে না; এই ব্রতগুলি আসলে যে বাঙালি নারীর সামাজিক ইতিহাস, মানসিক জগৎ এবং জীবনসংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক দলিল সেকথাও বুঝতে হবে, পট পরম্পরার পথ ধরে তা জানাতে ভোলেন না কৃপাময়ী। শতকের পর শতক ধরে গ্রামীণ বাংলার নারীরা ব্রতকে আশ্রয় করে নিজেদের আকাঙ্ক্ষা, দুঃখ, ভয় এবং স্বপ্নকে এমনভাবেই প্রকাশ বা লালন করেছেন, যে-কারণে ব্রতকথার ভাষা আপাতদৃষ্টিতে ধর্মীয় হলেও তার অন্তর্নিহিত বক্তব্য গভীরভাবে সবার জন্যেই এক পালনীয় কর্তব্যের চেহারা পেয়েছে।
শিল্পীর সঙ্গে আলাপ করতে করতেই মনে হচ্ছিল, এমন অনেক ব্রত আছে, যা প্রাচীন বাংলার সমাজ ইতিহাসের কথাকেই যেন আজও বহন করে চলেছে। কৃপাময়ী নিজেই জানালেন– ‘সাঁঝ পুজনীর ব্রত’র কথা। অগ্রহায়ণ মাস জুড়ে কুমারী মেয়েরা এই ব্রত পালন করত এবং আজও করে। ব্রত পালনের সময় উঠোনে আঁকা হয় ৫২টি আলপনা। কৃপাময়ী বলেন, ‘এখানে আমাকে আঁকতে হয় ধানের মারাই, গোয়ালঘর, গয়না, ফলভরা বাগান এবং মাছ ভরা পুকুরের ছবি। আসলে সংসারে থাকি বলেই আজও আঁকি সংসারের সমৃদ্ধির চিহ্নগুলোকে।’ কিন্তু মজার কথা হল এই ব্রতের প্রার্থনা। ব্রতকারিণীকে কামনা করতে হয়– ‘আমার ঘরে যেন সতীন না থাকে’!

ব্রতের জন্য রাখতে হয়– দু’টি অপরাজিতা ফুলের শুঁটি, বর ও সতীনের প্রতীক ধরে নিয়ে। দু’টি শুঁটির মধ্যে একটি শুঁটিকে ছিঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়। ফেলে দেওয়ার সময় সব কুমারী মেয়েরা ছড়া কেটে বলে, ‘ডোমনা ডুমনি পিসি, ডোমনা পেল হাট, ডোমনাকে রেখে ডুমনিকে কাট’। কৃপাময়ীর এমন কথা শুনতে শুনতেই মনে হতে থাকে– এই প্রতীকী বিনাশ আসলে কি শুধু সতীনের বিনাশ? হয়তো তা নয়, এই বিনাশ বহুবিবাহের আশঙ্কার বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী প্রক্রিয়া। কুমারী মেয়েরা এমন একজন স্বামী কামনা করেন, যিনি আর কোনও বিবাহ করবেন না এবং তাদের দাম্পত্যজীবনে সতীনের আগমন ঘটবে না। ফলে ‘সাঁঝ পুজনীর ব্রত’কে বহুবিবাহ ও কৌলিন্য প্রথার বিরুদ্ধে নারীমনের সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ হিসেবেও পড়ে নেওয়া যায়।
ব্রতের ছড়াগুলিতে সতীনের সঙ্গে যাতে ঘর করতে না হয়, এমন কামনা করা হয়েছে ঠিকই বা প্রথম দর্শনে এই আচারকে নারীর বিরুদ্ধে নারীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা বলে মনে হতে পারে। কিন্তু গভীরে গেলে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক সামাজিক বাস্তবতাকে উন্মোচন করে। এখানে মূল উদ্বেগ সতীন নয়; বরং বহুবিবাহ। অতীতে যে-সমাজে পুরুষের একাধিক বিবাহ সামাজিক স্বীকৃতি পেত, সেখানে একজন কিশোরী-কন্যার কাছে বিবাহিত জীবনের সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা ছিল স্বামীর দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্ত্রীর আগমন। ফলে সতীনের প্রতীকী-বর্জন আসলে বহুবিবাহের সম্ভাবনাকেই অস্বীকার করার এক সাংস্কৃতিক ভাষা।
এই ব্রতের মধ্যে তাই নিছক ব্যক্তিগত ঈর্ষা নয়, বরং নারীর নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ দাম্পত্যজীবনের আকাঙ্ক্ষাই যেন প্রকাশিত হয়েছে। সেই আকাঙ্ক্ষা আজও বাংলার নারী মনের অন্দরে সযত্নে লালিত হয়। বিশেষত বাংলার কৌলিন্য প্রথার ইতিহাস স্মরণ করলে এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কুলীন ব্রাহ্মণ-সমাজে বহুবিবাহ একসময় সামাজিক প্রতিষ্ঠানরূপে গৃহীত ছিল। অনেক পুরুষ অসংখ্য বিবাহ করতেন, অথচ অধিকাংশ স্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের কখনও বাস্তব সংসার গড়ে উঠত না। সামাজিক স্বীকৃতি থাকলেও সেই নারীরা স্বামীর সান্নিধ্য, আর্থিক নিরাপত্তা ও পারিবারিক মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হতেন। উনিশ শতকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এই অমানবিক প্রথার বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছিলেন, তার সামাজিক পটভূমি যেন বহু আগেই ব্রতের ছড়া ও আচারগুলিতে নীরবে প্রতিফলিত হয়ে উঠেছিল। অর্থাৎ, ‘সাঁঝ পুজনীর ব্রত’কে কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে পড়লে তার প্রকৃত তাৎপর্য ধরা পড়বে না। এটি ছিল নারীর অভিজ্ঞতালব্ধ সামাজিক প্রতিবাদের এক নীরব ভাষা– একটি প্রতিবাদ, যা প্রকাশ্য আন্দোলনের ভাষা না পেলেও লোকসংস্কৃতির মধ্যে নিজের জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। আজও বিষ্ণুপুরের দুর্গাপট শিল্পী কৃপাময়ী কর্মকারের স্মৃতিতে সংরক্ষিত এই সমস্ত ব্রতসংক্রান্ত তথ্য আমাদের সেই সামাজিক বাস্তবতার কাছাকাছি পৌঁছে দেয় এক লহমায়।

একই ধরনের স্বপ্নের প্রকাশ ঘটে ‘দশ পুতুল ব্রত’-এ। এই ব্রতে রাম, সীতা, লক্ষ্মণ, দশরথ, কুন্তী, দ্রৌপদী, কৌশল্যা, পৃথিবী, দুর্গা ও ষষ্ঠীর পুতুল ব্যবহার করা হয়। ছোট মেয়েরা এই ব্রত পালন করে ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য নানা কামনা করত। তারা চায় রামের মতো স্বামী, সীতার মতো সতীত্ব, লক্ষ্মণের মতো দেওর, দশরথের মতো শ্বশুর এবং কুন্তীর মতো সন্তানসৌভাগ্য। আবার পৃথিবীর মতো সহনশীলতা ও দুর্গার মতো শক্তিরও কামনা করেন কুমারীরা। এই ব্রতের মধ্যে আদর্শ পারিবারিক জীবনের যে-ছবি নির্মিত হয়েছে, সেখানে শান্তি, স্নেহ, মর্যাদা এবং পারস্পরিক সম্পর্কের মূল্য বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। বাঙালি কন্যার চোখে একটি সুখী সংসার কেমন হওয়া উচিত, তার এক সাংস্কৃতিক রূপরেখা এই ব্রতের মধ্যে ফুটে ওঠে।
কৃপাময়ী কথায় কথায় জানান, ‘যম পুকুর ব্রত’-এর গুরুত্বও অপরিসীম। কারণ, এটি আমাদের সামনে বাঙালি নারীর মানসিকতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উন্মোচিত করে। কার্তিক মাসব্যাপী পালিত এই ব্রতের উদ্দেশ্য হল– যমপুরীর শাস্তি থেকে মুক্তিলাভ এবং পরিবার ও সমাজের কল্যাণ কামনা। ব্রতের আচার অনুযায়ী, উঠোনে একটি ছোট পুকুর খনন করে এবং তার চারপাশে যমরাজ, যমের স্ত্রী, যমের বোন, ধোপা-ধোপানি, মেছো-মেছোনি, কাক, বক, চিল, কচ্ছপ ও কুমিরের প্রতীকী পুতুল স্থাপন করা হয়। কৃপাময়ী হাতের তালুতে মাটি লেপে লেপে, আঙুলের চাপে এই সব পুতুল তৈরি করেন। প্রত্যেককে ফুল দিয়ে সাক্ষী মানা হয়। তাঁর কথাতেই জানা গেল, এই ব্রত পালনের সময় ব্রতকারিণীকে বলতে হবে– ‘যম রাজা তুমি সাক্ষী থেকো, আমি যম পুকুর পূজি’।

শিল্পীর সঙ্গে কথা-প্রসঙ্গে স্পষ্ট ধারণা তৈরি হচ্ছিল যে, ‘যম পুকুর ব্রত’-এর বিশেষত্ব হল এর সমষ্টি চেতনা। এখানে শুধু নিজের সুখ বা মুক্তি কামনা করা হয় না। ব্রতকারিণী নিজের পরিবার, পিতৃকুল, স্বজন, প্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব এমনকী শত্রুরও মঙ্গল কামনা করেন। মৃত্যুর পর যমপুরীর কষ্ট থেকে সকলের মুক্তির প্রার্থনা করা হয় এই ব্রততে। তাই এই ব্রত একজন নারীর পারিবারিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধের পরিচয় বহন করে। ‘সাঁঝ পুজনীর ব্রত’-এ যেখানে ব্যক্তিগত দাম্পত্যজীবনের নিরাপত্তা প্রধান, সেখানে ‘যম পুকুর ব্রত’-এ সমাজ এবং পরিবারের সম্মিলিত কল্যাণ মুখ্য হয়ে ওঠে। এই দুই ধারার মধ্যেই বাঙালি নারীর ব্যক্তি ও সামাজিক সত্তার যুগল প্রকাশ দেখতে পাওয়া যায়।
সন্ধ্যা তখন নেমে এসেছে বীরসিংহ গ্রামের আকাশে। মাটির গন্ধ মেখে কৃপাময়ী কর্মকার একে একে সামনে সাজিয়ে রাখেন ‘যম পুকুর ব্রত’-এর পুতুলগুলি। তাদের মুখে নেই কোনও সূক্ষ্ম অলংকরণ, নেই বাস্তবের নিখুঁত অনুকরণ; তবু সেই সরল শরীরী ভাষার মধ্যে যেন হাজার বছরের স্মৃতি ঘুমিয়ে আছে। মনে পড়ে যায়, হরপ্পার সেই প্রাচীন মাটির মূর্তিগুলির কথা– যেখানে শিল্পের শক্তি ছিল জটিলতায় নয়, অনুভবের গভীরতায়। সেই সঙ্গে একথাও মনে হয়, শিল্পের নিজস্ব তালিকায় ব্রতের আলপনা নিয়ে অনেক কথা হলেও ব্রতের পুতুলের কথা উহ্য রয়ে গিয়েছে। কিন্তু খেলার পুতুলের মতো দেখতে ব্রতের পুতুলের গুরুত্বও কিছু কম নয়।

শিল্পীর সঙ্গে দীর্ঘ আলাপে অনুভব করা যায়, ব্রত আসলে কেবল ধর্মীয় আচার নয়; এটি বাংলার নারীদের অলিখিত আত্মজীবনী। ‘সাঁঝ পুজনীর ব্রত’-এ সতীনহীন দাম্পত্যের আকাঙ্ক্ষা, ‘দশ পুতুল ব্রত’-এ আদর্শ সংসারের স্বপ্ন, ‘যম পুকুর ব্রত’-এ পরিবার ও সমাজের সর্বজনীন মঙ্গলকামনা– সব মিলিয়ে এগুলি এক সম্পূর্ণ জীবনদর্শনের ভাষা। এখানে একজন বাঙালি রমণী চান একনিষ্ঠ স্বামী, নিরাপদ সংসার, সন্তান, অন্নের নিশ্চয়তা, ভালোবাসায় গাঁথা পারিবারিক সম্পর্ক এবং সমাজের কল্যাণ। পুকুরভরা মাছ, মরাইভরা ধান, গোয়ালভরা গরু, ফলভরা বাগান– এসব শুধু সমৃদ্ধির প্রতীক নয়; এগুলি নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং বেঁচে থাকার স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি।
সেদিন বীরসিংহের সন্ধ্যার অন্ধকারে দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, কৃপাময়ীর কণ্ঠে শোনা ব্রতকথাগুলি আসলে ইতিহাসের প্রান্তে চাপা পড়ে থাকা অসংখ্য নারীর স্বর। যে স্বর কখনও প্রার্থনা, কখনও প্রতিবাদ, কখনও বা এক স্নিগ্ধ স্বপ্ন হয়ে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে আছে। তাই ব্রতের আলপনা, ছড়া বা মাটির পুতুলের আড়ালে শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে এক বৃহত্তর সত্য– বাংলার নারীরা তাঁদের আনন্দ, বেদনা, আকাঙ্ক্ষা ও সংগ্রামের ইতিহাস লিখে গিয়েছেন বইয়ের পাতায় নয়, লোকাচারের শরীরে। আর সেই কারণেই আজও কৃপাময়ী কর্মকারের ব্রতের গল্পে জেগে থাকে বাঙালি রমণীর সময়কে অতিক্রম করে বেঁচে থাকা এক অনন্য জীবনদর্শন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved