ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকাকে সাফল্যের শৃঙ্গে উড়তে দেখাটাই গৌতমের মোক্ষ, গম্ভীরের স্বপ্ন।
মৃত্যুর কয়েকদিন আগে অব্দি প্যারিসের মানুষ দেখত ইসমাইল কাদারে লে রস্ত্যাঁ ক্যাফেতে বসে আছেন সকালবেলা। হাতে কলম। বিস্তীর্ণ লাক্সেমবার্গ উদ্যানের দিকে চেয়ে ভেবে নিচ্ছেন তাঁর পরবর্তী শব্দ।
মতি নন্দীর জন্মদিনে, ওঁর লেখার ভিড়ের সঙ্গে আরেকবার পরিচিত হওয়া। যে ভিড় আক্রোশপূর্ণ, যে ভিড় হিংস্র, মারমুখী, যে ভিড় হয়তো আজকের ঘন ঘন গণপিটুনিতে লুকিয়ে।
‘আজ যুক্তি তর্ক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ খাটবে না। আজ গান ছাড়া আর-কোনো কথা নেই।’
আমার প্রদর্শনীর ৪০ পাতার রঙিন ক্যাটালগে একটা লেখাও ছিল তপতীর।
গুরু দত্ত নিজে কবি ছিলেন। আর কবি হিসাবে তিনি যখন আলোর সঙ্গে খেলা করেন, তখন আলো আর ছায়ায় ঈশ্বর নিজেকে মর্তভূমিতে আনেন, তা চিনতে আমাদের ভুল হয় না।
বিশ্বভারতীর পল্লি-পুনর্গঠনের কাছে কেবল দেশের মানুষের কাছে নয় বিদেশের কাছেও হাত পেতেছেন। বিশ্বমানবের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চেয়েছেন যে!
আজ গুরু দত্ত পা দিলেন জন্মশতবর্ষে, ১৯২৫ সালের আজকের দিনে তিনি জন্মেছিলেন। গুরু দত্ত ও তাঁর কলকাতা নিয়ে এই বিশেষ লেখা।
যেদেশে ক্রিকেট ধর্ম, সেই ক্ষেত্রয় শুধুমাত্র একজন বাঁহাতি ও বাঙালি প্লেয়ার হয়ে সৌরভ গাঙ্গুলির আবির্ভাব ঘটেছিল বলে কত শুচিবাই, কত ট্যাবু, কত অসূয়া, কত সংস্কার ও তার জগঝম্পের ইতি না ঘটলেও তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, তা নিয়ে গবেষণা করলে ক্রিকেটের এক অন্যতর সামাজিক বীক্ষণ কি উঠে আসবে না?
তাহলে কি ননীদা আমাকে ঈর্ষা করে কোটিপতি হব বলেছিলেন?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved