Robbar

কলাম

‘দেহলি’র ছোট ঘর রবীন্দ্রনাথের লেখার মনকে সংহত রেখেছিল

এই বাড়িটি পাঁচের দশকের মধ্যভাগ থেকে ‘মৃণালিনী আনন্দ পাঠশালা’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাঠভবন পূর্ববর্তী ছাত্রদের মন্টেসারি স্কুল। দু’-বছর খেলা পড়া আর গানের এক আনন্দময় দিনযাপনের পর শিশুরা পাঠভবনে যায়।

→

ছবির অসুখ-বিসুখ, ছবির ডাক্তার

ছবির ইতিহাস ফিরিয়ে আনা, সেই রেস্টোরেশন বা পুনরুদ্ধার কীভাবে হয়? এদেশে এখনও সে কাজের পরিসর রয়েছে?

→

কর্নেল পড়ে সিরাজদাকে চিঠি লিখেছিলেন অভিভূত সত্যজিৎ রায়

সিরাজদা তখনও ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকায় আসেননি। তাঁকে সেই সময় সবাই ‘অমৃত’ গোষ্ঠীর লেখক বলেই জানত। প্রফুল্লদা আমাকে বলেছিলেন, সিরাজদার রাঢ় বাংলার– বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ জেলায় গঙ্গার পশ্চিমপারের গ্রামাঞ্চল সম্পর্কে বিপুল অভিজ্ঞতা। গ্রামের মানুষ, জীবনকে দেখেছেন দু’-হাত ভরে।

→

মাস্কবাদ

এখন আমার কোনও মাস্ক নেই। সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় বেঁচে থাকলে, হয়তো-বা এমনটা লিখতেই পারতেন। কিন্তু যখন মাস্ক ছিল, পরা ছিল বাধ্যতামূলক, তখনও কি আমবাঙালি মাস্ককে সিরিয়াসলি নিয়েছিল? অতিমারীর সঙ্গে যুদ্ধ একদিকে, একদিকে বাঙালির স্টাইল স্টেটমেন্ট, মাস্ক নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি, বাঙালির মজারু মাস্কের হাজারো কাণ্ড স্বপ্নময় চক্রবর্তীর এক কোভিড পরবর্তীকালের লেখায়।

→

ভাবা প্র্যাকটিস করা, কঠিন এখন

কেন ভালো করে কথা ভাবা যায় না? আটকায় কীসে? সেই ১৯৪৬-৪৭-এর আপতকাল আর ২০২৫-এর শুভক্ষণ কি এক হল?

→

ঈশ্বরের কোনও মিডলম্যানের প্রয়োজন নেই, নখ কাটলেও নেই না কাটলেও নেই

অন্ধকারে নখ কাটলে আয়ু কমে যায় বা আত্মা বিপদে পড়ে এমন বাড়াবাড়ি যে ধরনের অজ্ঞতা থেকে আসে, তা রাতের অন্ধকারের থেকেও ঘন।

→

যিনি লাইব্রেরিতে ঢুকতে দেন, বই নিতে দেন– তিনি সর্বশক্তিমান

এই জগতের প্রবেশদ্বার খুলে দিয়েছিলেন সেই দু’জন মানুষ– জীবনে একমাত্র যাঁকে আমি মাস্টারমশাই বলেছি, যদিও প্রত্যক্ষ ছাত্রী ছিলাম না তাঁর, আর অমলদা, পুরুলিয়া জেলা গ্রন্থাগারের অমলদা। কোনও দিন জানার কথা মনেও পড়েনি অমলদার পদাধিকার। কোনও দিন জানতে পারিনি যে আমার নিজের কার্ডে আমি বই পাই একটা আর মায়ের কার্ড থাকলে আরও একটা। বাকিগুলো অমলদা নিজের কার্ডে ইস্যু করে দেন!

→

জীবন তিক্ত এবং আশা করা ভুল, এই দর্শনই বিশ্বাস করেন ক্রাজনাহরকাই

২০২৫ সালের সাহিত্যে নোবেল পেলেন লাজলো ক্রাজনাহরকাই। মুরাকামি, রুশদি কিংবা বাঙালির সাধের অমিতাভ ঘোষ নন– সে অর্থে ‘জনপ্রিয়তা’র বর্ণময় আলো থেকে দূরে এক দার্শনিক বর্ম পরে আড়ালে ছিলেন লাজলো। তাঁর জীবনের সবথেকে বড় প্রার্থনা কী?

→

রোজগারে কার অধিকার– প্রথম যুগের চাকুরিরতা মেয়েদের থেকে শুরু হয়ে আজও বহাল সেই বিতর্ক

বাড়ির পুরুষেরা কী চোখে দেখতেন কর্মরতাদের? কেউ নিজের উৎসাহে সচ্ছলভাবে থাকার জন্য কাজে পাঠাতেন বাড়ির মেয়েদের। কেউ বা মনে মনে আপত্তি পুষে রাখতেন, একার রোজগারে সংসার টানতে না পারার গ্লানি কুরে কুরে খেত, পুরুষের আত্মমর্যাদায় ঘা দিত। ১৯৬৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পুনশ্চ’ ছবিতে সেই টানাপোড়েন দেখিয়েছেন মৃণাল সেন।

→

পাশে থাকা, পাসে থাকা

‘জাভি অর ইনিয়েস্তা?’ কে আজ? টিম ম্যানেজমেট, মিডিয়া, পেপের কাছে এই প্রশ্ন করলে একটিই উত্তর আসত, ‘জাভি অ্যান্ড ইনিয়েস্তা’।

→