‘তিন কন্যা’ ও ‘অধবা’ নামে দু’টি নভেলেট একত্রে গ্রথিত হয়েছিল দে’জ থেকে। বইটির পরিচিতিতে লেখা হয়েছিল– ‘রাজনীতি যখন জনকল্যাণের পথ ছেড়ে দলকল্যাণের হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তখন তা সমাজকে অবক্ষয়ের কোন নরকে পৌঁছে দেয়– তারই এক নিরাবরণ চিত্র… ‘তিনকন্যা’ ও ‘অধবা’…।’
সুনীলের ‘একা এবং কয়েকজন’ উপন্যাস এবং সুনীলের ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতায় মামাবাড়ির মাঝি নাদের আলি ও তিনপ্রহরের বিলের কথা রয়েছে। মাদারীপুরে তিনটি প্রধান নদ-নদী বাদে রয়েছে অসংখ্য খাল-বিল। কিন্তু কোথাও ‘তিনপ্রহরের বিল’ নেই, রয়েছে কেবল সুনীলের গদ্য-পদ্যে।
‘বাড়ি থেকে পালিয়ে’ আজকে যখন আমরা দেখি তখন আসলে দেখি দুই বন্ধুর গল্প। এই দুই বন্ধুর গল্পের মধ্য দিয়ে কীভাবে একটা সংগীত, ছবি– সব মিলিয়ে এক বিস্ময়কর জায়গা তৈরি হয়।
দেবসেনাপতি কার্তিক। প্রজননের দেবতা বা কৃষিদেবতা রূপেই কার্তিকের সমধিক পরিচিতি। কার্তিক নিজে একসময় অপদেবতা বা ভয়ংকর ক্ষতিকারক শিশু-হন্তারক পিশাচবর্গের দেবতা ছিলেন। পরে তিনিই বৌদ্ধ হারিতীর মতো মঙ্গলময় শিশুরক্ষক দেবতায় পরিণত হলেন। কিন্তু কেন?
আসলে চিন কী? জানতে পুরো বইটা পড়তে হবে। বইটা কিন্তু এক অর্থে এক তোলপাড় সমুদ্রযাত্রা। আর এক অর্থে, এই বই ভৌগোলিক অর্থে আমাদের কোথাও পৌঁছে দেয় না। কিংবা বলে, এই ভ্রমণের শুরু যেখানে, শেষও সেখানে।
‘শব্দ’ মানে শুধু আওয়াজ নয়, শব্দ মানে ভাষা, যোগাযোগ, অনুভূতি, অস্তিত্বের সাড়া। আমরা জন্মের পর প্রথম যে জগৎটাকে চিনি, তা আলো নয়, শব্দের জগৎ। মায়ের কণ্ঠ, বাতাসের আওয়াজ, কিংবা কোনও শঙ্খ বা ঘণ্টার ধ্বনি অথবা পশু-পাখির ডাক। শব্দ শুনে চিনে নিই জীবন, বিপদ, আনন্দ, সোয়াস্তি, এমনকী ভালোবাসা।
উদয়ন বাড়ির ভেতরের বড় ঘর ও বারান্দা ছিল শান্তিনিকেতনের সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র। শান্তিনিকেতনের উৎসব অনুষ্ঠানের স্টেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। নৃত্যনাট্য বা নাটকের মহড়াও বসত প্রধানত এ বাড়িতেই।
কমবয়সি ছেলেমেয়েদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অনেক সময় আমার মনে হচ্ছিল– এরা যখন একা, এক্কেবারে একা নিজের কথা লিখতে বলতে চাইছে, এদের সদ্য পেরিয়ে আসা সময়টাকেই মনে হচ্ছে একমাত্র আশ্রয়। বর্তমান বা ভবিষ্যতের স্বপ্ন নয়, প্রতিদিনের নতুন অভিজ্ঞতা নয়, গতদিনের কিছু মায়া জড়িয়ে যাচ্ছে তাদের কথায়।
মানুষ কতটা নিরুপায় হলে বমির পাশ থেকে বাংলার বোতল তুলে নেয়? কতটা অসহায় হলে সে ভ্রূক্ষেপ করে না প্রস্রাবের ‘সুবাস’? কতটা হিতাহিতশূন্য হলে তার চোখে পড়ে না আবরণের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে থাকা আরশোলার শুঁড়?
প্রাচীন ভারতবর্ষে সবচেয়ে জনপ্রিয় লোক উৎসব অর্থাৎ ‘মহামহ’ পরব ছিল চারটি– ইন্দ্রমহ, স্কন্দমহ, যক্ষমহ এবং ভূতমহ। প্রাকৃত ‘মহ’ শব্দ থেকে একালের ‘মেলা’ কথাটি এসেছে। ভূতমহ পালিত হত চৈত্র পূর্ণিমায়। ভূতমহ লুপ্ত হলেও, এখনও ভূত বা রাক্ষস-রাক্ষসীর পুজো হয় বাংলার বিভিন্ন স্থানে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved