Robbar

রোজনামচা

দেশবন্ধুর যতক্ষণে ভুলস্বীকার, ততক্ষণে রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ চলে গিয়েছিলেন অন্তরালে

১৯২৫ সালের মে মাসে ফরিদপুরে বঙ্গীয় প্রাদেশিক কনফারেন্সে সভাপতির ভাষণে চিত্তরঞ্জন দাশ ঘোষণা করলেন যে, সরকারের সঙ্গে সম্মানজনক সহযোগ করতে তিনি প্রস্তুত। নেতৃত্বের মোহ যখন মানুষকে আচ্ছন্ন করে তখন মহৎ মানুষের অবদান বা তাঁর থেকে দেশের আরও প্রাপ্তি আমরা বিস্মৃত হই না কি?

→

মৃত্যুর আগের রাতেও কথামৃত-র প্রুফ দেখেছিলেন ‘মাস্টারমশাই’ শ্রীম

শ্রীরামকৃষ্ণও কী জানতেন না মাস্টারমশাই কী করতে চলেছেন ভবিষ্যতে? নইলে স্বামী শিবানন্দকে কেন তিনি নোট নেওয়া থেকে বিরত করে বলবেন– ও কাজের জন্য অন্য লোক ঠিক করা আছে।

→

বাঙালির রসোমন

রানাঘাটের পালচৌধুরী জমিদারদের বাঁধা-ময়রা ছিলেন ফুলিয়ার হারাধন ময়রা। একদিন জমিদারবাড়ির মিষ্টি তৈরি করতে বসেছেন হারাধন ময়রা, এই সময় তাঁর শিশুকন‌্যা কাঁদছিল, তার কান্না থামাতে হারাধন হাতের ছানা গোল্লা করে চিনির রসে ছেড়ে দিলে নতুন একপ্রকার মিষ্টান্ন প্রস্তুত হল।

→

কাদের কুলের ঢেউ গো তুমি

আমাদের অজ গাঁদেশে কোনও চাটনি নেই। আমাদের আছে ভর্তা। ভর্তা আমরা প্রথম পাতে খাই, মাঝপাতে খাই এবং শেষপাতে তো খাই-ই, ভর্তা খাই যখন তখন।

→

আমাকে লাল দইয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর করে দেওয়া যেতে পারে

শুধু দই দিয়ে বিচার করলে দক্ষিণ কলকাতাকে উত্তর কলকাতা ১০ গোল দেবে! শ্যামবাজার ছাড়িয়ে সিঁথি, বরানগর, ব্যারাকপুরের দিকে যত যাওয়া যায়, সেই পথেও চমৎকার সব মিষ্টির দোকান আছে। সেখানকার রসগোল্লা মোটেই ‘স্পঞ্জ’ নয়। এবং অরিজিনাল দই তৈরি হয় সেখানে– যাকে বলে ‘পয়োধি’!

→

আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে, একদলা সন্দেশ মিশিয়ে দিয়ে তাতে

আজ একটি প্রকৃত সঠিক সন্দেশের দাম, বাজারি আইসক্রিমের চেয়ে অনেক বেশি। এই দাম দিয়েও মধ্যবিত্ত বাঙালি আর সন্দেশ খেতে পারছে না। দিনে দিনে আরও বেশি করে সন্দেশের বাজার সামলাবে অ-বাঙালি ভোক্তার দল। ফলে সন্দেশের একটা জিনগত পরিবর্তন তৈরি হয়েছে বেশ কিছুটা সময় ধরেই।

→

তাঁর মৌন থাকাকে ‘অকর্মণ্যতা’ বলে বহু অপপ্রচার করা হয়েছে

প্রচার প্রোপাগান্ডার বাইরে তিনি ছিলেন চুপচাপ কাজ করার মানুষ। তাঁর মৌনতাকে ‘অকর্মণ্যতা’ বলে অনেক অপপ্রচার করা হয়েছে। কিন্তু নিজে পণ্ডিত মানুষ ছিলেন বলে, পাণ্ডিত্যের প্রয়োজনীয়তা ও মূল্য বুঝতেন।

→

ইতিহাস এখন মনমোহন সিংয়ের প্রতি বাস্তবিক যথেষ্ট সদয়

প্রয়াত হয়েছেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তাঁকে নিয়ে রইল একটি স্মরণলেখ।

→

নিজের ছবি ভালো লাগেনি, বলতে দ্বিধা করতেন না শ্যাম বেনেগাল

আর কেউ আমাদের সজ্জনপুর গ্রামে, যে গ্রাম উইলিয়াম ফকনারের উপন্যাসের গ্রামের মতো কল্পিত কিন্তু অলীক নয়, সেখানে স্বাগত জানাবে না। শ্যাম বেনেগাল বিদায় নিয়েছেন।

→

সিনেমা বানানো অনেকটা রান্না করার মতোই, বিশ্বাস করতেন শ্যাম বেনেগাল

ভারতে চলচ্চিত্র সম্পর্কে যে ধারণা, শ্যাম বেনেগালের অফবিট ছবিসমূহ তা সম্পূর্ণ পালটে দিয়েছিল।

→