১৯৬৯ সালের ২১ মার্চ মুক্তি পেয়েছিল এই ছবি। আজই এসআরএফটিআই-তে দেখানো হল ছবিটির রিস্টোর্ড সংস্করণ।
মারিয়ার চরিত্রে ক্যাটরিনা কাইফ সম্ভবত জীবনের শ্রেষ্ঠ অভিনয়টি করলেন।
হিন্দি ছবির এই তথাকথিত গোপন ও যৌনগন্ধী হয়ে ওঠার গল্পটা অবশ্য আরও খানিকটা জটিল ও বহুস্তরীয়।
ইয়োর্গোস লান্তিমোস নিজে যতদিন না আরেকটি নির্মাণ দিয়ে আবার সব তছনছ করবেন, ‘পুওর থিংস’-এর ব্যঞ্জনা, আবেদন আরও অনেক বছর আলোচকদের ভাবিত করবে নিঃসন্দেহে।
স্যাটায়ারের মোড়কে সামাজিক বার্তাও কীভাবে দর্শকের মন ছোঁয়ার উপযোগী করে বানানো যেতে পারে, ‘লাপতা লেডিজ’ তার প্রমাণ।
হত্যার বিনিময়ে নির্মিত ভাস্কর্য, যা সুশীল সমাজের ড্রয়িংরুমে শোভাবর্ধক আর্টপিস হিসেবে সাজানো থাকে। সেই সত্যভাষণে কার্পণ্য করেনি ‘পোচার’।
সাবিত্রী সত্যিই বাংলা দেশের ঘাট-বাঁধানো টলমলে স্নিগ্ধ ডুব দেওয়ার সরোবর।
অলিখিত সাংবিধানিক অধিকারে, যেহেতু আমরা সিনেমা বুঝে ফেলি হামার আগেই, অতএব অথ সিনে-মায়ের কিছু বুলি।
বিপ্লবের প্রশ্নে দেবাশিস নিশ্চিত কোনও উত্তর দেন না। যেহেতু হিংসার পথ, রাইফেলের পথ ছেড়ে এসেছিল দাসরু নিজেই।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved