

হত্যার বিনিময়ে নির্মিত ভাস্কর্য, যা সুশীল সমাজের ড্রয়িংরুমে শোভাবর্ধক আর্টপিস হিসেবে সাজানো থাকে। সেই সত্যভাষণে কার্পণ্য করেনি ‘পোচার’।
সাবিত্রী সত্যিই বাংলা দেশের ঘাট-বাঁধানো টলমলে স্নিগ্ধ ডুব দেওয়ার সরোবর।
অলিখিত সাংবিধানিক অধিকারে, যেহেতু আমরা সিনেমা বুঝে ফেলি হামার আগেই, অতএব অথ সিনে-মায়ের কিছু বুলি।
বিপ্লবের প্রশ্নে দেবাশিস নিশ্চিত কোনও উত্তর দেন না। যেহেতু হিংসার পথ, রাইফেলের পথ ছেড়ে এসেছিল দাসরু নিজেই।
হলিউডের ইতিহাসে সমকামী-উভকামী-রূপান্তরকামী বিষয় নিয়ে খুব বেশি সিনেমা তৈরি হয়েছে, তা নয়।
রক্তমাংসের মানুষের কথা বলে ‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’।
ইজরায়েলের ছবি এই ভয়ানক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রতিযোগিতায় জিতে যাচ্ছে, এটা স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিতে পারিনি।
এমন একটা তীব্র এনার্জি আছে এই ছবির, যা এক মুহূর্ত আয়েশ করে বসতে দেয় না।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved