এবারের পৌষমেলা। কীরকম গেল? সঙ্গে বহু ছবি। মেলার চরিত্র কি এমনই ছিল? নাকি বদলে গিয়েছে একেবারে? পৌষের অন্য মেলার থেকে এই মেলা কি আলাদা কিছু?
ছবির ভাবের সঙ্গে চিত্রশিল্পীর নিজস্ব ভাব মিশে থাকে, সেই ব্যাপারে ক্যামেরার যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তা নিয়ে শিল্পীদের কোনও দ্বিমত ছিল না। ভারতশিল্পের অন্যতম রূপকার নন্দলাল বসু রাখঢাক না-করেই বলেছিলেন, ‘ক্যামেরা যন্ত্রমাত্র, হৃদয় ও বুদ্ধি নাই বলে তাতে প্রকৃতিতে যা আছে তার নিখুঁত ডিটেল উঠে মাত্র।’
সত্যজিৎ রায়ের সিনেমায় বারবার করে এসেছে মিষ্টির প্রসঙ্গ। শুধু অলস, অকেজো ‘প্রপস’ হিসেবে নয়, কখনও নিবিড় বাঙালিয়ানায়, কখনও সিনেমার দিক নির্ধারণ করেছে। সেই মিষ্টি কখনও দোকানের, কখনও ময়রাকে অর্ডার দিয়ে বানানো, কখনও-বা বঙ্গের বাইরেরও।
কীর্তনের উদ্দেশ্যকে মাথায় রেখেই একসময় শুরু হয়েছিল ‘খ্রিস্টকীর্তন’! এর সূচনা সেই নদীয়ার চাপড়াতেই। সেখানে যিশুর বন্দনায় শোনা যেত শ্রীখোল, করতাল ইত্যাদি কীর্তন-উপযোগী বাদ্য।
সামাজিক মাধ্যমে কেমন লাগছে সেলিব্রিটিদের ঝুলনযাত্রা? জাগলিং করার বলের মতো আমরা নাচিয়ে যাচ্ছি বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিদের। ওবামার পিঠে হাত দিচ্ছি, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে চায়ের দোকানে বসে আড্ডা মারছি, নেতাজীর সঙ্গে দাবা খেলছি, চাঁদের মাটিতে একসঙ্গে নামছি নীল আর্মস্ট্রংয়ের সঙ্গে।
সেন্ট জনস গির্জা তৈরি হয় বিভিন্ন মানুষের দানে এবং কিছুটা লটারি করে তোলা টাকায়। ১৭৮৪-এর ৮ এপ্রিল এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রাচীন গৌড়ের ধ্বংসাবশেষ থেকে চার্চ তৈরির জন্য নিয়ে আসা হয় মার্বেল পাথর।
টবি জগ আসলে মানুষের অবয়বে তৈরি এক বিশেষ ধরনের সিরামিক পাত্র, যা মূলত পানীয় পরিবেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। কেবল ‘মগ’ বললে এ শিল্পবস্তুটির শৈল্পিক অমর্যাদা হয়; বরং বলা ভালো ‘টবি জগ’ একটি জলজ্যান্ত ভাস্কর্য।
তখন পাড়ার বেকার যুবকরাই সপ্তাহে একদিন করে লাইব্রেরি খোলার দায়িত্ব নিতেন। মফস্সলে একটি-দু’টি সরকারি লাইব্রেরির পাশাপাশি এমন ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি স্থানীয় অনেক বেসরকারি লাইব্রেরি ছিল। খুব বৈচিত্র না থাকলেও, বইমেলার নতুন বই না-থাকলেও, সেইসব লাইব্রেরি পাঠক তৈরিতে কোনও কার্পণ্য করেনি।
১৯৪৯ থেকে ১৯৮৮ সাল। দীর্ঘ ৩৯ বছর ধরে জামাল লিখেছেন। প্রথমে শিক্ষানবিশ হিসেবে, পরবর্তীতে অভিজ্ঞ পক্ষীবিদ হিসেবে তাঁর ভাবনা, অভিজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে ‘বোম্বে ন্যাচারাল হিস্ট্রি সোসাইটি’ এবং ‘বেঙ্গল ন্যাচারাল হিস্ট্রি সোসাইটি’র মুখপত্রে। এমনকী ‘দ্য নিউজ লেটার্স ফর বার্ড ওয়াচার্স’ সমীক্ষাপত্রেও।
ফুড ভ্লগিং তো এখন বাঙালির জীবনে হলুদ বসন্ত! একপেশে জীবনের দোটানায় না গিয়ে বাঙালি এখন মজেছে খাদ্যব্যবসায়। কারণ সে বুঝেছে, ফুড ভ্লগিংয়ের দৌলতে প্রচার তো হয়ে যাবেই এবং অন্যদিকে দশটা-পাঁচটার জীবন থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved