প্রতি সংস্করণে কত কপি বই ছাপা হয়, আমরা জানি না।
দাবার নারীপ্রধান হওয়া যেমন প্রতিস্পর্ধী, তেমনই প্রধান দুর্বলতা বর্ণবৈষম্য।
চলছে মাধ্যমিক, রোববার.ইন-এ চলছে টুকলি!
১৯৬৬ সালে কিউবায় অনুষ্ঠিত দাবা ওলিম্পিয়াডে নিয়মিত হাজির থাকতেন চে। ওর্তেগা এবং কিউবার অন্য দাবাড়ুদের উৎসাহ দিতেন।
অযোধ্যা ইভেন্ট অতিবাহিত হওয়ার এক পক্ষকালের আগেই আডবাণীকে দেওয়া হল ‘ভারতরত্ন’।
অ্যান্ডির প্রতিটি ছবিই ঘুরেফিরে স্মৃতির কাছে আসে। এক দেশ থেকে অন্য দেশ, ধরে রাখতে চায় ইতিহাসকে।
মায়া ও আজটেক সভ্যতায় দাবার প্রাচীন কোনও রকমফের নাকি প্রচলিত ছিল। কিন্তু ঐতিহাসিকরা তেমন কোনও নিশ্চিত প্রমাণ পাননি।
পুস্তিকা নয়, আসলে একটি গোটা কাগজকেই চারভাঁজ করে ছাপা হত ‘প্রতিক্ষণিকা’। প্রথম বছর (১৯৮৬) প্রতিদিন থাকত একাধিক বই-বিষয়ক স্বাভাবিকভাবেই সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ এবং সাহিত্য বিষয়ে ধাঁধা, প্রথম নির্ভুল উত্তরদাতার নাম ছাপা হবে এবং তাঁকে একটি বই উপহার দেওয়া হবে এমন একটি প্রতিশ্রুতি-সহ। থাকত বইমেলার একটি ধারাবিবরণী থাকত।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved