
ফিরে আসার দিনদুয়েক আগে রন্টু একদিন হঠাৎ জিজ্ঞেস করল, আপনারা যে বলছেন কলকাতা থেকে এসেছেন, সেটা কলকাতার কোথায়? যখনই বললাম ভবানীপুর, সে যেন কিছুটা আশান্বিত হয়ে জিজ্ঞেস করল যাদবপুর বলে জায়গাটা চিনি কি না। আমরা হেসে তাকে আশ্বস্ত করার পর চুপ করে গেল। দু’-একবার প্রশ্ন করতেও আর মুখ খুলল না। কিন্তু মনে হল, ওই চুপ করে যাওয়ার পিছনে আরও কিছু কথা আছে।
প্রচ্ছদ: শান্তনু দে
৯.
১৯৭৯ সালে আমরা যখন আন্দামান বেড়াতে যাওয়া ঠিক করলাম, তখন ওখানে ট্যুরিস্ট যেতেন খুব কম। যাওয়ার কথা শুনে বন্ধুরা দু’-একজন খ্যাপাচ্ছিলেন, ‘এবারে আপনাকে ওখানে নিয়ে যাচ্ছে?’ যাওয়ার সময় আমরা জাহাজে করে যাই, কালাপানি দেখা আর পার হওয়ার লোভে। এমভি হর্ষবর্ধনের ভরা-গৌরবের দিন তখন। নানারকম জাহাজি অ্যাডভেঞ্চারের পর চতুর্থদিন ভোরবেলা যখন ভাঙা-বালার মতো টুকরো টুকরো জঙ্গলে-ভরা দ্বীপগুলির মাঝখান দিয়ে আমাদের জাহাজ পোর্ট ব্লেয়ারের জেটিতে ঠেকল, তখন সুটকেস নিয়ে জাহাজের ডেক থেকে জেটি পর্যন্ত পেতে দেওয়া সরু কাঠের ফালির উপর দিয়ে নেমে আসতে পা টলমল করছে। টানা কয়েকদিন দোল খাওয়া জাহাজে হাঁটাচলার অভ্যাসে। সহযাত্রী বাঙালিরা বেশিরভাগই ছিলেন সেখানকার বাসিন্দা, ছুটিতে মেনল্যান্ডে এসেছিলেন। মাত্র দু’-চারজন আমাদের মতো বহিরাগত। যাঁরা আসছেন, তাঁরা বলেছিলেন তাঁদের থাকার জায়গা ঠিক আছে। আমরা দুই মূর্তি ভেসে পড়েছি ‘নীলের মাঝে শ্যামল সে দ্বীপ পাহাড় দিয়ে ঘেরা’ দেখতে। হাতে একটি ছোট্ট পরচিতে ঠিকানা লেখা ‘ডিএজি’ কলোনির কোনও এক গৃহকর্তার। তাঁর ছোটছেলের বন্ধুর দেওয়া। সেটা পকেটে পুরেই বন্দর থেকে অনিশ্চিত পায়ে বেরিয়ে এলাম। রিকশায় চড়ে আবছা একটা আশা নিয়ে বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন। আগে-পরের নানা রকম উটকো ভ্রমণে বারেবারেই আমাদের নৌকা ঘাটে লাগিয়েছে বহির্বঙ্গের নানা জায়গার ওই সব বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন। সেসব দিনে এত হোটেল ছিল না, এত ট্যুরিজম নয়, সর্বোপরি তিরিশের নিচে বয়স দুই চ্যাঙাব্যাঙার পকেটে পয়সা কম। এর আগে কিরিবুরু থেকে তামিলনাড়ু পর্যন্ত আমাদের নৌকো লাগানোর প্রথম ঘাট হয়েছে ওই বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশনই। সুতরাং, এই পোর্ট ব্লেয়ারেও তা-ই ভরসা।
হতাশ করেনি অবশ্য। দশটা-সাড়ে দশটার সকালে একটুখানি ঢালুর ওপরে উঠে বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশনের হলঘরে আমাদের কাছাকাছি বয়সি একটি তরুণের দেখা পেলাম। তার নাম আজ আর মনে নেই। হয়তো তার নাম রন্টু, সে বেশ আগ্রহের সঙ্গেই আমাদের সঙ্গে কথা বলল। রাজি হয়ে গেল আমাদের সঙ্গে এখানকার নানা জায়গা ঘুরতে। ডিএজি কলোনি? হ্যাঁ, ওই জায়গাটা সে চেনে। শহরের মাঝখানে বাসস্ট্যান্ডের কাছাকাছি সরকারি বড় অফিসারদের কোয়াটার। সেখানেও সে আমাদের নিশ্চয়ই পৌঁছে দেবে। এখনই কি আমরা সেখানে যেতে চাই? এই সুটকেস রেখে আসতে? আমাদের উৎসাহ কম। এসে যখন পড়েছি একবার আর শোনা গিয়েছে সেই জায়গাটা নাগালের মধ্যেই, তখন না-হয় একটু পরে গেলেও হবে। সুতরাং, তালাবন্ধ সুটকেস বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশনের একদিকে পাতা চৌকির নিচে ভরে দিয়ে আমরা বেরই কিছু খাবারের সন্ধানে। পথে দেখতে পাই সেই যাঁদের থাকার জায়গা ঠিকঠাক ছিল সেইসব সহযাত্রীর কয়েকজনকে। ঈষৎ বিভ্রান্ত। কারণ জাহাজ এসে ঢুকলেই স্থানীয় বাসিন্দারা, যাদের বাড়ি পোর্ট ব্লেয়ার থেকে দূরে অন্য কোনও দ্বীপে, তারা পরিচিত হোটেল ও লজ চটপট বুক করে ফেলেন। বাকি আছে জাহাজের মতোই প্রকাণ্ড ‘হোটেল মেগাপড নেস্ট’ নামের পাঁচতারা হোটেলটি।
রন্টুর সঙ্গে আমরা প্রথম যাই সেলুলার জেলে। সে এক অন্য অভিজ্ঞতা! তিনদিকে সমুদ্র-ঘেরা অথচ ঢাকা বারান্দার ভেতরে ওই ছোট ছোট সেলে বসে তার কোনও দৃশ্য তো দূরের স্থান, শব্দ পর্যন্ত বোঝা যেত না। নিষ্ঠুর শাসকের হাতে স্থাপত্যবিদ্যার কতখানি দুষ্প্রয়োগ হতে পারে! শুনলাম সেখানকার বন্দিদের দিয়েই ওই জেল স্থাপনের কাহিনি। একটি সেন্ট্রাল টাওয়ারের চারিদিকে ছড়ানো পাঁচখানা বাহুর মতো এই প্রকাণ্ড কারাগার। সেখানে সেলের বারান্দায় ঢোকার দরজাগুলো মাত্র পাঁচ ফুট উঁচু। যে কোনও উদ্ধতশির মানুষকে মাথা নিচু করানোর স্যাডিস্ট উল্লাস। দেখলাম তার দু’টি অংশ ভেঙে ফেলে তৈরি হয়েছে পাশের হাসপাতাল। একটিমাত্র বাহু সেই ১৯৭৯ সালে জেলখানা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তৎকালীন জেলারকে জিজ্ঞেস করে জানা গেল, ওই জেলখানায় থাকে সাধারণত রাস্তায় মাতলামি করা কিছু লোক। যেহেতু দ্বীপ থেকে পালিয়ে যাওয়ার উপায় নেই, অপরাধী নেই বললেই চলে, বলেছিলেন ভদ্রলোক। বাকিটা মিউজিয়াম। সেই মিউজিয়াম যে কী তীব্র বিষণ্ণতার স্মৃতিতে ভরা!
সেখান থেকে বেরিয়ে এই কাছাকাছি ছড়ানো জায়গার মধ্যে অপূর্ব মহাসাগরীয় জলজ সম্পদের মিউজিয়াম। শেষ বিকেলে এসে পৌঁছনো সেই ডিএজি কলোনিতে।
নির্দিষ্ট ঠিকানায় দোতলায় উঠে পেলাম এক বয়স্ক দম্পতিকে। ঠিকানা পাওয়ার ইতিবৃত্ত শুনে গৃহপতি কিছু উষ্মাভরা স্বরে বললেন, ‘হ্যাঁ বাবা-মার খোঁজ নেওয়ার তো দরকার নেই। বাড়িটাকে অতিথিশালা বলে ধরে নিলেই হয়।’ মহিলা খুব জোর করে প্রতিবাদের চেষ্টা করছিলেন, ‘ওদের বলছ কেন…’ এইসব বলে। চা খেলাম। থাকার ব্যবস্থা হল এবং দেখলাম তখনকার সেই আন্দামানের এক অপূর্ব সামাজিক ব্যবস্থা। ডিএজি কলোনির পুরো কথাটা হলো ‘Department of the Accounts General’। সেখানকার কর্মরত বা রিটায়ার্ড অফিসারদের এলাকা। কিছু কোয়াটার সবসময়ই খালি থাকে, বাসিন্দারা বছরের বিভিন্ন সময়ে ছুটি পেয়ে মেনল্যান্ডে অর্থাৎ সমুদ্রপারে ভারতের নানা জায়গার বাড়িতে আসেন, কিন্তু কেউ নিজের বাড়ির চাবি নিয়ে আসেন না। সেটি রাখা থাকে কোনও প্রতিবেশীর কাছে। বোঝাপড়াটা উভয়পাক্ষিক। কারও বাড়িতে মেনল্যান্ড থেকে কোনও অতিথি-বন্ধু-আত্মীয় এসে পড়লে স্বচ্ছন্দেই তাঁরা ওই খালি বাড়িগুলিতে বাস করেন। আবার সেই বাসিন্দারা ফিরে আসার দু’-একদিন আগে বাড়িটা পরিষ্কার করিয়ে, জল ভরে রাখা থাকে। এসেই চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলায় পড়তে হয় না। এখনকার কথা ছেড়ে দিলাম, তখনও নিজেদের মধ্যে এতখানি নিশ্চিন্ত নির্ভরশীলতা আমাদের খুব অবাক করেছিল।

প্রথমেই স্থির হয়ে গেল যে, আমরা বাইরে খেয়ে নেব; কারণ বেড়াতে এসে নির্দিষ্ট সময়ে খেতে আসা দুই পক্ষের কাছেই অসুবিধে। তাছাড়া ওই দেওয়াল-ঘেরা কলোনিতে ঢুকবার ঠিক বাইরে বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া বাজারে প্রচুর খাবার দোকান। অধিকাংশই তামিল, কিছু বাঙালি। যথেষ্ট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। ভালো রান্না। চা খেয়ে বেরবার আগেই সেই ভদ্রলোক গৃহকর্তা আমাদের অবস্থা এবং পরিকল্পনা জেনে নিলেন। বলতেই হল যে, আন্দামানে আসার অ্যাডভেঞ্চার ছাড়া অন্য কোনও পরিকল্পনা আমাদের নেই। কারণ কিছুই জানি না এই জায়গাটা সম্পর্কে। আমাদের অবিমৃষ্যকারী বেড়াবার নেশার কথা শুনে তিনি নিজেই কয়েকটি জায়গার কথা বললেন, নিজে চিঠি দিয়ে বুকিং-এর ব্যবস্থা করে দেবেন সেই আশ্বাস দিয়ে। প্রথম রুক্ষ ব্যবহারটা যে ছেলে দীর্ঘদিন বাড়িতে না আসার অভিমানের ফল সেটা বুঝতে সময় লাগে না।
সেই অসাধারণ সব বেড়ানো এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার গল্প। তার মধ্যে মধ্যেই বারে বারে রন্টুর সঙ্গে দেখা হওয়া। কাছাকাছি কয়েকটা জায়গায় সে আমাদের সহযাত্রী হল। সময়টা ছিল আমার গরমের ছুটি অনুযায়ী জুন মাস। আন্দামানের পিডাবলুডি অফিস এবং সেই ‘কাকাবাবু’ হয়ে যাওয়া মানুষটির মতে, বেড়াতে আসার পক্ষে সময়টা ভুল। একমাত্র ওই সময়েই আন্দামানের সমুদ্র অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ফলে এতদূর এসেও নিকোবার যাওয়া হল না। কিন্তু তাঁর পরামর্শ আর পথনির্দেশে পোর্ট ব্লেয়ারের অসামান্য কয়েকটা জায়গা দেখা হল। চলে আসবার আগের দিন একসঙ্গে রাতের খাবার খেতে বসে কাকিমাকে জিজ্ঞেস করলাম, যদি খুব ইচ্ছে করে ওঁদের জন্য কিছু পাঠাতে, কী পাঠাব? অনেক দ্বিধার পর তিনি বললেন, একটু বড়ি। সাধারণ কলাই বা মটরডালের বড়ি। আর কাকাবাবুর চাহিদা বাংলা-ইংরেজি দু’রকম তারিখ দেওয়া একটা ক্যালেন্ডার। কিন্তু পাহাড়-ঝর্নার ছবিওয়ালা নয়, লোকজনের জমায়েত আছে এমন ছবি। যেমন বড়রাস্তা, পেট্রোল পাম্প। কিন্তু নিশ্চিতভাবেই বলেন, ৫০ বছর হয়ে গেছে আন্দামানে, ওঁরা আর মেনল্যান্ডে ফিরতে চান না। ওখানকার জনবিরল শান্ত জীবন অভ্যাস হয়ে গেছে।
ফিরে আসার দিনদুয়েক আগে রন্টু একদিন হঠাৎ জিজ্ঞেস করল, আপনারা যে বলছেন কলকাতা থেকে এসেছেন, সেটা কলকাতার কোথায়? যখনই বললাম ভবানীপুর, সে যেন কিছুটা আশান্বিত হয়ে জিজ্ঞেস করল যাদবপুর বলে জায়গাটা চিনি কি না। আমরা হেসে তাকে আশ্বস্ত করার পর চুপ করে গেল। দু’-একবার প্রশ্ন করতেও আর মুখ খুলল না। কিন্তু মনে হল, ওই চুপ করে যাওয়ার পিছনে আরও কিছু কথা আছে। সেই কথা জানা গেল চলে আসবার আগের দিন সন্ধেয় কফির দোকান থেকে বেরিয়ে পার্কের ঘাসে বসে। আমরা যাদবপুরের সেন্ট্রাল রোড চিনি, নর্থ রোডও চিনি– শোনবার পর, সেখানকার কয়েকজন পুরনো বাসিন্দার নাম বলবার পর, রন্টু বলে– ১৯৭৩ সাল থেকে সে রয়েছে আন্দামানে। তার আগে ১৯৭২-এর শুরু থেকে সে বাড়িছাড়া। তার কথার আভাস থেকে বাহাত্তরের কলকাতার ত্রাস গোপন রইল না। কলকাতা থেকে সে কোনও রকমে চেন্নাই, সেখান থেকে ভাগ্যের সঙ্গে ভেসে পড়ে পোর্ট ব্লেয়ার। তারপর থেকে তার অজ্ঞাতবাস। আমাদের কয়েকবছর আগেকার পরিচয় দিয়ে, তার বিশ্বাস জাগাতে হল। তাকে আশ্বস্ত করতে হল যে সে যা বলবে, তার কোনও কিছুই তাকে বিপদে ফেলবে না। তার সব অনুরোধের শেষে ছিল একটি ছোট চিঠি, মুখে বলে দেওয়া ঠিকানা– ইব্রাহিমপুর রোড, যাদবপুরের। এইখানে তার মা থাকেন। গত সাত বছরে সে মায়ের কোনও খোঁজ জানে না। মাকে সে জানাতে চায় যে সে বেঁচে আছে, ভালো আছে। আমরা তাকে বহুবার শপথ করে জানালাম যে, সে সম্পূর্ণ নিরাপদে এখন তার বাড়ি ফিরতে পারে। কিন্তু ১৯৭২ সালে কলকাতা শহরের সেই প্রবল আতঙ্ক তাকে ছেড়ে যায়নি। সে বলেছিল গত পাঁচ বছরে কতবার ‘কলকাতা থেকে এসেছি’ এই পরিচয় দেওয়া ট্যুরিস্টদের কাছে সে জানতে চেয়েছে– কলকাতার কোন অঞ্চল থেকে, আর বারবারই জেনেছে সেইসব কলকাতা কখনও কাঁচরাপাড়ায়, কখনও দিনাজপুরে, কখনও বাঁকুড়ায়। আর যারা শ্যামবাজার কিংবা বরানগরের নাম বলেছিলেন, তাঁদের কাছে কথা বলতে তার সাহস হয়নি। কে যাবে অতদূরে, সেই গভীর দক্ষিণে? পাছে এখান থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায় কোনও নিষ্ঠুর সাঁড়াশি।

ফিরে গিয়ে সেই চিঠি খুব যত্নে আমরা পৌঁছে গিয়েছিলাম রন্টুর মায়ের কাছে। প্রথমে তাঁরও চোখে সংশয় ছিল এটা আবার নতুন কোনো ফাঁদ কি না বোঝার জন্য। তারপর ঘরে বসে যখন আস্তে আস্তে বুঝিয়ে বললাম– আমরা নিজেদের চোখে দেখে এসেছি তাকে, সুস্থ আছে সে, নিজে হাতে এই চিঠি লিখে আমাদের হাতে দিয়েছে, বলে দিয়েছে ঠিকানা– তখন চোখের জলের বাঁধ ভাঙল। শীর্ণ হাতদুটো জড়িয়ে ধরল আমার হাত। রন্টুর দাদা বাড়িতে ছিলেন না। রন্টু যাদের খুব ছোট দেখেছিল, সেই বালক-বালিকা ছিল।
ইব্রাহিমপুর রোডের উপর দিয়েও বয়ে গেছে অনেক বৃষ্টির জল। নিজেরা উথালপাথাল হয়েছি জীবনের নানা ঝাপটায়। যোগাযোগ থাকেনি আর, তবু ভাবি, নিশ্চয়ই অভয় পেয়ে রন্টু সেই বাড়িটিতে ফিরে এসেছিল শেষ পর্যন্ত, যেখানে তার মা থাকেন।
___ পড়ুন ধুলোমাটির মুখ কলামের অন্যান্য পর্ব ___
৮. যুদ্ধের যে গল্পে বীরত্ব নেই, মনখারাপ আছে
৭. কালী তো রোজকার, সরস্বতী তো মোটে একদিনের গেস্ট!
৬. রূপসাধকের প্রাণের ভিতর সুরের ঝরনাধারা
৫. ছুরিকাঁচির ভয়ের চেয়ে বন্দি থাকার ভয় বেশি
৪. ভালোবাসার সাহসের ভাষা জানলে দোভাষীর আর দরকার নেই
৩. যিনি লাইব্রেরিতে ঢুকতে দেন, বই নিতে দেন– তিনি সর্বশক্তিমান
২. পথের কুকুর, আকাশের কাক-চিল, মাটির পিঁপড়েরও অন্নের ভাবনা গৃহস্থের
১. বেনারসে স্কুলে পড়ার সময় বহেনজির তকলি কাটার ক্লাসে বন্ধুদের ভাগেরও সুতো কেটে দিতাম
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved