village home memoirs of pabitra sarkar in baliyarpur | Robbar
Robbar
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬

স্মৃতির দেশে চার দশক ফেরেননি পবিত্র সরকার

প্রায় ৩৯ বছর পর অতিথি হয়ে নিজের জন্মভূমিতে ফেরেন। ১৯৮৮-তে প্রথমবার স্বাধীন বাংলাদেশে পা রাখেন পবিত্র সরকার। এরপর বহুবার বাংলাদেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আসেন। কিন্তু কখনও যমজ বোন লীলার সঙ্গে দেখা হয়নি। ১১ বছর বয়সে জন্মভূমি ছেড়ে যান। এরপর যমজ বোনের সঙ্গে কয়েক যুগ দেখা হয়নি। ২০১২ সালের দিকে বাংলা একাডেমির আমন্ত্রণে ঢাকায় আসেন পবিত্র সরকার। অনুষ্ঠান শেষ করে বোন লীলার সঙ্গে দেখা করতে ছুটে যান ভাদালিয়া।

Published by: Robbar Digital

Posted:March 28, 2026 8:39 pm | Updated:March 28, 2026 8:46 pm  
Facebook WhatsApp Messenger

শেষ পর্ব

পবিত্র সরকারের জন্ম ১৩৪৩ বাংলা সনের ১৪ চৈত্র তারিখে। জন্মগ্রাম বলিয়ারপুর। ইউনিয়ন বনগাঁও। থানা সাভার। জেলা ঢাকা। তিনি ঢাকার বাঙাল। পিতা কেশবচন্দ্র সরকার। মাতা হেমবালা। যমজ বোনের নাম লীলা। জন্মদাতা পিতা কর্মসূত্রে যুক্ত ছিলেন ভাওয়াল রাজ এস্টেটে। 

জন্মের পর পবিত্র সরকারকে দত্তক নেন আপন পিসেমশাই পতিতপাবন সরকার। দত্তক বড়মা বিনোদাসুন্দরী। ছোটমা জ্যোতির্ময়ী। বড়মা ছোটমা আপন দুই বোন। আপন দুই পিসিমার কাছেই জন্মের তিনমাস পর থেকে লালিতপালিত হোন। পবিত্র সরকারের পালন গ্রাম ঠাকুরবাড়ি পঞ্চাশ, ধামরাই। পালকপিতা কর্মরত ছিলেন মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদারের আঞ্চলিক নায়েব হিসেবে। 

zoom
বোন লীলার সঙ্গে পবিত্র সরকার। ছবি: নাসির আলী মামুন
zoom
যমজ বোন লীলার সঙ্গে পবিত্র সরকার
zoom
যমজ বোন লীলার সঙ্গে দেখা করতে ভাদালিয়া গ্রামের পথে পবিত্র সরকার।

নদীর নাম বংশাই। ভালো নাম বংশী। এই বংশী নদীর ধারে ঠাকুরবাড়ি পঞ্চাশ গ্রামের পাঠশালা। দরমার বেড়া ও টিনের চালায় তৈরি দু’টি ঘর নিয়ে এই পাঠশালা। বড় ঘরের সামনে একটি বারান্দা। তার সামনে চোরকাঁটা ভর্তি ছোট মাঠ, তার পরে ঝোপজঙ্গল। পাঠশালায় ছাত্রসংখ্যা মোটামুটি ভালোই কিন্তু সংখ্যায় মাত্র একজন শিক্ষক, সুধাংশুবাবু। অতীতের সেই পাঠশালাটি বর্তমানে ‘ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’।

নদী দূরে সরে গেছে। মাঠ থেকে চোরকাঁটা উধাও হয়েছে। কাছে এসেছে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক। ভাষাবিদ ড. পবিত্র সরকার এই পাঠশালায় জীবনের প্রথম দুই বছর পড়াশোনা করেছেন। 

zoom
পবিত্র সরকারের শৈশবের বংশী নদী।
zoom
নদীর পাড়ে স্নানে এসে মাতা হেমবালা কথা দেন বড় ননদ বিনোদাসুন্দরীকে, যমজ সন্তান হলে একজনকে দিয়ে দেবেন

এই স্কুলের একদিকে পবিত্র সরকারের পৈতৃক বাড়ি। আরেকদিকে ধামরাই ‘হার্ডিঞ্জ হাই স্কুল’। পাশে নয়ারহাট ব্রিজ। গ্রামের পাঠশালায় প্রথম আর দ্বিতীয় শ্রেণির পড়া শেষ করে ক্লাস থ্রিতে ভর্তি হন লর্ড হার্ডিঞ্জ হাই স্কুলে। এই স্কুলের হেডমাস্টার ছিলেন কামাখ্যা রায়। ভূগোল ও পুরাণের গল্প পড়াতেন শিক্ষক বভ্রুবাহন শিকদার। বাংলা আর ব্যাকরণ পড়াতেন মৌলবিসাহেব। এই স্কুলে বছর দেড়েক পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। 

কারওর কাছে স্বাধীনতা কারওর কাছে দেশভাগে। জন্মভূমি ছেড়ে যাওয়ার হাওয়া বইতে শুরু করে। ক্লাসের সেকেন্ড বয় সন্তোষ বসুরা যাবে ত্রিপুরার খোয়াইয়ে। থার্ড বয় সতীশরা কোথায় যাবে ঠিক করেনি। ’৪৭ সালের ৯ নভেম্বর স্কুলের অ্যানুয়াল পরীক্ষা না দিয়েই পবিত্র সরকার তাঁর ছোট মায়ের সঙ্গে নৌকায় ভেসে পড়লেন– উদ্দেশ্যে ভারতের খড়গপুর।

zoom
পবিত্র সরকারের প্রথম স্কুল।
zoom
মাঠ সংলগ্ন অংশ
zoom
হার্ডিঞ্জ স্কুলের মাঠ

১৯৪৭ সাল। দেশভাগ হয়ে গেছে। চারদিকে উত্তেজনা। আনন্দ। বেদনা। আশা। হতাশা। এর মধ্যে একটা কথা হাওয়ায় উড়ে বেড়াচ্ছে যে, ঋষি অরবিন্দ বলেছেন– ‘১৯৫৭-এর ১৫ আগস্ট আবার দুই দেশ এক হবে’। ভাঙা বাংলা জোড়া লাগবে। এই বিশ্বাসে পবিত্র সরকারের পিতা রয়ে গেলেন ঠাকুরবাড়ি পঞ্চাশ গ্রামে। কিন্তু বেশিদিন থাকতে পারলেন না। দেশভাগের তিন বছর পর পরিবারের বড় অংশ চলে গেলেন ভারতে। দ্যাশের বাড়িতে রয়ে গেলেন যমজ বোন লীলা-সহ আরও কিছু আত্মীয়স্বজন। 

দেশভাগের পরপর খড়্গপুর থেকে বিনা পাসপোর্টে কয়েকবার ঘুরে যান নিজের গ্রাম। পূর্ব পাকিস্তান হওয়ার পর আর আসা হয়নি। প্রায় ৩৯ বছর পর অতিথি হয়ে নিজের জন্মভূমিতে ফেরেন। ১৯৮৮-তে প্রথমবার স্বাধীন বাংলাদেশে পা রাখেন পবিত্র সরকার। এরপর বহুবার বাংলাদেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আসেন। কিন্তু কখনও যমজ বোন লীলার সঙ্গে দেখা হয়নি। ১১ বছর বয়সে জন্মভূমি ছেড়ে যান। এরপর যমজ বোনের সঙ্গে কয়েক যুগ দেখা হয়নি। ২০১২ সালের দিকে বাংলা একাডেমির আমন্ত্রণে ঢাকায় আসেন পবিত্র সরকার। অনুষ্ঠান শেষ করে বোন লীলার সঙ্গে দেখা করতে ছুটে যান ভাদালিয়া। লীলা থাকেন ধামরাই। শ্বশুড়বাড়ি সূয়াপুরের ভাদালিয়া গ্রাম। ঠাকুরবাড়ি পঞ্চাশ থেকে সূয়াপুরের দূরত্ব এক ঘণ্টার। কলকাতা থেকে ভাদালিয়া গ্রামের দূরত্ব ৪০ বছরের।

zoom
ধামরাই পবিত্র সরকারের প্রথম দেখা শহর

ধামরাইয়ের রথযাত্রাযে দেশ ছেড়ে গিয়েছিলেন সেই দেশ নেই। সেই দেশের স্মৃতি আছে। গ্রামের স্কুল, মাঠ, নদী, জঙ্গলের স্মৃতি, ঝড়বৃষ্টি বন্যার স্মৃতি, নদীর ধারে বসে পালের নৌকা গোনার স্মৃতি, নৌকা বাওয়া, ছিপে-জালে মাছ ধরার স্মৃতি, খেলার সঙ্গীদের স্মৃতি। সর্ষের তেল আর হলুদবাটা মেখে ভাত খাওয়ার স্মৃতি। পবিত্র সরকার এই স্মৃতির কাছে বারবার ফিরে আসেন।

পবিত্র সরকারের দ্যাশের বাড়ির খোঁজে ঢাকা থেকে বাসে ৩০ মিনিটের দূরত্বে পৌঁছে যাই বলিয়ারপুর। গাবতলীর তুরাগ নদীর পার হয়ে সাভার-হেমায়েতপুরের মাঝখানে এই বলিয়ারপুর। 

zoom
এই কমিউনিটি ক্লিনিকের পেছনের চারটি বাড়ির পরেই পবিত্র সরকারের ভিটাবাড়ি।
zoom
পবিত্র সরকারের জন্মগ্রাম বলিয়ারপুর।

বলিয়ারপুর ঈদগাহ্‌, বলিয়ারপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের পাশের রাস্তা দিয়ে একটু এগিয়ে গেলে উত্তরপাড়া। এই উত্তরপাড়ায় পবিত্র সরকারের জন্মভিটা। বাড়ির আদি রূপের কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। নতুন রূপে সেজেছে আদি মাটির উপরে নতুন মানুষদের ঘরবাড়ি। 

জন্মগ্রাম থেকে বড় হওয়ার গ্রাম ঠাকুরবাড়ি পঞ্চাশের দূরত্ব বাসে ৪০ মিনিটের মতো। বলিয়ারপুর থেকে ধামরাই ‘ঠাকুরবাড়ি পঞ্চাশ’ যেতে– প্রথমে সাভার বাসস্ট্যান্ড, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং নয়ারহাট ব্রিজ পার হয়ে ইসলামপুর বাসস্ট্যান্ড। ধামরাইয়ের ‘পঞ্চাশ’ আর ‘ইসলামপুর’ পাশাপাশি গ্রাম। বলা যায় যমজ গ্রাম। এই দুই গ্রামেই পবিত্র সরকারের শৈশব কেটেছে। 

zoom
পবিত্র সরকারের গ্রাম ‘ঠাকুরবাড়ি পঞ্চাশ’-এর গলিপথ ও বাড়ির উঠান
zoom
জন্মভিটার সামনে দাঁড়িয়ে পবিত্র সরকার, পাশে বড় কন্যা কুরচি। ২০১৮।

পৈতৃক বাড়ির খোঁজে প্রথমে যাই ইসলামপুর গ্রামের শেষ মাথায় কুটনি ব্যাপারীর বাড়ি। এই বাড়ির ছেলে আব্দুর রহমান পবিত্র সরকারের দোস্ত। পাঁচ বছর বয়সে পবিত্র সরকার আর আব্দুর রহমানের দোস্তালি পাতানো হয় মহাসমারোহে। পালকিতে দশগ্রাম ঘুরিয়ে, আশেপাশের সব গ্রামের মানুষকে দাওয়াত দিয়ে, বাজনা বাজিয়ে, ভরপেট খাইয়ে তাঁদের দোস্তালির জানান দেওয়া হয়। সেই স্মৃতির সবটাই মনে গেঁথে আছে রহমান ভাইয়ের। পবিত্র সরকারের বাড়ির খোঁজ করায় তিনি বিছানা থেকে লাফিয়ে উঠলেন। তাঁর ছেলেকে সঙ্গে দিয়ে দিলেন। ইসলামপুর থেকে ঠাকুরবাড়ি পঞ্চাশ গ্রামের কোন বাড়িটা দোস্ত পবিত্র সরকারের সেটা বুঝিয়ে দিলেন। 

zoom
ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান। পবিত্র সরকারের দোস্ত।

খুঁজে পেলাম পৈতৃক বাড়ি। বাড়ি নয়, বাড়ির মাটি। সেই মাটিতে গড়ে উঠেছে– আধুনিক দালান, হসপিটাল, মার্কেট ও ফ্যাক্টরি। বাড়ির অর্ধেক অংশের উপর দিয়ে ছুটে চলেছে গাড়ি। হয়েছে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক।

zoom
পবিত্র সরকারের পৈতৃক ভিটায় গড়ে উঠেছে ফ্যাক্টরি
zoom
বাড়ির কিছু অংশের ওপর দিয়ে গিয়েছে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক
zoom
পবিত্র সরকারের প্রথম পাঠশালা, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশেই।

বাংলাদেশ পবিত্র সরকারের জন্মভূমি। এই ভূমি ছেড়ে যাওয়ার ক্ষত সম্পর্কে পবিত্র সরকার তাঁর ‘অল্প-পুঁজির জীবন’ গ্রন্থে লিখছেন–

“এখন, আয়ুষ্কালের প্রান্তে পৌঁছে, একটা কথা মনে হয়। মানুষ দেশ-দেশান্তরে যায়, তার বাসভূমি বহুবার বদলায়, কিন্তু আগেও যেমন বলেছি, জন্মভূমি বদলায় না। শরীরে বা চেতনায় চিহ্নিত থাকে ওই এক ধ্রুব বিন্দু। মানুষ জানে না তার মৃত্যু কোথায় হবে, কিন্তু তা জন্মস্থানের ভূগোল কদাচিৎ বিচ্যুত হয় না। এ কথাটা আর কিছু নয়, ঘটনার বিবৃতিমাত্র। এমন তো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, জন্মভূমিতে আবদ্ধ থাকলে মানুষের চলে না, অনেককেই শিক্ষা, জীবিকা, অভিবাস ইত্যাদির জন্যে জন্মভূমি ছেড়ে অনেক দূরে যেতে হয়, সারা পৃথিবীর দিগন্তরেখাগুলি পরিমাপ করতে হয়।
তবু ওই জন্মভূমির স্মৃতিই আমাকে প্রতিমুহূর্তে মনে করিয়ে দেয় স্বাধীনতা আমাদের অনেকের কাছে একটা বিশুদ্ধ অবিমিশ্র চেহারা নিয়ে আসেনি। তার সঙ্গে জড়িত ছিল অনেক মৃত্যু, অনেক অসম্মান, ছিন্নমূল হাজার হাজার সংসারের অনেক সর্বনাশের ইতিবৃত্ত, অনেক নিরপরাধের ভয়ংকর বলিদানের ইতিহাস। ইংরেজি অভিধানে ‘রিফিউজি’ কথাটা নিশ্চয়ই ছিল, কিন্তু সেটা অমন হতচ্ছাড়া কুৎসিত জীবন লাভ করে কখনও আমাদের সামনে আসেনি। বাংলা ‘উদ্বাস্তু’, ‘শরণার্থী’, ‘ত্রাণশিবির’ ইত্যাদি কথাও বোধহয় নতুন তৈরি হল, খবরের কাগজের পাতায় বিপুল নাচানাচি করতে লাগল। ইংরেজি ‘কলোনি’ কথাটা হঠাৎ এই উপমহাদেশে একটা নতুন অর্থ পেয়ে গেল। প্রশ্ন জাগে, আধুনিক ইতিহাসের একেবারে প্রথম দিককার উদ্বাস্তু কি আমরা– ভিয়েতনামের ‘বোট পিপলেরও’ আগে? মনের মধ্যে তোলপাড় করা প্রশ্ন জাগে– সেদিনকার সেইসব বীভৎস ক্ষত এখনও সব শুকিয়েছে কি? প্রাণ আর সম্মান বাঁচানোর জন্যে মানুষের দেশ ছাড়ার গল্প কি পরিসমাপ্তি পেয়েছে?”

আলোকচিত্র: কামরুল হাসান মিথুন

দ্যাশের বাড়ি-র অন্যান্য পর্ব …

পর্ব ২৩: বাংলার ১৩০০ নদীর জল নির্গত হয় ঋত্বিকের ক্যামেরায়

পর্ব ২২: দেওয়ালচিত্র দেখেই শিল্পে আগ্রহী হয়েছিলেন সোমনাথ হোর

পর্ব ২১: কলকাতায় যখন বোমা পড়েছিল পরিবার-সহ ‘দ্যাশের বাড়ি’তে আশ্রয় নিয়েছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

পর্ব ২০: বাঙাল ভাষা রপ্ত না হলেও ‘দ্যাশের বাড়ি’র প্রতি জ্যোতি বসুর টান ছিল অতুলনীয়

পর্ব ১৯: সমরেশ বসুর ‘দ্যাশের বাড়ি’ বেঁচে রয়েছে তাঁর সৃষ্টিতে, তাঁর গল্পে, উপন্যাসে

পর্ব ১৮: পাসপোর্ট-ভিসা করে জন্মভূমিতে ফিরতে হবে, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তা ছিল অপমানের

পর্ব ১৭: ফরিদপুর শহরে জগদীশের সার্বক্ষণিক সঙ্গী ছিলেন এক জেলখাটা দুর্ধর্ষ ডাকাত

পর্ব ১৬: দেশভাগের পরও কলকাতা থেকে পুজোর ছুটিতে বানারীপাড়া এসেছিলেন শঙ্খ ঘোষ

পর্ব ১৫: আমৃত্যু ময়মনসিংহের গ্রাম্য ভাষায় কথা বলেছেন উপেন্দ্রকিশোর

পর্ব ১৪পাবনার হলে জীবনের প্রথম সিনেমা দেখেছিলেন সুচিত্রা সেন

পর্ব ১৩নদীমাতৃক দেশকে শরীরে বহন করেছিলেন বলেই নীরদচন্দ্র চৌধুরী আমৃত্যু সজীব ছিলেন

পর্ব ১২: শচীন দেববর্মনের সংগীত শিক্ষার শুরু হয়েছিল কুমিল্লার বাড়ি থেকেই

পর্ব ১১বাহান্ন বছর পর ফিরে তপন রায়চৌধুরী খুঁজেছিলেন শৈশবের কীর্তনখোলাকে

পর্ব ১০: মৃণাল সেনের ফরিদপুরের বাড়িতে নেতাজির নিয়মিত যাতায়াত থেকেই তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার জীবন শুরু

পর্ব ৯: শেষবার বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার আগে জানলায় নিজের আঁকা দুটো ছবি সেঁটে দিয়েছিলেন গণেশ হালুই

পর্ব ৮: শীর্ষেন্দুর শৈশবের ভিটেবাড়ি ‘দূরবীন’ ছাড়াও দেখা যায়

পর্ব ৭: হাতে লেখা বা ছাপা ‘প্রগতি’র ঠিকানাই ছিল বুদ্ধদেব বসুর পুরানা পল্টনের বাড়ি

পর্ব ৬ : জীবনের কালি-কলম-তুলিতে জিন্দাবাহারের পোর্ট্রেট এঁকেছিলেন পরিতোষ সেন

পর্ব ৫ : কলাতিয়ার প্রবীণরা এখনও নবেন্দু ঘোষকে ‘উকিল বাড়ির মুকুল’ হিসেবেই চেনেন

পর্ব ৪ : পুকুর আর বাঁধানো ঘাটই প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের দেশের বাড়ির একমাত্র অবশিষ্ট স্মৃতিচিহ্ন

পর্ব ৩ : ‘আরতি দাস’কে দেশভাগ নাম দিয়েছিল ‘মিস শেফালি’

পর্ব ২: সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় শৈশবের স্মৃতির নন্দা দিঘি চিরতরে হারিয়ে গেছে হাজীগঞ্জ থেকে

পর্ব ১: যোগেন চৌধুরীর প্রথম দিকের ছবিতে যে মাছ-গাছ-মুখ– তা বাংলাদেশের ভিটেমাটির

Bangladesh bengali writer Pabitra Sarkar Sangbad Pratidin Sangbad Pratidin Robbar Vadaliya

Share this article on