Pratibha Sarkar On Dibyendu Palit। Robbar
Robbar
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬

অন্ধকার জমে জমে গাঢ় হয়েছে দিব্যেন্দু পালিতের গল্পে

দিব্যেন্দু অবশ্যই সোচ্চারে মহৎ হয়ে ওঠার কথা, মনুষ্যত্বের লক্ষণগুলোকে অটুট ধরে রাখার কথা বলেন না, না তাঁর ছোটগল্পে, না উপন্যাসে। তিনি উদাসীন, কারও পক্ষ নেন না, তাঁর কাজ কেবল দেখা আর বলে যাওয়া। গল্পকারের উদাসীন দেখা আর বলার মধ্যখানে লগ্ন হয়ে থাকে কী এক আলো, যার আভায় সম্মুখ পথ আপনি খুলে যায়।

প্রচ্ছদ শিল্পী: দীপঙ্কর ভৌমিক

Published by: Robbar Digital

Posted:January 2, 2026 9:07 pm | Updated:March 5, 2026 3:46 pm  
Facebook WhatsApp Messenger

আজ তাঁর মৃত্যুদিন। তীব্র প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা, শহুরে জটিল মানসিকতা আর তির্যক দৃষ্টির এই লেখকের মৃত্যুদিন আজ। ভাষা তাঁর স্পষ্ট এবং দাবড়িময়! অতীত এবং ইদানীং কালের অনেক রথী-মহারথীর লেখা যখন মনোযোগ টেনে রাখতে ব্যর্থ হয়, কী আশ্চর্য, প্রায়-বিস্মৃত তাঁকে একটু নাড়াচাড়া করলেই নতুনভাবে ভাস্বর হয়ে ওঠে তাঁর ছোটগল্প এবং উপন্যাস। যৌবনে পড়া গল্পগুলো ঝালিয়ে নিতে নিতে ভাবি, এতকাল ভুলে ছিলাম কী করে!

তিনি দিব্যেন্দু পালিত, সুদূর ভাগলপুরে শৈশব, কৈশোর এবং যৌবনের কিয়দংশ কাটানোর পর যিনি ভাগ্যচক্রে উৎক্ষিপ্ত হন কলকাতার ধুলো-ধোঁয়ায়, তবুও এমন আত্মস্থ করেন এই কুহকী শহরকে, যেন তিনি একে আজন্ম চেনেন, রাজপথ থেকে আঁকাবাঁকা গলিঘুঁজিতে পালিয়ে বেড়ানো এ শহর তাঁর আত্মার আত্মীয়! দৃষ্টির প্রসারতা কখনও কুণ্ঠিত হয়নি এতটুকু, শহরের চৌহদ্দি ছাড়িয়ে সেই সার্চ লাইটের আলো বেশুমার পড়েছে সর্বত্র, কী শহর, গ্রাম, কী আধা মফস্‌সল।

zoom
দিব্যেন্দু পালিত

দিব্যেন্দুর দেখার ভঙ্গি খানিক তেতো, কুইনাইনের পিলের ওপরে চিনির আস্তরণ দেওয়ায় তাঁর ঘোর অনীহা, ব্যক্তিগত সম্পর্ক তো বটেই, সামাজিক এবং ধর্মীয় গোলমেলে ব্যাপারগুলো– যেমন সম্প্রীতি আর সাম্প্রদায়িকতা, মনুষ্যত্বের আড়ালে মনুষ্যত্বহীনতার ঘেঁটি ধরে উল্টেপাল্টে তিনি দেখিয়ে দেন কী এদের স্বরূপ, আসল চেহারা। কিন্তু সবটাই করেন খানিক তফাত থেকে, খুব সোচ্চারে নয়, যেন তিনি মহাভারতের সঞ্জয়ের উত্তরসূরি, যুদ্ধক্ষেত্রে কী ঘটে যাচ্ছে তার বিশ্বস্ত বর্ণনাই তার কাজ। একেবারে আলাদা, অন্য লিখনরীতি, তবুও বাংলা ছোটগল্পের স্পন্দিত ভুবনে ‘মহেশ’, ‘আদাব’, এমনকী, ‘একটি তুলসী গাছের গল্প’ পাঠক যতটা মনে রাখেন, দিব্যেন্দুর ‘হিন্দু’ ততটা মনে থাকে কি?

কিন্তু এই গল্পটি ভুলে যাওয়ার নয়। রামপুরের সম্মানিত নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ মথুরানাথ রোজ ভোরে গঙ্গাস্নানে যান, তাতে তার বাড়ির লোকের আপত্তি। আলো-আঁধারিতে হাইওয়ে পেরিয়ে যেতে হয়, দ্রুত গতিতে চলা ট্রাক ধাক্কা দিতে পারে বা সাঁতার না-জানা তিনি স্রোতে তলিয়ে গেলেও কেউ জানবে না, ঘাট তখন প্রায় নির্জন বললেই চলে। না, এসব দুর্দৈব ঘটেনি মথুরানাথের কপালে, কিন্তু একদিন ফেরার পথে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখলেন এক প্রায়-মৃত এক মানুষকে সারা গায়ে থিকথিক করছে পুঁজ-ভর্তি ঘা, তার ওপর ছেয়ে বসছে মাছি। ‘অসংখ্য মাছিতে ছেয়ে গেছে লোকটা। বিশেষত বুকে ও অণ্ডকোষের দগদগে জায়গাগুলো যেন মৌমাছির চাক, মাছিতে ঢেকে ফেলেছে ক্ষতগুলো। জমে আছে, উড়ছে, আবার এসে বসছে। মাছি চোখের পাতায়, পাঁজরের খাঁজে খাঁজে, ঠোঁটের ওপর।’ চেষ্টা হয়েছিল তাকে পুলিশের সহায়তায় হাসপাতালে পাঠানোর, কিন্তু এত দেরি হলে মুমূর্ষুটির মৃত হয়ে যেতে বেশি সময় লাগবে না, এই বিবেচনায় তাকে নিজের বাড়ির ফাঁকা ঘরে ঠাঁই দেন মথুরানাথ, প্রাণপণ শুশ্রূষা করেন, একটু ভালো হলে হাসপাতালেই রেখে আসবেন– এই ছিল মনোগত ইচ্ছে। কিন্তু গোলমাল বাঁধাল মরিজটি নিজে, কিছুদিন আগেই দাঙ্গা হয়ে গিয়েছে রামপুরে, তবু ‘আক্কেলহীন’ বেহুঁশ লোকটি রোগের যন্ত্রণায় উচ্চারণ করে ফেলে, ‘হায় আল্লা!’ ওর জাত কী– এই প্রশ্ন আগেও অনেকে করেছে তাকে, মথুরানাথ সপাটে উত্তর দিয়েছেন, ‘মনুষ্যকে সেবা ব্রাহ্মণ কে কাম নেহি হ্যায় তো, আজ সে হম শূদ্র হি বনেঙ্গে!’ কিন্তু এই কানাকানি যে মথুরানাথ এক অসুস্থ মুসলমানকে তুলে ঘরে ঠাঁই দিয়েছেন, দশের কানে জানাজানি হয়ে যখন পরিস্থিতি দাঙ্গার দিকে গড়াচ্ছে, তখন বন্ধু জানকীনাথ মথুরানাথের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও লোকজন নিয়ে রোগীটিকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়, কোথায় তা কেউ জানে না।

remembering Dibyendu Palit by sudhanshusekhar dey

মথুরানাথ খুব স্বাভাবিক ছিলেন তার পরদিনও, একবারও জিজ্ঞাসা করেননি সে হতভাগ্যের কী হল, প্রতিদিনের মতো আলো না ফুটতেই গঙ্গাস্নানে গেলেন, কিন্তু আর ফিরলেন না। ক’দিন অপেক্ষা করার পরও দেহ ভেসে উঠল না, কোনও খবর পাওয়া গেল না। রামপুরের জনতা বলাবলি করতে লাগল, প্রকৃত হিন্দু এই মানুষটির ধর্মাচরণে ভুল ছিল না একটুও। তাই মা গঙ্গাই তাকে নিজের কোলে আশ্রয় দিয়েছেন। নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে তারা পীরপুর ঘাটের নাম পালটে রাখল মথুরানাথ ঘাট। তার নীচে ছোট কিন্তু স্পষ্ট অক্ষরে লেখা ‘কেবল হিন্দুয়োঁ কে লিয়ে!’ লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ল সংক্ষিপ্ত আকারে ওই ঘাটকে ‘হিন্দুঘাট’ বলে ডাকা।

এই রকম উদাসীন অথচ নির্দয় মুখোশ খোলার কায়দা অনেকেরই না-পসন্দ হতে পারে, গায়ে জ্বালা ধরে যেতে পারে, কিন্তু দিব্যেন্দু সত্যভ্রষ্ট হন না। মন্থনে উঠে আসা অমৃতকে নেব কেবল, আর বিষ পরিত্যাজ্য এরকমটি কখনই হয় না। তাতে যদি নীলকণ্ঠ হতে হয় তো তাই সই। ‘একটি মন্দিরের জন্ম ও মৃত্যু’তে ধোপার ছেলে মহিমের বড় ইচ্ছে সবাইকে হারানোর পর তার একা ঘরে শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করে, মন্দির বানায়। যাকে বলে সে-ই জিব কাটে, ‘আরে ছিয়া ছিয়া, ধোবীর ছেলের মন্দির!’ ওই জমি আর ঘরের ওপর খোদ উকিলবাবুর নজর পড়েছে যে! কিন্তু যতই লোভ দেখানো হোক না কেন, মহিম নাছোড়বান্দা। ধোবির ছেলে তো কি হয়েছে, ধাঙড় বস্তিতে মা কালীর মন্দির নেই? সেই আশায় আট আনা দিয়ে এক পাথরের শিব কিনে এনে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখে মহিম। এসব কেসে যারা গরিবের সর্বনাশ করতে চায়, তাদের হাতে তো রয়েইছে এই পৃথিবীর সবচেয়ে আদিম শক্তি বা অস্ত্র– আগুন! মহিমের ঘরে গভীর রাতে আগুন লাগে। তার একার নয়, হিসেব করে সমস্ত বস্তি পুড়িয়ে খাক করে দেওয়া হয়। মাটির নিচে পোঁতা স্বয়ং ভগবানকে পুড়িয়ে দিল ওরা, তবু উকিলবাবু এসে কাঁধে সহানুভূতির হাত রাখলে মহিম চুপ করে থাকে। অনেকক্ষণ পরে সে শুধু বলে, ‘ঘর তো আগুনই পোড়ায়, বাবু!’

লোভের আগুনে তো ঘর পোড়েই, এখনও পুড়ছে গোটা দেশের নানা বস্তিতে, অনুন্নত গরিব এলাকায়। তবে আরও যে কারণে ‘ঘর’ বা সম্পর্ক পুড়ে ছাই হয় তা হচ্ছে নানা জটিলতার আগুন। সামাজিক, ব্যক্তিগত, অর্থনৈতিক, কারণের শেষ নেই, পোড়ারও নয়। দিব্যেন্দুর অনেক চরিত্র এইরকম ঘরপোড়া গরু। বিশেষ করে শহুরে চরিত্রগুলো। কিন্তু শেষ অবধি পোড়ে না তাদের লুকানো বিবেক, ধ্বংস হয় না মনুষ্যত্ব, ছাইয়ের গাদা ফুঁড়ে মাঝে মাঝেই উড়াল দেয় এইসব ফিনিক্স, যেমনটি আমরা দেখি আর একটি অবিস্মরণীয় গল্পে, যার নাম ‘মাড়িয়ে যাওয়া।’ অফিস-যাত্রী অনিল এলোমেলো ভিড়ে ক্রমশ রেগে উঠছিল, কারণ আর দশ মিনিটের মধ্যে অফিসে পৌঁছাতে না পারলে তার কপালে অশেষ দুঃখ। মরিয়া হয়ে বাসে লাফিয়ে উঠতেই ফুটপাথ থেকে তার কানে ভেসে এল এক কচি গলার কান্না, ‘ওই লোকটা আমার পা মাড়িয়ে দিল!’ উদ্যত ছোট্ট এক তর্জনী ছাড়া এক মুহূর্তে যেটুকু দেখেছিল অনিল, তা হল শিশুটির পাশে ফুটপাথে এক ভদ্রলোকের উবু হয়ে বসা, হয়তো বাচ্চাটির বাবা আর তার খেদোক্তি, ‘ইস, রক্ত বেরুচ্ছে যে!’

তারপর সারাদিন অফিসের নানা পলিটিক্সে বিধ্বস্ত অপমানিত অনিলের থেকে থেকে মনে হতে থাকে, জুতোর সোলের নীচে কিছু যেন আটকে গিয়েছে, গোবর বা ভেজা গিরিমাটি গোছের কিছু। এক ফুটবলার সহকর্মীর কাছে সে হঠাৎ জানতে চায়, খেলার মাঠে জুতোসুদ্ধ কারও পা মাড়িয়ে দিলে খুব বেশি লাগে কি না। এমন নানা অসলগ্ন ব্যবহারে চেনা মানুষজনকে চমকে ঘরে ফেরে অনিল এবং স্ত্রীর অনুপস্থিতির সুযোগে ছেলেকে কাছে ডেকে নেয়। তার পরের অংশটুকু লেখকের জবানিতে শোনাই সবচেয়ে ভালো– ‘ঘরে ঢুকে খুব মনস্কভাবে ছেলের দিকে তাকাল অনিল। অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকল। এখন সে পুরোপুরি জ্বর অনুভব করতে পারছে, উত্তাপ ছড়িয়ে যাচ্ছে কানে, নিঃশ্বাসও গরম। আত্মহত্যা বা খুন করা– দুটোর কোনওটাই এখন তার পক্ষে অসম্ভব নয়। বিমূঢ়ভাবে কিছুক্ষণ বিছানায় বসে থেকে ছেলেকে কাছে টানল অনিল। কাঁধদুটো ধরল। আড়চোখে সেন্টুর পায়ের দিকে তাকিয়ে জুতোসুদ্ধ পা-টা তুলে দিল ওর নরম আঙুলের ওপর,’ স্কুলে আজ কী কী হল বল?’’ তারপর আস্তে থেকে জোরে চাপ দিতে থাকল। কথা বলার জন্য ঠোঁট খুলেছিল সেন্টু। অনিল দেখল প্রথমে হতচকিত, তারপর হঠাৎই শরীর দুমড়ে চিৎকার করে উঠল সেন্টু, ‘উ উ, লাগছে লাগছে–’ একটুক্ষণ ছেলের বিবর্ণ মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে আর্ত গলায় অনিল বলল, ‘খুব লেগেছে, বাবা! আমি দেখতে পাইনি–’

এইরকম আর একটি নিজের কাছে নিজে ধরা পড়ে যাওয়ার গল্প ‘শোকসভা’, না একটি নয় অজস্র, দিব্যেন্দুর বেশির ভাগ গল্প, যেমন ‘দাঁত’, ‘মুন্নির সঙ্গে কিছুক্ষণ’, ‘আলমের নিজের বাড়ি’, ‘বিবেক’ ‘পতন জনিত’ এবং আরও কত! এই শেষ গল্পটায় হতে-পারে-আত্মহত্যার কেসে মৃত একটি নগ্ন মেয়ে-শরীর দেখে তথাকথিত ভদ্র, শালীনদের মিচকেমি, ফোটোগ্রাফার না আসা অবধি শরীরটি অমনই থাকবে বলে পুলিশের গা-জোয়ারি, তারাও নিশ্চয়ই উপভোক্তার দলভুক্ত, আর সব শেষে বিমলা ঝি-এর পুলিশকে বলা কথা, ‘ও হরি, এর বেলা নিয়ম নেই,… আর তিন ঘণ্টা ধরে ভদ্দরলোকরা যে তারিয়ে তারিয়ে ন্যাংটো মেয়েমানুষ দেখছে, সেটা কার নিয়ম মেনে বাছা…’ সব এমন জ্যান্ত হয়ে ওঠে যে নিজেদের দিকে তাকিয়ে আবার ওই ধরা পড়ে যাওয়ার লজ্জাই অনুভব করি আমরা।

দিব্যেন্দু অবশ্যই সোচ্চারে মহৎ হয়ে ওঠার কথা, মনুষ্যত্বের লক্ষণগুলোকে অটুট ধরে রাখার কথা বলেন না, না তাঁর ছোটগল্পে, না উপন্যাসে। তিনি উদাসীন, কারও পক্ষ নেন না, তাঁর কাজ কেবল দেখা আর বলে যাওয়া। মথুরানাথের মৃত্যুতে বা মহিমের ঘর পোড়ায় তিনি উত্তেজিত হয়ে কাউকে দোষারোপ করেননি। বরং ঠান্ডা মাথার উকিলবাবু পোড়া ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে মহিমের কাঁধে হাত রাখেন, তবু গল্পকারের সেই উদাসীন দেখা আর বলার মধ্যখানে লগ্ন হয়ে থাকে কী এক আলো, যার আভায় সম্মুখ পথ আপনি খুলে যায়। এই ঔদাসীন্য দূরত্বসূচক নয়, বরং অনেক লম্বা-চওড়া কথাবার্তা আর রকমারি ভানে টইটম্বুর আমাদের ভেতরের মানুষটা তার সমস্ত সম্ভাবনা সত্ত্বেও যে কষ্ট, ভয়, আশঙ্কা আর হীনতা জড়িয়ে-মড়িয়ে বাঁচে এবং এই মিশ্র বাঁচাই তার ভবিতব্য, এই বাস্তবতার এক প্রকার স্বীকারোক্তি মাত্র। উদাসীন পক্ষপাতশূন্যতাই তাঁর চরিত্রদের একই সঙ্গে হতাশায় নিমজ্জন অথবা নকল উত্তরণের হাত থেকে বাঁচায়। আবার এই আপাত ঔদাসীন্যই কি তাঁর পাঠককে বিস্মৃতিপ্রবণ করে তোলে? এ কেমন লেখক বাপু, বাচ্চাটাকে মাড়িয়ে যাওয়া ধাড়িটিকে স্পষ্ট ছি-ছি করেন না, উপরন্তু নিজের বাচ্চাকে কষ্ট দেওয়া পাষণ্ডের দিকেই যেন অল্প ঝুঁকে থাকেন !

দিব্যেন্দু পালিত নিজেই এক জাদু, এক রঙ্গ, তাঁকে যে দেখাতে পারে, যাব তাহার সঙ্গ!

…………………..

রোববার.ইন-এ পড়ুন প্রতিভা সরকার-এর অন্যান্য লেখা

…………………..

Dibyendu Palit Sangbad Pratidin Sangbad Pratidin Robbar

Share this article on