Sarat Chandra’s Women: A Contemporary Perspective। Robbar
Robbar
  • ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শরৎবাবুকে লেখা ‘মেয়েলি’ চিঠি

রবিবাবু সাধারণ মেয়েটিকে দিয়ে আপনার কাছে ইচ্ছেপূরণের একটা গল্প লেখার আবদার জানিয়েছিলেন বটে, তাতে নিঃসন্দেহে আপনার লেখায় মেয়েদের কথা ঘুরেফিরে আসা নিয়ে হালকা খোঁচা ছিল। কিন্তু কই, আপনি তো মেয়েদের জিতিয়ে দেওয়ার রূপকথা লিখলেন না একবারও! হ্যাঁ, আপনার ললিতা হোক কি জ্ঞানদা, বিরাজ কি ষোড়শী, তাদের কারও কারও জীবনে ভালোবাসার পুরুষেরা চলে গিয়ে আবার ফিরে এসেছে বটে। কিন্তু সে ফেরার পথে অনেক ভাঙনের দাগ, অনেক দহনের ক্ষতচিহ্ন। সে দাগ যে মিলিয়ে যেতে পারবে না কখনও-ই, তার আভাস আপনিই রেখে গিয়েছেন।

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ২১:৩৩   
Facebook WhatsApp Messenger

শরৎবাবু,

আপনাকে একখানা চিঠি লেখার বরাত পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশের সাধারণ মেয়েরা আপনাকে চিঠি লিখবেই এ-কথা এমন স্বতঃসিদ্ধ, যে, সে তাগাদা মেনে নিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা হয়নি তখন। কিন্তু সংকট ঘনাল তারপরে। রবিবাবুর মতো আপনি তো নিজেকে চিরকালের বলে দাবি করেননি। তাই আপনার ললিতা-জ্ঞানদা-সাবিত্রীদের গল্প শুনে এককালে যতই মোহিত হয়ে যাই না কেন, এখন তাদের সঙ্গে একই সমতলে নিজেকে দেখব কেমন করে! মালতীবালা বালিকা বিদ্যালয়ের সেই ভীরু কুণ্ঠিত মেয়ের যুগ পেরিয়ে এসেছে বলে যে মনে করে, সে আপনাকে ঠিক কী কথা লিখতে পারে, শরৎবাবু?

zoom
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

শরৎবাবু, আপনার মেয়েরা ভারি কাঁদে। প্রফুল্লকে নিয়ে বঙ্কিম বলেছিলেন না, বর্ষাকালের ফুটন্ত ফুলের মতো, যার মধ্যে বৃষ্টির জল ভরে থাকে আর সামান্য নাড়া খেলেই ঝরঝর করে পড়ে; আপনার লেখাও তেমনই। সজল। সলাজও হয়তো বা। দুঃখী মানুষদের নিয়ে আপনার কারবার। যারা বঞ্চিত, প্রান্তবাসী, আপনার মন সবটুকু মমতা নিয়ে তাদের ঘিরে ছায়া দিতে চেয়েছে আপনার লেখায়। প্রখর দৃপ্তরূপে দাঁড়িয়ে ওঠা তাদের পক্ষে সহজ নয়। আপনি তো জানতেন, “পুরুষের তত মুস্কিল নেই, তার ফাঁকি দেবার রাস্তা খোলা আছে। কিন্তু কোথাও কোনও সূত্রেই যার নিষ্কৃতির পথ নেই সে শুধু নারী।” সেই নিপীড়িতা অবলা মেয়েরা, নিয়তি কিংবা সমাজ যাদের আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে মারার ষড় করেছে, ভালোবাসার কাছে বা জীবনের কাছে হারতে বসা সেইসব ফুরিয়ে-যাওয়া মেয়েদের আপনি বড় কাছ থেকে দেখেছিলেন।

শরৎবাবু, আপনার মেয়েরা ‘ঘর’ হতে চেয়েছিল কি না জানি না, তবে আপনি তাদের বারবার ‘ঘর’ বলেই দেখতে চেয়েছেন। দেখাতেও। শ্রীকান্তর মতো বোহেমিয়ান ঘরছাড়া পুরুষ, যে কোনওদিন কারও আঁচল বিছিয়ে রাখা ঘরকে চিরকালের মর্যাদা দিয়ে বসত বাঁধবে না, তাকেও জ্বরের ঘোরে আপনি পৌঁছে দেন রাজলক্ষ্মীর আদরমাখা ছায়ায়। আমাদের মনে থাকে যে, আত্মজৈবনিক উপাদান এ-কাহিনিতে বারেবারে অনুপ্রবেশ ঘটাবে বলেই প্রথমে উপন্যাস হিসেবে নয়, রবিবাবুর ‘জীবনস্মৃতি’-র কথা মনে রেখে ‘শ্রীকান্তশর্মার ভ্রমণকাহিনী’ লিখতে চেয়েছিলেন আপনি। আপনার বাস্তব জীবনে কোনও রাজলক্ষ্মী-কমললতার যত্ন ছিল কি না, সে-প্রশ্নে না গিয়েও তাই এ-কথা বুঝে নেওয়া চলে যে, এই কোমল আদর-সাহচর্য-শুশ্রূষাটুকুর প্রতি আন্তরিক লোভ ছিল আপনারও।

কিন্তু মেয়েরা কি কেবলই রেস্টিং প্লেস? ঘর? শান্তির আশ্রয়? শরৎবাবু, একের পর এক উপন্যাসে আপনি তো তেমনটাই দেখিয়ে গিয়েছেন বারবার। মেয়েদের ‘নীড়’ বলে গড়ে তোলার এক প্রকল্প ছিল কি আপনার?

zoom

আপনার পুরুষেরা সব ‘আওয়ারা মসীহা’ (যে নামে পরবর্তীতে আপনার জীবনী লিখবেন বিষ্ণু প্রভাকর), তারা ঘরের বাঁধন ছাড়িয়ে বেরিয়ে পড়ে, নিয়ম মানে না, ছন্নছাড়াই বুঝি বা কখনও কখনও; অথচ যখন সংকট আসে, বিঘ্নের ঝাপটা এসে লাগে গায়ে, তখন তারা সকলে যেদিকে আশ্রয় খোঁজে, আশ্রয় পায়ও, সে আশ্রয় অনিবার্যভাবে কোনও নারী। বস্তুত আপনার অধিকাংশ কাহিনিতেই কেন্দ্রীয় বা পার্শ্ববর্তিনী নারী চরিত্রদের প্রতি নায়ক চরিত্রের বিশ্বাস ও নির্ভরশীলতার এক দ্বিরালাপ তৈরি হয়ে ওঠে।

শ্রীকান্তের কথাতেই ফিরি আবার। কখনও অন্নদাদিদি, কখনও অভয়া, কখনও কমললতা, সর্বোপরি রাজলক্ষ্মী– শ্রীকান্তের সঙ্গীহীন প্রাণকে বারেবারে লালন করেছে কত না জন! রেঙ্গুন-যাত্রার সময়ে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে শ্রীকান্ত আর রোহিণীবাবুর দেখভালের সমস্ত দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেয় অভয়া। একা। বিদেশ-বিভুঁইয়ে একাকিনী নারীর এই সাহস আপনাকে চমৎকৃত করেছে, মুগ্ধ করেছে। আবার ‘চরিত্রহীন’ মনে করুন। সেখানে সুরবালাকে আপনি প্রথম থেকে উপেন্দ্রর প্রতি সর্বতোভাবে নির্ভরশীল, সম্পূর্ণরূপে আত্মবিলোপ করা পুতুল-স্ত্রীর মতো সাজিয়ে রাখলেন। অথচ দেখা গেল হারানের মৃত্যুর পর সতীশ ছাড়া উপীন যখন চোখে অন্ধকার দেখছেন, এক মুহূর্তে তাঁর সহায় হয়ে ওঠে সেই সুরবালা-ই।

‘শেষ প্রশ্ন’ উপন্যাস-জুড়ে যে অক্ষয় কমলকে ক্রমাগত আঘাতে আঘাতে জর্জরিত করে চলে, উপন্যাসের শেষে তার সমস্ত মন আশ্রয় পাওয়ার আকুতি নিয়ে এসে দাঁড়ায় সেই নিন্দিত অসম্মানিত নারীটির কাছেই। এ লেখাতেই, শিবনাথের নিজস্ব বয়ান নাই বা পেলাম আমরা, শেষলগ্নে কমল তার সমস্ত বিশ্বাস ভাঙাকে ক্ষমা করছে এই যুক্তিতেই যে, শিবনাথ শিল্পী। শিল্পের আশ্রয় হিসেবেই নারী তার কাছে প্রয়োজনের, কিন্তু সে প্রয়োজন ক্ষণিকের।

zoom

শরৎবাবু, ‘নারীর মূল্য’ যাচাই করতে গিয়ে আপনি নিজেই বলেছিলেন মণিমাণিক্য দুষ্প্রাপ্য বলেই তার দাম। কিন্তু এ পোড়া বাংলাদেশে পিলে যকৃত অম্লশূল এবং কনের জন্য তো কাউকে খোঁজ করতে হয় না– মৃণালের সে-কথা ধরেই বলা যায়, সংসারে নিতান্ত সুলভ মেয়েমানুষের দাম সেখানে থাকবে কেমন করে! তাই অভয়াদের যত্ন এখানে হেলায় মাটিতে লুটায়, এ-কথাও আপনি জানতেন বইকি! আপনার গল্পের মেয়েদের যে বারেবারে অপেক্ষার আঁচলখানি পেতে বসে থাকতে হয়, পাওয়া না-পাওয়ার হিসেবকে একেবারে তুচ্ছ করে দিয়ে– সে ছবি আদতে আপনার সময়ের, আপনার সমাজেরই কথা বলে। রবিবাবু সাধারণ মেয়েটিকে দিয়ে আপনার কাছে ইচ্ছেপূরণের একটা গল্প লেখার আবদার জানিয়েছিলেন বটে, তাতে নিঃসন্দেহে আপনার লেখায় মেয়েদের কথা ঘুরেফিরে আসা নিয়ে হালকা খোঁচা ছিল। কিন্তু কই, আপনি তো মেয়েদের জিতিয়ে দেওয়ার রূপকথা লিখলেন না একবারও! হ্যাঁ, আপনার ললিতা হোক কি জ্ঞানদা, বিরাজ কি ষোড়শী, তাদের কারও কারও জীবনে ভালোবাসার পুরুষেরা চলে গিয়ে আবার ফিরে এসেছে বটে। কিন্তু সে ফেরার পথে অনেক ভাঙনের দাগ, অনেক দহনের ক্ষতচিহ্ন। সে দাগ যে মিলিয়ে যেতে পারবে না কখনও-ই, তার আভাস আপনিই রেখে গিয়েছেন। কিন্তু রবিবাবুর মালতী যেমন করে জিততে চেয়েছিল, আপনার কলমের এক আঁচড়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে এমএ পাশ করে, প্রথম হয়ে, বিলেতে গিয়ে যে দাঁড়াতে চেয়েছিল সম্মানের আলোর মধ্যে– অর্থাৎ, আপনার কাহিনিতে প্রিয় পুরুষকে মেয়েরা যেমন পুজো করে, সেই হায়ারার্কি পেরিয়ে সমতার স্তরে পৌঁছনোর যাত্রায় সে অধিকার চেয়েছিল; সেই ব্রতের অধিকার অর্জনের গল্প-উপন্যাস তো আপনি লিখলেন না শরৎবাবু! এমনকী ‘পথের দাবী’-তে পর্যন্ত যে সুমিত্রাকে আপনি সব্যসাচীর ব্রতের শরিক করে তুললেন, বিপ্লবী দলের প্রেসিডেন্ট হওয়ার মতো সমাজনির্দিষ্ট পৌরুষের ভূমিকায় মাপসই করলেন, উপন্যাসের শেষে তারও নিয়তি স্থির হল পিছনে পড়ে থাকাতেই।

শরৎবাবু, প্রথমেই স্বীকার করেছিলাম, এই নিয়তিকে প্রাণপণে অস্বীকার করতে চাই বলেই আজ আপনাকে চিঠি লিখতে বেধে যায়। কিন্তু কেন বলুন তো বারেবারেই এ-কথাও মনে হয়, এই একমাত্রাতেই কেবল আপনি মেয়েদের বাঁধতে চাইছেন না? আপনার অনেক লেখাতেই মেয়েদের ঘিরে সমাজের খড়ির গণ্ডিটি টেনে দেওয়া থাকে বটে, কিন্তু তা পেরিয়ে এক-একবার তাদের বাইরে পা ফেলার মতো সাহসটুকুও আপনি জুগিয়ে দেন যে, সে-কথা বিজয়া কিংবা রমাকে দেখলে মনে হয়। মনে হয়, আপনার কোনও কোনও লেখায় এই যাবতীয় আঘাত-অবহেলার মধ্যে থেকেও একচিলতে আলো এসে পড়ে মেয়েদের মুখে। যে আলো অপরের থেকে ধার করা নয়, তা নারীর আপন মনের অর্জন, তার অন্তরমহলের অকম্পিত দীপশিখাটি। তাহলে কি মেয়েদের এই ঘর পেতে বসে থাকার ছবি দেখানোই আপনার অভিমুখ ছিল, না কি আপনি এই ইচ্ছে না-পূরণের ছবির আড়ালে একটা অন্য গল্পও রেখে যেতে চেয়েছিলেন? যে গল্পে মেয়েরা শুধুমাত্র আশ্রয় হয়েই থাকতে চাইবে না, পক্ষান্তরে নিজেরই আশ্রয় হয়ে উঠতে চাইবে তারা? আপনার সেই মেয়েরা যদি একালে এসে দাঁড়াত, তবে কি তাদের গল্পগুলো অন্যভাবে লিখতে চাইতেন আপনি? আপনার লেখার সেইসব মেয়েরা, যারা তাদের ইচ্ছেপূরণের বরাত দিয়ে বসেছিল অন্য কারও ওপর, আর ইচ্ছে কোনও দিনই পূর্ণ হল না যাদের, অপেক্ষায় থেকে যাওয়া সেইসব মেয়েরা– আজকের দিনে তারা কেমন হতে পারত আপনার চোখে?

zoom

শরৎবাবু, ব্লুমসবেরি গ্রুপের কথা আপনি জানতেন বোধহয়। সে দলের অন্যতম সদস্য ভার্জিনিয়া উলফ, আপনার থেকে মাত্রই কয়েক বছরের ছোট, মেয়েদের একটা নিজের আশ্রয়ের, নিজস্ব আকাশের খোঁজ করে চলেছেন জীবনভর লেখায়। ১৯২৮ সালে কেমব্রিজে একটা বক্তৃতা দিতে গিয়ে, নারী আর উপন্যাসের পারস্পরিক সম্পর্ক বিচার করতে বসেই তিনি লেখেন তাঁর ম্যাগনাম ওপাস, “আ রুম অফ ওয়ান’স ওন”। আপনার বেড়ে ওঠা, আপনার পরিপার্শ্ব থেকে পাওয়া বোধ নিয়ে আপনি মালতীকে সে সমতার ভূমিতে এনে দাঁড় করাতে পারেননি ঠিকই, কিন্তু আপনি কমলকে এঁকেছেন। প্রিয় পুরুষের ভালোবাসা যদি কোনও দিন ফুরোয়, তবে তা নিয়ে টানাটানি করতে, তার জন্য ব্যাকুল প্রতীক্ষা বিছিয়ে রাখতে ঘৃণাবোধ করেছিল সে মেয়ে। তার মনের মধ্যে গড়ে উঠছিল একান্ত নিজের জন্য একটি বসত, অন্য কেউই যে ঘর দখল করতে পারবে না। শিবনাথকে বরণ করে সে যেমন ভালোবাসার দাবিতে অপমান কুড়িয়ে নিতে দ্বিধা করেনি, তেমনই সেই প্রেম তাকে রক্তাক্ত করে ছুড়ে ফেলে দেওয়ার পর নিজের শর্তে ফের জীবন গড়ার পথে এগতেও তার পা বাধেনি। আপনি এঁকেছেন পিয়ারি বাইজিকেও। বেজোড় বিয়ে ও সমাজশাসনের কদর্য বালাই অতিক্রম করে যে আর্থিক স্বাবলম্বনের পথ খুঁজেছে, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যে দিয়ে যে খুঁজেছে জীবনের ব্রত। স্ত্রীকে ভুলে থাকা স্বামীর কাছে যাওয়ার তাগিদে আপনি অভয়াকে অন্য পুরুষের সঙ্গে সমুদ্রযাত্রায় পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু, “স্বামী যখন সুদ্ধমাত্র একগাছা বেতের জোরে স্ত্রীর সমস্ত অধিকার কেড়ে নিয়ে তাকে অন্ধকার রাত্রে একাকী ঘরের বার করে দেন, তার পরেও বিবাহের বৈদিক মন্ত্রের জোরে স্ত্রীর কর্তব্যের দায়িত্ব বজায় থাকে কি না”– স্বামীর বর্মি স্ত্রীর সঙ্গে সুখে থাকা নিয়ে নালিশ না করেও এ প্রশ্ন রাখতে পেরেছিল অভয়া।

শরৎবাবু, একালেও মেয়েরা নিরালম্ব আশ্রয় হওয়ার চাহিদা মেটায় না অথবা আত্মবিলোপী অপেক্ষার ঘর বিছিয়ে রাখে না, এমন অবাস্তব দাবি করতে পারি না। তবু তো প্রশ্ন তোলার স্বরগুলো বাড়ছে। বাড়ছে নিজের ঘর খুঁজতে খুঁজতে হেঁটে চলা মেয়েদের সংখ্যা। সে সংখ্যা হয়তো এখনও কম, তবু আমরা পথ হাঁটছি। হাঁটছি একা এবং কয়েকজন। এই সময় অবধি পথ হেঁটে এলে, আপনার দু’একজন মেয়েও সে মিছিলে নিশান ওড়াবে নিশ্চিত। আর যারা সেদিন লক্ষ্মণরেখার ওপারে পা রাখতে কুণ্ঠিত হয়েছিল, তাদেরও হাতে হাতে সে নিশানের হাতবদল হয়ে যাবে ঠিক একদিন, তাই না শরৎবাবু?

………………….

রোববার.ইন-এ পড়ুন রণিতা চট্টোপাধ্যায়-এর অন্যান্য লেখা

………………….

bengali literature Contemporary Perspective Feminist Perspective Gender Studies Indian Author Sangbad Pratidin Sangbad Pratidin Robbar Sarat Chandra Chattopadhyay Women Empowerment চরিত্রহীন পথের দাবী শ্রীকান্ত

Share this article on