Robbar

নন্দলাল বসু ও কলাভবনের শুরুর দিনগুলি

অবনীন্দ্রনাথের প্রিয় শিষ্য নন্দলাল তখন চিত্রীমহলে বিশেষ পরিচিত। ‘সতীর দেহত্যাগ’, ‘দয়মন্তীর স্বয়ম্বর’, ‘সুজাতা’, ‘অহল্যা উদ্ধার’, ‘জতুগৃহ দাহ’, ‘উমার তপস্যা’ ইত্যাদি অজস্র ছবি তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার বেশ কিছু আগে, ১৯১৪ সালে, রবীন্দ্রনাথ নন্দলালকে শান্তিনিকেতনে আমন্ত্রণ করেছিলেন।

→

কলাভবন শুরুর নেপথ্যে এক দরদি শিক্ষক

কলাভবন তো আর হঠাৎ করে গড়ে ওঠেনি, ধীর গতিতে এক-পা এক-পা করে এগিয়েছে। আমরা জানি, রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত ‘বিশ্বভারতী’র অন্যতম প্রধান অঙ্গের নাম ‘কলাভবন’। তার পুরো চেহারা গড়ে উঠেছে ধীরে ধীরে। ভেবে দেখলে, তার সূচনা কি ব্রহ্মচর্যাশ্রমের অন্তরে নিহিত ছিল না?

→

বহু জনতার মাঝে অপূর্ব একা

বাংলা নববর্ষের অব্যবহিত পরে ইংরেজি ১৬ এপ্রিল বিকেলের দিকে দেহাবসান ঘটে আচার্য নন্দলাল বসুর। আচার্যের মৃত্যুশয্যার পাশে সুধীরা দেবীকে দেখা যায়নি। ঘরের দুয়ার তিনি রুদ্ধ করে রেখেছিলেন। এমনকী, মৃত্যুর পরেও সে দ্বার খোলেনি। ছাত্রছাত্রী আর আশ্রমিকেরা ঘিরে ছিল আচার্যের পুষ্পশোভিত দেহ।

→

চিত্রকরের চোখে শ্রীচৈতন্যদেব

শ্রীচৈতন্যের ছবির প্রসঙ্গ উঠলে যাঁর কথা না বললে অসম্পূর্ণ থাকে, তিনি শিল্পী ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার। সম্ভবত এই বিষয়ে তাঁর ছবিই সর্বাধিক। কেবল সংখ্যার প্রেক্ষিতেই নয়, ক্ষিতীন্দ্রনাথের চিত্রমালায় পরম বৈষ্ণবের যে বিনম্র ভঙ্গি ফুটেছে তা আর কারোও ছবিতে প্রকাশ পেয়েছে কিনা জানি না।

→

জীবনের উদ্বোধন: এই রবীন্দ্রমন্ত্রই আজও আশ্রমের পৌষ-প্রার্থনা

শান্তিনিকেতনে ৭ পৌষ তারিখে উৎসবের বিশেষ মাহাত্ম্য কী? মাহাত্ম্য এই যে, সেদিন আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের দীক্ষার দিন। যিনি একদিন ভোগের মাঝখান থেকে জেগে উঠে ‘বিলাসমন্দিরের সমস্ত আলোকে অন্ধকার’ দেখেছিলেন, বেড়িয়ে পড়েছিলেন অমৃত উৎসের সন্ধানে।

→

ছবি-আঁকিয়ে অনিল চট্টোপাধ্যায় ও একটি অপ্রকাশিত চিঠি

নায়ক নয়, চরিত্রাভিনেতা হওয়ার দিকেই ঝোঁক দিয়েছিলেন তিনি। অসম্ভব ভালোবাসতেন ছবি। নিজের ছবি আঁকার হাতটিও ছিল চমৎকার। ছবির সমঝদার সেই মানুষটি চিঠির সঙ্গে মাঝে মাঝেই এঁকেছিলেন ছবি। সেসব ছবি ও ব্যক্তিগত স্মৃতির ঝলক মিশিয়ে এই লেখা।

→

অপ্রকাশিত কে. জি. সুব্রহ্মণ্যনের দুর্গা

সুব্রহ্মণ্যনের দুর্গায় ত্রিশূল ব্যতীত দেবী ও মানবীর মধ্যে ফারাক খুঁজে পাওয়া ভার। তিনি মনে করেন, মানুষের অন্তরে দেবত্ব আর পশুত্বের যে সহাবস্থান, সেখানেই অসুরদলনীর সারসত্যটি উদ্ঘাটিত। বাইরে থেকে আরোপিত নয়, শ্রেয় আর প্রেয়র দ্বন্দ্বে সত্য এবং সুন্দরের প্রতিষ্ঠার মধ্যেই দেবীর সত্যিকার আবির্ভাব।

→

মূঢ় নয় মূর্তি, ছবি নয় কেবলই ছবি

রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি ও ভাস্কর্য। দেশি ও বিদেশি শিল্পীরা নানা সময় এঁকেছেন তাঁর ছবি, গড়েছেন ভাস্কর্য। তাঁরা কারা? সেই ছবি ও ভাস্কর্যই বা কোনগুলি?

→

যুদ্ধের বিরুদ্ধে আঁকা ছবি

মৃত পুত্রকে জড়িয়ে ধরে জননীর সে আর্তিঘেরা ক্যাথের ছবির দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকা যায় না। ক্যাথের অজস্র ছবির মধ্যে আরেকটি– দুঃস্বপ্নের জেগে ওঠা– অন্ধকার নিশুতি রাত্রে এক অসহায় মা, আলো নিয়ে রাশি রাশি মৃতদেহ থেকে নিজের ছেলের লাশ শনাক্ত করার চেষ্টা করে চলেছে।

→

ছবি আঁকার দক্ষতা শুধু নয়, ছবির বিষয়ও জরুরি, বলেছিলেন নীরদ মজুমদার

ছবির বিষয় প্রসঙ্গে নীরদ মজুমদার বলেছিলেন– ‘দ্যাখো, কেবল ছবি আঁকলেই হল না, ছবির বিষয়টাও খুব জরুরি। বিষয় নির্বাচনেরও একটা মহিমা আছে। তোমরা আবার ভিকিরির ছবি আঁকতে যেও না, খেয়াল রেখো, সেন্টিমেন্টের বদলে ছবি যেন বিশুদ্ধ আনন্দের পরিসর হয়ে ওঠে।’

→