

বাঙালি এখন পুরোদস্তুর মেট্রোতান্ত্রিক। মেট্রো এখন কলকাতার গর্ব। এবং গর্ভ। শহরের পেটের ভেতর এফোঁড় ওফোঁড় করে রং ও রেখার কাটাকুটি। কলকাতার মধ্যে আরেকখানা কলকাতা। সারাদিন ধরে লাখ লাখ লোক এ কলকাতা থেকে সে কলকাতায় যাচ্ছে আর আসছে। রোজ দু’ বেলা তাদের সঙ্গে আমার দেখা হয়। আমি সঙ্গ করি, শিক্ষে নিই। এ পথে আমার গুরু– স্বয়ং পেছনের লোক।
এক টুকরো নকশাকাটা কাগজ। যাইবার পাস। নকশাখানা ঠিক করে দেখাতে পারলেই চিচিং ফাঁক! আপনাকে স্বাগত জানাবে কলকাতা মেট্রো।
অন্যথায়– যেতে নাহি দিব!
এ হল পাতালনগরীর সাম্প্রতিকতম সমস্যা। কাগজ দেখানোর এই চক্করে হরদম কেউ-না কেউ আটকে পড়ছেন। ট্রেন ফেল করছেন। কিন্তু কাগজ দেখাতেই হয়। না হলে ভিড় জমে যায়। ভিড়ের পিঠে ভিড়। এ সমস্ত ক্ষেত্রে একখানা চটজলদি সমাধান বাতলে দেন কেউ কেউ: ‘পেছনের লোকের সঙ্গে বেরিয়ে যান’। বোঝো! যারে তুমি পিছে ফেল, তারেই কি না শেষমেশ!
যে কোনও লাইনেই পেছনের লোক মানে সাবঅলটার্ন। সংখ্যাগুরু। তাঁকে হাতে রাখতে হয়। না হলেই ঠেলার চোটে বেলাইন। কাজেই বেরিয়ে যাই। পেছনের লোকের সঙ্গে।
পেছনের লোক এক অদ্ভুত চরিত্র। তিনি টিকিট কাউন্টারে তাড়া দেন। ভিড়ের মধ্যে গুঁতো মারেন। পিঠে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। মোবাইলের স্ক্রিনে উঁকিঝুঁকি মারেন। গোপন নাকখোঁটা দেখে ফেলেন। সিটের জন্য কোলের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়েন। ঘুরে তাকালে চোখ আকাশে তুলে রাখেন। আবার বিপদে পড়লে পার করেও দেন। কারণ পেছনের লোকেরও একজন পেছনের লোক থাকে।
ফুটবলে ‘ম্যান বিহাইন্ড’ বলে একটা কথা আছে। এখানে অবশ্য তেমন নয়। খুব প্রয়োজন না পড়লে আমরা পেছনের লোকের দিকে তাকাই না।

একটা ঘটনা বলি।
ধর্মতলায় নামব। গেট থেকে আট-দশ ফুট দূরে দাঁড়িয়ে। সামনে থইথই মানুষ। বছর শেষের হুজুগে ভিড়। অল্প গলা চড়িয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘সামনে সবাই এসপ্ল্যানেড?’
একটি পাতাও নড়ল না।
অগত্যা, আবার হাঁক পাড়লাম, ‘সামনে সবাই কালা?’
পরবর্তী অবস্থা পাঠক অনুমান করে নিতে পারেন। কারণ রূপকথার গল্পে সবটা বলা থাকে না। বলে দিতে নেই।
‘…কিন্তু নেমে পাতালেতে, কে-ই বা চায় স্বর্গে যেতে!’ অন্নদাশঙ্কর রায় লিখেছিলেন। সেই কতকাল আগে। এই যে ক’দিন আগেই আশির হ্যাংওভার নিয়ে এত আদেখলেপনা হল; আশ্চর্য! আশির কলকাতার সবচেয়ে খাস ঘটনাটার কথাই আমাদের মনে নেই। আজকের ভাষায় যাকে বলে ‘ট্রেন্ডিং’।
পেছনের লোক মনে করিয়ে দিলেন।
গোটা শহর জুড়ে শুধু গর্ত। লোকে আড়ালে বলত ‘জ্যোতিবাবুর কবর’। এখানে সেখানে খুঁড়ে তোলা মাটির পাহাড়। কাদা প্যাচপ্যাচে রাস্তা। কেটে ফেলা গাছ। উপড়ানো ট্রামলাইন। আর তুলে আনা কাঠকয়লার ধোঁয়া।
পাবে বাঙালি, পাবে!
পাঁচ আনার টিকিট। মাটির তলা দিয়ে রেল যাবে। ভবানীপুর টু ধর্মতলা। ভিড়ের বদলে সুশীতল হাওয়া। ট্রাফিক জ্যামের বদলে গতি। সব পাবে। কিন্তু তার জন্য সইতে হবে এক যুগের গর্ভযন্ত্রণা।
বারো বছর!
স্বয়ং সত্যজিৎ না কি বলেছিলেন ‘হেল রেল’।

শুনেছি, মধ্য কলকাতার ট্রাফিকে ফেঁসে গেলে ট্রাম কোম্পানির লোকজন বলতেন: যতই দেরি হোক বাবা, পাতালগাড়ির মতো বারো বছর আটকে রাখব না।
‘হেল’ প্রসঙ্গে মনে পড়ল, শুরুর দিকে বাঙালি কিন্তু খানিক ভয়ই পেয়েছিল। পারতপক্ষে এড়িয়ে চলত। যাত্রী এতই কম হত যে স্টেশনে স্টেশনে পর্দা টাঙিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। যাতে খানিক লোক টানা যায়।
এমন রসিকতাও শুনেছি: নিন্দুকের ‘ওয়ে টু ধর্মতলা অর ওয়ে টু হেভেন?’ প্রশ্নের জবাবে মেট্রো কোম্পানি জানিয়েছে– ‘উই ডোন্ট সেল টিকেট টু হেভেন ইন দিস চিপ রেট!’
আবারও। অন্নদাবাবুর পদ্য। ‘…কে-ই বা চায় স্বর্গে যেতে!’
যাই হোক। ভয় থেকেই ভক্তি আসে। বাঙালির দেবদ্বিজে ভক্তি উঠেছে, কিন্তু পাতালের প্রতি ভক্তি ক্রমবর্ধমান। এক বয়স্ক ভদ্রলোক না কি প্রথমবার মেট্রোয় ওঠার আগে জুতোজোড়া খুলে হাতে তুলে নিয়েছিলেন। ভক্তির বশে। তা নিয়ে খবরও হয়েছিল। শোনা কথা। সেসব দিন গিয়েছে। বাঙালি এখন পুরোদস্তুর মেট্রোতান্ত্রিক। মেট্রো এখন কলকাতার গর্ব। এবং গর্ভ। শহরের পেটের ভেতর এফোঁড় ওফোঁড় করে রং ও রেখার কাটাকুটি। কলকাতার মধ্যে আরেকখানা কলকাতা। সারাদিন ধরে লাখ লাখ লোক এ কলকাতা থেকে সে কলকাতায় যাচ্ছে আর আসছে। রোজ দু’ বেলা তাদের সঙ্গে আমার দেখা হয়। আমি সঙ্গ করি, শিক্ষে নিই। এবং এ পথে আমার গুরু– স্বয়ং পেছনের লোক।
গড়ের মাঠে দাঁড়ালে যে নেতাজির চেয়ে ক্ষুদিরামের দর বেশি হয়, আর ক্ষুদিরামের চেয়ে সত্যজিতের– সেকথা পেছনের লোকই আমাকে শিখিয়েছেন। তবে মনে রাখতে হবে, সবচেয়ে বেশি দর হেমন্ত মুখুজ্জের!
পেছনের লোক শিখিয়েছেন– তুমি যদি নজরুল হও, তবে উত্তমকুমারকে জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। কারণ তিনি আগে নামবেন।

নামতেই হয়। না নামলে তো ওঠা যায় না। তবে কখনও সখনও এসকালেটর খারাপ হয়ে গেলে, উঠতে গিয়ে আমাদের বুক হাপরের মতো নামা-ওঠা করে। অভ্যাস। সেই যে, কবি বলেছেন– সব পেলে নষ্ট জীবন। এসবের মাঝে দু’-একবার ঘটনার পারদ উঠে গেলে চট করে টুকে নিই।
এই তো সেদিন। তখনও বাঙালির পার্টি বদলের মাঠে নামা-ওঠা শুরু হয়নি। শহিদ দিবসের মিছিল সেরে ধর্মতলা থেকে পতাকা হাতে হন্তদন্ত হয়ে উঠলেন এক যাত্রী। মেট্রোয় অনভ্যস্ত, বোঝা যায়। গেট বন্ধ হওয়ার পর খেয়াল করলেন, ভুল করে উল্টোদিকের ট্রেনে উঠেছেন। সকাতর চোখে ভদ্রলোক যখন প্রশ্ন করছেন: ‘এটা কি কালীঘাট যাবে?’, পেছনের লোকের চটজলদি উত্তর: ‘না দাদা, এটা আলিমুদ্দিন’।
সাধে কি আর গুরু মানা!
পাতালরেলে আকাশ নেই, ফিরিওয়ালা নেই, অফসেটে ছাপানো সস্তার বিজ্ঞাপন নেই, দরজার গায়ে ‘অমুক + তমুক’ নেই, প্রাণোচ্ছল ভেন্ডর কামরা নেই। যাত্রা আছে। কিন্তু কোনও যাত্রাপথ নেই। কেবল সূচনা ও প্রস্থানবিন্দুটুকু রয়েছে। ঘাম নেই। ঘামের গন্ধ রয়েছে। ক্লান্তি নেই। অবসাদ রয়েছে। ঝাঁ-চকচকে অবসাদ। আর রয়েছে মানুষ। বিচিত্র মানুষ। মানুষের ভিড়। কিন্তু সেই ভিড়ের কোনও নিজস্ব ভাষা নেই।
ভিড়ের মধ্যে পড়লে মানুষ অন্যরকম। ভিড় আর আমি-র বাউন্ডারি সামলাতে গিয়ে তার নাভিশ্বাস ওঠে। গায়ের সঙ্গে প্রায় লেপ্টে থাকা মানুষটার দৃষ্টিও সে এড়িয়ে চলতে চায়। নিজের ছায়া দেখে, জানলার বাইরের অন্ধকার দেখে, মেট্রোর সিলিং দেখে। মনে মনে সারভাইভাল অভ্যাস করে।

আমায় এসবের হাত থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন পেছনের লোক। তিনি বরাবর ভিড় আর আমির মধ্যেকার দেওয়াল। আমি আর তিনি। তিনি আর আমি। আমরা পরস্পরকে দেখি। ভিড়কে দেখি। মুখ চাওয়াচাওয়ি করি। আর সাক্ষী বড়িলাল হয়ে সব টুকে রাখি। যে কোনও লাইনেই পেছনের লোককে থাকতে হয়। তিনি না থাকলে যাত্রাপথ বড় আলুনি। কিছু একটা ঘটলেই তিনি আমার পিঠে গুঁতো মারেন। টুকে নাও। টুকে নাও।
আমি টুকে নিই।
হয়তো আপিসফেরত দুই সরকারি কর্মচারী দরজার সামনে দাঁড়িয়ে সরকারি প্রকল্পের থোর-বড়ি-খাড়া নিয়ে রসিকতা করছেন; এক মহিলা নামবেন, প্রশ্ন করলেন: ‘সেন্ট্রাল?’, উত্তর এল– ‘না না, স্টেট গভমেন্ট!’ মহিলা: ‘তাতে কী! এখন তো সব সমান। চোদ্দতলা নবান্ন– পুরোটাই গেরুয়া!’
টুকে নিই।
কিংবা হয়তো অফিস-টাইমে প্রবল ভিড়ের মধ্যে ঘামের গন্ধে বিরক্ত হয়ে এক ভদ্রলোক যেই-না বলেছেন– ‘উফ্! একটু ডিও দিতে পারেন না!’, ভিড় থেকে উত্তর এল: ‘সরকার ডি-এ-ই দিতে পারছে না তো ডি-ও!’
সব টুকে নিই। ফসফস করে।

এক প্রৌঢ়, সহযাত্রীকে সাধুসঙ্গের মাহাত্ম্য বোঝাচ্ছেন। সাধুসঙ্গে নার্ভ ঠিক থাকে, সর্দিগর্মি হয় না, ইমিউনিটি বাড়ে। কৌতূহলী হয়ে বাকিটা শুনতে গিয়ে বুঝি– এ ‘সাধু’ আসলে ‘বৃদ্ধ সাধু’। ওল্ড মঙ্ক!
আমার এক পানাসক্ত বন্ধু অবশ্য দাবি করেছিল– মেট্রো কর্তৃপক্ষ স্ট্রেস-মুক্ত হতে মদ খাওয়ার উপদেশ দেয়। প্রমাণ? ওই যে– গেটের উপরে লেখা: ‘জরুরি অবস্থায় লিভারে চাপ দিন’।
দু’ বেলা যাতায়াতের পথে এখন সেই উপদেশ পড়ি। শিখি। জানি। জানার কোনও শেষ নেই। চলমান ইতিহাসের অংশ হয়ে বহু কথা কানে আসে।
: যা ভিড়! এ তো দেখি লোকাল ট্রেনের চেয়েও খারাপ। ছ্যাঃ!
: শুরুতে ভালো ঠান্ডা হত। এখন এসি কমিয়ে দিয়েছে। সরকার পয়সা বাঁচাচ্ছে।
: ভাড়া বাড়বে। দেখে নেবেন! এখন অভ্যেস করাচ্ছে, একদিন ট্যাক্সির চেয়ে বেশি ভাড়া দিয়ে মেট্রো চড়তে হবে।
: গায়ে উঠছেন কেন? চোখে দেখতে পান না! দেখছেন না, লেখা আছে– দরজায় হেলান দেবেন না!

গুঁতোর পর গুঁতো। আহা পেছনের লোক। তাঁরই চোখ, তাঁরই কান। দেখি-শুনি আমি। আর টুকে নিই।
এক্সটেন্ড করার পর থেকেই গ্রিন-লাইন তীর্থময়। দক্ষিণেশ্বর টু কালীঘাট। ৩৯ মিনিটের তীর্থযাত্রা। আর হালে ব্লু-লাইন বাঙালিকে দিয়েছে গঙ্গাস্নানের শর্টকাট। হাওড়া থেকে মহাকরণ যাওয়ার পথে অনেককেই দেখি, কপালে হাত ছুঁইয়ে নেন, কিংবা আঙুলে উপবীত জড়িয়ে বিড়বিড় করে মন্ত্রোচ্চারণ।
জলের তলা দিয়ে রেল যাবে। আর বাবুবিবিরা চড়বেন না! প্রথম প্রথম হুজুগে ভিড়। সবান্ধব বটখেরা কিংবা রবিবাসরীয় ফ্যামিলি আউটিং। এবং গুলগল্প। ভাগ্যিস পটলডাঙার ভজহরি মুখুজ্জে কিংবা বনমালী নস্কর লেনের ঘনশ্যাম দাস কখনও ব্লু-লাইনে ভ্রমণ করেননি! প্রথম দু’-এক মাসে হেন বাঙালি নেই যাঁরা মেট্রোর জানলা দিয়ে মাছ দেখেননি। ইলিশ, কচ্ছপ, কুমির মায় একজন তো তিমির গপ্পও দিয়েছিলেন।

তবে গঙ্গা নয়, পদ্মার ইলিশ একবার সত্যিই মেট্রো থামিয়ে দিয়েছিল।– পেছনের লোক জানালেন। এ নিছক আষাঢ়ে গপ্প নয়। সেই আশির ঘটনা। ভবানীপুর থেকে পদ্মার ইলিশ কিনে ফিরছিলেন এক ভদ্রলোক। ভিড়ের চাপে হাত ফসকে ইলিশ সোজা সিটের নিচে। এদিকে নামার স্টেশন পেরিয়ে যায় যায়। শেষে ইলিশ বাঁচানোর জন্য এমারজেন্সি চেন টেনে মেট্রো থামানো!
এ হল ইতিহাস। একেবারে হাতেগরম ইতিহাস। কে বলে বাঙালির ইতিহাসবোধ কম!
সম্প্রতি জানলাম পাতালরেল নির্মাণের নেপথ্যের এক কারিগরের কথা। গর্ব করেই সেকথা জানালেন তাঁর পুত্র। সাতের দশকের মাঝামাঝি তাঁরা না কি ভবানীপুরে থাকতেন। এবং মেট্রোর জন্য তখন সেখানে যে গর্ত করা হয়েছিল, রোজ কাকভোরে সদলবলে সেই গর্তে প্রাতঃকৃত্য সারতে যেতেন তাঁর বাবাকাকারা। ভাবখানা এরকম যে, ‘হুঁ হুঁ বাওয়া, তোমাদের ঐতিহ্যময় পাতালরেল আসলে আমার পিতৃপুরুষের বিষ্ঠায় নির্মিত!’
এ-ও তো ইতিহাস, আমি বলি– কেউ দাম দিক না দিক, ইতিহাস।
পেছনের লোক শোনেন। ঘাড় নাড়েন।
পেছনের লোক ভিড়ের ইতিহাস জানেন না। তিনি একক। অনাদি অনন্তকাল ধরে তিনি কেবলই পেছনের লোক। এটুকুই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান। এটুকুই তাঁর সমাজবাস্তবতার ইতিহাস। ভিড়ের মধ্যেকার মানুষের একক ইতিহাস। যে ইতিহাস মানুষকে বালির কণার মতো ক্ষুদ্র করে তোলে, অবয়বহীন ছায়া করে তোলে।

একখানা ঘটনা বলে শেষ করি।
মেট্রোর এক সিকিওরিটি গার্ড একবার এই ঘটনাটা বলেছিলেন আমাকে। তাঁর চোখে দেখা। সুইসাইডের আগে, নিজের মোবাইল, ঘড়ি খুলে আলতো করে বেঞ্চে রেখে গিয়েছিলেন এক বৃদ্ধ। শেষ অবধি ঝাঁপ দিতে পারেননি। সাহস হয়নি। সাময়িক উত্তেজনা চিৎকার আর্তনাদ ধরপাকড় ভয় শোক সান্ত্বনা ইত্যাদি মিটলে তাঁর মোবাইল আর ঘড়ির খোঁজ পড়ে।
আশ্চর্য! সে দু’টি আর পাওয়া যায়নি।
ফুটবলে ‘ম্যান বিহাইন্ড’ বলে একটা কথা আছে। ওই যে বলছিলাম– পেছনের লোকেরও একজন পেছনের লোক থাকে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved