সকলের ছোট হওয়ায় দিদির ভালোবাসা আমি বরাবরই একটু বেশি পেয়েছি। ছোটবেলা থেকেই সকলে আমাকে ডাকত ‘ছোট্ট মোহর’। আমিও নিজেকে তাই ভাবতাম। দিদির মুখে শুনেছি, কেউ আমাকে নাম জিজ্ঞেস করলেই, আমি নাকি বলতাম– ‘আমার নাম কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়’।
খাতা দেখে গান গাওয়ার ব্যাপারে প্রচণ্ড বিরোধিতা ছিল অর্ঘ্য সেনের। রবীন্দ্রসংগীত দেবব্রত বিশ্বাসের কাছে শিখলেও রেকর্ড জগতে ট্রেনিং নেন শুভ গুহঠাকুরতা, সন্তোষ সেনগুপ্ত, শৈলেন মুখোপাধ্যায় ও সুচিত্রা মিত্রের তত্ত্বাবধানে। তাঁর মঞ্চাভিনয়ের পরিচালকরা ছিলেন শম্ভু মিত্র ও ঋত্বিক ঘটক।
রবীন্দ্রনাথের বলা ‘চিরদিন আমি পথের নেশায় পাথেয় করেছি হেলা’ তাঁর জীবনেও সত্যি। গান নিয়ে পথ চলেছেন, পাথেয় নিয়ে কোনওদিন ভাবেননি। মনে করতেন, রবীন্দ্রনাথ যে-কথা বলছেন গানে, সে যেন আমারও বলার কথা, মনের কথা– এই ভাবনা নিয়ে গাইলে তবেই সে-গান শ্রোতাকে স্পর্শ করবে।
সত্যজিৎ রায় যেভাবে গানকে দেখেছিলেন, তার বিপরীতধর্মী অবস্থানে ছিলেন ঋত্বিক ঘটক। আজ, ৪ নভেম্বর, ঋত্বিক ঘটকের ৯৮তম জন্মদিন।
বস্তুতপক্ষে আমরা সেই প্রজন্মের মানুষ, গর্ব না-লুকিয়েই বলি, অন্যরা আমাদের ঈর্ষা করতেই পারো; কারণ আমরা দেবব্রত বিশ্বাসকে সামনে বসে গান গাইতে শুনেছি। ইউনিয়নের পান্ডা ছিলাম বলে তাঁকে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচুর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করে এনেছি, চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউর হিন্দুস্থান বিল্ডিংয়ে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দর-কষাকষি করেছি। তিনি চল্লিশ টাকা চেয়েছেন, তো আমরা বলেছি পঁয়ত্রিশের বেশি দিতে পারব না।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved