

নবাবদের প্রিয় আমগুলির মধ্যে অন্যতম আনারসের সুবাস ভরা ‘আনানাস’। আর একটি পছন্দের আম ‘রানি পসন্দ’ নামকরণ করেছিলেন বাংলার শেষ নবাব নাজিম মনসুর আলি খান ফেরাদুন জাঁ-র দেওয়ান প্রসন্ন নারায়ণ দেব। নবাবি আমলের গোড়ার দিকের সেরা জাতের আমগুলির মধ্যে আকর্ষণীয় ছিল আলিবর্দি খানের বাগানের ‘বিমলি’– কথিত আছে বাগানের মালি তাঁর পত্নীর নাম অনুসারে আমটির নাম দিয়েছিলেন।
মহিলা রাজনীতিবিদ হলেই তার প্রেম, যৌনতা বা চুম্বন নিয়ে অনায়াসে বক্তব্য রাখা যায়, যা একজন পুরুষ নেতার সম্পর্কে আমাদের মাথাতেও আসে না। মোদি-মেলোনি মিম, তাদের বারান্দা-সেলফি বা জেলেনেস্কির সাথে আলিঙ্গন আবারও একবার প্রমাণ করিয়ে দেয় যে, আমরা সকলেই আদতে একটা মেল গেজের মধ্যে রয়েছি।
সম্প্রতি একটি দু’-অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ বাংলার নিউজাকাশে প্রবল উৎসাহে উড়ে বেড়াচ্ছে। বিবিধ জ্ঞানসূত্র অনুযায়ী, তার মানে একটাই। পশ্চাদ্দেশ। অনেকের মতে, সেটি এসেছে ‘সত্য’ থেকে। সোজা ব্যাপার, জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এটি তাপ সংযোগের প্রক্রিয়া অর্থাৎ প্রয়োজনে ঘটি গরম রাখা হবে।
লস অ্যাঞ্জেলেস। ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। আমেরিকান পপগায়িকা কেটি পেরির চুমু যেন শেষ হতেই চায় না কানাডার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডোর গালে। সমস্ত বিশ্বের ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ল সেই আহেলি সোহাগ।
‘গার্ডিয়ান’ পত্রিকার সিনিয়র স্পোর্টস রিপোর্টার এই বিশ্বকাপকে বলছেন, ‘ট্রাম্পের বিশ্বকাপ’। ইরানি ফুটবলারদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, সেখানকার ফুটবলপ্রেমীদের আমেরিকায় ঢুকতে না দেওয়া, ‘আতঙ্কবাদী’ বলে দাগিয়ে দেওয়া, মুসলিম ও আফ্রিকান রেফারিকে নাকাল করা বুঝিয়ে দিয়েছে, এবারের বিশ্বকাপ বর্ণবিদ্বেষবাদ, যুদ্ধ বা পক্ষপাতদুষ্টতাকে সঙ্গে নিয়েই চলবে।
ইরানের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এই মুহূর্তে দুনিয়াজুড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালী। হরমুজের দখলদারি ঘুচিয়ে নিজস্ব প্রতিপত্তি প্রতিষ্ঠা করতে আমেরিকা লড়ছে ইরানের সঙ্গে। আর তার জেরে বিশ্ব বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম ও সংকট হু হু করে বেড়ে চলেছে।
ম্যাসাচুসেট্সের ফেডারেল ইমিগ্রেশন আদালতগুলোতে প্রতি সপ্তাহে এক অস্বস্তিকর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। সেটা হল অভিবাসী শিশুদের, প্রায়ই তাদের বাবা-মা ছাড়া, বিচারকদের সামনে হাজির হতে হচ্ছে নিজেদের বহিষ্কারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য। বাচ্চাগুলো কী বুঝছে, কতটা বুঝছে, বোঝা যায় না– বসে থাকে আইনজীবীদের অফিসে পাথরের মতো নিরাবেগ মুখে।
ইরান মার্কিন স্যাংশানে। অথচ তারপরেও সেই স্যাংশনকে টপকে তেল ঠিক বিক্রি করে গেছে তারা। কিশ দ্বীপে খুলে ফেলেছে পেট্রল এবং পেট্রোলিয়াম জাত পণ্যের ডলার-বহির্ভূত বাণিজ্যের জন্য কমোডিটি এক্সচেঞ্জ– ইরানিয়ান অয়েল বোর্স। রাশিয়া এবং চিনের সঙ্গে পেট্রো-ডলার বিরোধী ব্লক তৈরি করেছে।
নোবেল শান্তি পুরস্কার কি হোয়্যাটঅ্যাপের চুটকি? চাইলেই ফরোয়ার্ড করে দেওয়া যায়? একবাটি মুড়িঘণ্ট? এ-বাড়ি ও-বাড়ি চালান করা সম্ভব? রথের মেলায় নাছোড়বান্দা বায়না করে পাওয়া টিয়াপাখি? কলুটোলা যুবকবৃন্দের বার্ষিক প্রতিযোগিতার ট্রফি? অথবা কোনও ট্রেন্ডিং বাংলা সিরিয়াল?
এখন সার্বভৌমত্ব, অন্যান্য মানুষ বা দেশের মতামত, আন্তর্জাতিক আইন সমস্ত কিছুই শব্দবন্ধ মাত্র। প্রশ্ন হচ্ছে, ক্ষমতার এই প্রবল আগ্রাসী পদক্ষেপ কালকের পৃথিবীর জন্য স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়াবে না তো?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved