

অসমের বন্যার কারণ অনুসন্ধান করতে গেলে শেষপর্যন্ত আমাদের ব্রহ্মপুত্রকে বুঝতে হয় শুধু একটি নদী হিসেবে নয়, বরং হিমালয় থেকে বঙ্গীয় বদ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি জীবন্ত, পরিবর্তনশীল ভূ-প্রাকৃতিক ব্যবস্থা হিসেবে। নদীকে আটকানোর চেয়ে নদীকে বোঝা, তাকে প্রয়োজনীয় স্থান দেওয়া এবং তার পরিবর্তনশীলতার সঙ্গে মানুষের জীবনকে অভিযোজিত করাই অসমের দীর্ঘমেয়াদি বন্যা মোকাবিলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ।
গত তিন শতক ধরে বদলেছে বন্যার চরিত্র। উনিশ শতকের বন্যা ছিল প্রাকৃতিক, নদী প্লাবিত হয়ে। বিশ শতক থেকে মানুষের নদী-নিয়ন্ত্রণ শুরু। একুশে নগরায়ন। ফলে বন্যার চরিত্র এখন আরও জটিল। ভারী বৃষ্টিপাতজনিত নগর-বন্যা ক্রমশই ক্ষতিবৃদ্ধিকারী, কর্মনাশা হয়ে উঠছে। এর সমাধান কী?
এ বছরের জল দেখে অনেকেই ১৯৬৮ সালের তিস্তার বিধ্বংসী বন্যার কথা মনে করছেন। সে সম্ভাবনা কি মিথ্যা? রায়ডাক নদী, যা ভুটানে ‘ওয়াঙচু’ নামে পরিচিত, সেখানে তৈরি টালা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ড্যামের ওপর দিয়ে জল যাচ্ছে। লকগেট খোলা যাচ্ছে না, কারণ জলের চাপ এতটাই বেশি যে লকগেট খোলার মেকানিজম কাজ করছে না।
যত আপনার আসা-যাওয়া বাড়ল, আপনার কথা শুনে বন্ধুদের আসা-যাওয়া বাড়ল, তার কথা শুনে তার বন্ধুদের আসা-যাওয়া বাড়ল, নির্জন জায়গাটি আর ‘নির্জন’ থাকল না।
এখন যা পড়ে রইল তা অজস্র বইয়ের কঙ্কাল। তার হোমও নেই, যজ্ঞও নেই। এমনকী, কেজি দরে বিক্রির ভবিষ্যৎ নেই। সুরাহার পথ আপাতত কী? কে দাঁড়াবেন এই দুঃসময়ে? সরকার? গিল্ড? স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন? হঠাৎ তৈরি করা কোনও ক্রাউড ফান্ড?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved