Robbar

Photography

প্রতিবাদের মুহূর্তকথা

বিক্ষোভ-বিদ্রোহের কোনও শীর্ষচূড়া হয় না, যেখানে পৌঁছে গেলেই লিখে ফেলা যায় ‘We won’। জয়ের জন্য এই পৃথিবীতে কোনও বিদ্রোহ বোধহয় আয়োজিত হয়ও না। বিরুদ্ধাচরণ এক ধরনের যাত্রা, যা শুধু দাঁড়িয়ে থাকে শাসককে প্রশ্ন করার মধ্যে দিয়েই। সেই ইতিহাস যতখানি লিখিত নথি, ঠিক ততখানিই জরুরি সেই ইতিহাসের ছবি।

→

মুহূর্ত অস্তিত্ব ছবি

‘Palermo Shooting’ এবং ‘Blow-Up’ চলচ্চিত্র– দুই নিরাসক্ত আলোকচিত্রীর জীবন নিয়ে। ফটোগ্রাফির যান্ত্রিকতা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য উভয়েই মরিয়া। দিনের পর দিন, একই রকমের ছবির ভিড়ে, তারা আর নিজেদের অস্তিত্ব খুঁজে পাচ্ছে না। আমাদের সকলের মতো: তাদেরও কাঙ্ক্ষিত: মুক্তি।

→

নষ্ট নেগেটিভ ফেলতেন না, ব্যর্থতাও সঙ্গে থাক

রঘুর একটা কথা মনে আছে: আমি নষ্ট নেগেটিভ রেখে দিই। ফেলে দিই না। ওগুলো আমার ব্যর্থতার চিহ্ন। রঘুর মৃত্যুর পরে তার এই কথাটা আমার মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। রঘুর কিছু ব্যর্থ নেগেটিভ থেকে ছবি করে যদি কোনওদিন প্রকাশ করা যায়?

→

কেবলই ‘ছবি’ নয়

পোর্ট্রেট তুলতেন কম, অধিকাংশই ওয়াইড ফ্রেমের ক্যানডিড। ২৪-৭০ বা ২৮-৭০ এই লেন্সই উনি ব্যবহার করতেন। বেশিরভাগ ছবিই ওয়াইড ফ্রেম, লং লেন্স নিয়ে ঘুরতেনই না। সবসময় একটাই লেন্স দিয়ে সব কাজ করে সময় সাশ্রয় করতেন।

→

ভারত ফোটোগ্রাফারদের স্বর্গ, বিশ্বাস করতেন রঘু রাই

নব্বই সালের আশপাশে ওঁর একটা কলকাতার ওপর বই বেরয়। পরে আবারও আরেকটা! তখন আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘আবার কলকাতা?’ বলেছিলেন, ‘কলকাতা আশ্চর্য শহর। সবার পরিবর্তন হয়। এ শহরের পরিবর্তন হয় না।’

→

তরুণ ফোটোগ্রাফারদের বর্ণপরিচয় রঘু রাইয়ের ছবি

বিশিষ্ট ফটোগ্রাফার রঘু রাইয়ের জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ।

→