Robbar

Sangbad Pratidin Robbar

ডানহাতিদের উপত্যকায় বাঁহাতির সফল দাদাগিরি

যে দেশে ক্রিকেট ধর্ম, সেই ক্ষেত্রয় শুধুমাত্র একজন বাঁহাতি ও বাঙালি প্লেয়ার হয়ে সৌরভ গাঙ্গুলির আবির্ভাব ঘটেছিল বলে কত শুচিবাই, কত ট্যাবু, কত অসূয়া, কত সংস্কার ও তার জগঝম্পের ইতি না ঘটলেও তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, তা নিয়ে গবেষণা করলে ক্রিকেটের এক অন্যতর সামাজিক বীক্ষণ কি উঠে আসবে না?

→

মৃত্যুর পর ইতিহাস কাউকেই মনে রাখে না, বিশ্বাস করতেন জ্যোতি বসু

জ‌্যোতিবাবুর ক‌্যারিশমা ছিল। মানুষকে মোহিত করে রাখার ক্ষমতা ছিল। কিন্তু তবু অধিকাংশ বাঙালি তাঁকে আজও শুধু রাজ‌্যের অবনমনের জন‌্য চিহ্নিত করে। আজ জ্যোতি বসুর জন্মদিন।

→

১১ হাজার কেজি! রোহিতদের সংবর্ধনার ফলশ্রুতি ‘এত্তা জঞ্জাল’

বৃহস্পতিবার রাতেই কাজ শুরু করেন বৃহন্মুম্বই পুরসভার কর্মীরা। চলে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত। মেরিন ড্রাইভ থেকে সংগ্রহ করেন ‘মাত্র’ ১১,৫০০ কেজি জঞ্জাল!

→

কবে আছি, কবে নেই..

সেতু মানে তো একদিকের সঙ্গে অন্যদিককে আঁকড়ে ধরা উন্নয়নও। তার সলিলসমাধি ঘটছে, প্রতিদিন। বিহার তা রাজ্যের নাম মাত্র। হতে পারে তা যে কোনও দিন, যে কোনও জায়গায়। আট লেন ন্যাশনাল হাইওয়ের সুখ মেশানো আচ্ছে দিন হোঁচট খায়। জেগে ওঠে। হোঁচট খায় ফের।

→

এক কুমোর পণ্ডিতদের নাজেহাল করেছিল বলে জায়গাটির নাম ‘কুমারহট্ট’

আজও রামপ্রসাদের ভিটায় গেলে চোখে পড়বে এক স্মিতহাস্য দিক উজ্জ্বল করে দাঁড়িয়ে আছেন জগদম্বা ভবানী মূর্তি। কিন্তু সেটি রামপ্রসাদের পূজিত মূর্তি নয় জেনেও ভক্তেরা রামপ্রসাদ আর তাঁর ভক্তিরসে মজে আধ্যাত্মিক আনন্দে পূর্ণ হয়ে ওঠেন।

→

মৌমাছির থেকে মানুষ যা যা শিখে নিতে পারে

একটা মৌচাকে ৬০ হাজার মৌমাছি বাস করতে পারে! ডাকুন তো দেশের সেরা আর্কিটেক্টকে, বানিয়ে দিক একখানা বহুতল, ৬০ হাজার বাসিন্দার জন্য। অত সোজা না! মৌচাকের কুঠরিগুলো ছয়কোনা। স্কেল-কম্পাস ছাড়া পারবেন একটা নিখুঁত ষড়ভুজ আঁকতে?

→

বিভিন্ন মতাদর্শের কণ্ঠস্বরে ফের জমজমাট সংসদ

১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে গণপরিষদে দেওয়া জওহরলাল নেহরুর ‘আ ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’ ভাষণ চিরকালীন ভাইরাল। এ বার সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হল লোকসভায় মধ্যরাতে দেওয়া জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ বিমল আকোইজমের ভাষণ।

→

সাদা মানুষদের চোখে চন্দননগরের নাগরিকেরা ছিলেন অবজ্ঞার পাত্র

১৭৯৩-তে ফরাসি বিপ্লবের সূত্র ধরে আবার ফরাসিদের হাতছাড়া হয় চন্দননগর। মোট চারবার ইংরেজদের অধীনে থাকার পর ১৮১৬ থেকে ১৯৫০ পর্যন্ত শহরটি ছিল ফরাসিদের দখলে।

→

যে তাঁত বুনেছে রক্তপতাকা

শান্তিপুরের সাহাপাড়া হল তাঁতিদের পাড়া। যে বাড়ির ঠিকানা ছিল সেখানে গিয়ে কালাচাঁদ দালালের খোঁজ করতে অতীব সাধারণ চেহারার যে মানুষটি বসে তাঁত চালাচ্ছিলেন, বললেন যে তিনিই কালাচাঁদ। অজয় চমকেছিলেন বটে! একজন তাত্ত্বিক, দাপুটে নেতাকে তিনি এভাবে মোটেই কল্পনা করে আসেননি।

→