Robbar

Sangbad Pratidin Robbar

যেসব জীবন জড়িয়ে রয়েছে মহুয়া গাছের ফুলে-বাকলে

এপ্রিলের প্রথম ২-৩টি সপ্তাহ মহুয়ার মরশুম, এই সময়ে মহুয়া কুড়ানিরা প্রায় ২০০ কেজি ফুল জোগাড় করে।

→

যে পাওয়ার স্বাদ পেলে মৃত্যুভয় চলে যায়

একদিকে অনেককে হারিয়েও আর একদিকে এককে পাওয়া যায়– এই কথাটি জানার সুযোগ আমাদের জীবনেই ঘটে।

→

শান্তিনিকেতনের রাস্তায় রিকশা চালাতেন শর্বরী রায়চৌধুরী

কলাভবনের ক্লাস হোক, বাড়িতে হোক, লম্বা দাড়িতে সেই ফুল আলগোছে লেগে থাকত।

→

আমাদের কী করণীয় ছিল, তা দামিনী ও তিতাসের কাছে শুনতে ও পূরণ করতে আমি প্রস্তুত

দামিনী, তিতাস, অরুন্ধতী– তিনজনের বয়ানে বাংলা থিয়েটারে দীর্ঘ পরম্পরাগত একটি দুরাচার এই প্রথম নথিবদ্ধ হল, চিহ্নিত হল বাংলা থিয়েটারের ইতিহাসে।

→

চার্লির মতো আমরাও কিন্তু যন্ত্রের পেটেই আছি

‘মডার্ন টাইমস’-এ স্ক্রু ঢিলা চার্লির মনে হচ্ছিল জগৎটাই একটা বিশাল যন্ত্র। এটা সত্যি বলতে কী, দিব্যদৃষ্টির মুহূর্ত। আমাদের এই দিব্যদৃষ্টির মুহূর্ত আসবে যখন আমরা বুঝব যে, বিপন্ন এই গ্রহে আমরাও একইভাবে অস্তিত্ব নামে একটা ভার্চুয়াল যন্ত্রের অন্তর্গত। এবং তখন হয়তো সেই যন্ত্রে আমরা চার্লিসম ব্যাঘাত ঘটাতে পারব!

→

সেমিকোলন ব্যবহারের ব্যাকরণ ভেঙেছিলেন জীবনানন্দ দাশ

জীবনানন্দ দাশ যেখানে যেখানে যতিচিহ্ন তথা সেমিকোলন ব্যবহার করেছেন, নিজের শর্তে করেছেন, নিজের যুক্তিক্রমে ব্যাকরণের শৃঙ্খল ভেঙেছেন, চিহ্নকে করে তুলেছেন অক্ষরের মতো শব্দের মতো বাঙ্ময়।

→

রবীন্দ্রনাথ কি আড্ডা মারতেন?

বুদ্ধদেব বসু তাঁর ‘আমার যৌবন’-এ কিংবা অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত তাঁর ‘কল্লোলযুগ’-এ তরুণ সাহিত্যমোদীদের যে আড্ডা দেওয়ার বিবরণ দিয়েছেন তেমন আড্ডা থেকে রবীন্দ্রনাথ দূরে থাকতেন।

→

মস্কোয় অনুবাদচর্চার যখন রমরমা, ঠিক তখনই ঘটে গেল আকস্মিক অঘটন

দেশের আমজনতার রুচি ও চাহিদার নিয়ম মেনে ‘প্রগতি’ ও ‘রাদুগা’ থেকে দেশের অগণিত পাঠকদের জন্য বিদেশি ভাষা থেকে সস্তার রগরগে নভেল, ডিটেকটিভ উপন্যাস ইত্যাদি রুশ অনুবাদে প্রকাশিত হাতে লাগল।

→