রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্মশানযাত্রা যখন শ্মশানে এসে পৌঁছয়, তখন আরও একটি মৃত্যু যন্ত্রণার কথা সেদিনের শ্মশানের বাতাসে মিশে গিয়েছিল।
প্রতিটি গ্রামে নিজস্ব শ্মশান আছে। সেই শ্মশানের মোটামুটি দু’টি ভাগ; একটি ব্যক্তিগত। অপরটি 'সাজারে' বা সর্বজনীন। ব্যক্তিগত শ্মশানে নির্দিষ্ট বংশ পরম্পরায় দাহ করা নিয়ম। সাজারে শ্মশানে গ্রামের সব শ্রেণির অধিকার।
একমাত্র শ্মশানে গেলেই এই ধরনের বৈরাগ্য সাময়িকভাবে মানুষের ওপর চেপে বসে। কিন্তু এরাই বাড়ি ফিরে গেলে পরপর দু’দিন যদি প্রাতঃকৃত্যের সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে তখন এরা ওই শ্মশানে যাওয়াটাকেই দায়ী করবে।
নানা ধরনের ভৌতিক চরিত্র যেমন, শাঁকচুন্নি, মামদো, মেছোভূত, পানভূত, পিশাচ, কবন্ধ, একনড়ি আজও অনেকের কাছে জীবন্ত চরিত্র।
সৃজনশীল কাজ, যেমন চিত্রকলা এবং ভাস্কর্য ইত্যাদিতে নিম্নমানের কাজ বা অদক্ষতার কারণে বর্জ্য উৎপাদন অনেকাংশে বাড়তে পারে। এটি শুধু শিল্পীদের অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে না, বরং উপকরণের অপচয়, পরিকল্পনার অভাব এবং বাজারের চাপের ফলে ঘটে।
আজও যখন সেই ছবির গান বাজে, মনে হয় জেগে ওঠে জলের জীবন। ‘ও গঙ্গা’ শোনা মানে নদীর বুক ছুঁয়ে যাওয়া। যেন জীবনকেই ডাকছে এ-গান।
বহুলপ্রচারিত একটি পাক্ষিক পত্রিকায় অনেক বিজ্ঞ সমালোচক লিখেছিলেন, অভিজ্ঞতা থেকে উপাদান কুড়িয়ে আমি গল্প লিখি বলে আমি নাকি ‘তারাশঙ্কর সমগোত্রীয়’। তারাশঙ্কর হিমালয়। আমি নিতান্ত উইঢিপি। লিখেছিলেন সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ।
‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’-এর শেষে সেই মিশ্রবর্ণের কন্যাটি হয়ে যায় আমেরিকার আত্মা। তার পিতা কে হবে? একজন ফ্যাসিস্ট বর্ণবিদ্বেষী? নাকি একজন পরাজিত বিপ্লবী, যে এখনও মনে করে যে দেশ ইমিগ্রেন্টদের দিয়েই তো তৈরি হয়েছিল নবপর্যায়ে।
শিল্পী সাবা হাসান বলছেন, ঘাস, সুতো, ছোট ছোট পাথর, কফি, গাছের ছাল, কখনও শিকড়, ফেব্রিক, পোড়া বইয়ের ছাই– সকলে মিলে নির্মাণ করেছে অনন্য একেকটি অক্ষর। স্বাধীন সেইসব অক্ষর, ফের একবার উড়ে যাচ্ছে, জুড়ে বসছে, ধারণ করছে বই।
যে পুরুষ সাংবাদিকরা সেদিন ভিতরে বসেছিলেন, তাঁদের অনেকেই পরে সমালোচনামূলক পোস্ট লিখেছেন– কিন্তু তখন, সেই মুহূর্তে, কেউ হাঁটেননি বাইরে। হয়তো পেশাদার নীরবতাই তাদের শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved