Robbar

Sarada Devi

গোপালের মা: বাংলার অবহেলিত আধ্যাত্মিক স্মৃতি

উনিশ শতকের আটের দশকে সাধক হিসেবে শ্রীরামকৃষ্ণের খ্যাতি দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়েছিল। অঘোরমণি তাঁর সঙ্গে দেখা করার তাগিদ অনুভব করলেন। ১৮৮৪ সালের এক শরৎকালের বিকেলে, গোবিন্দ দত্তের আত্মীয়ার সঙ্গে তিনি দক্ষিণেশ্বরে গেলেন। তখন তাঁর বয়স প্রায় ৬২। গুরুর চেয়ে ১৪ বছরের বড়।

→

‘গোমাতার সন্তান’ বনাম স্বামী বিবেকানন্দ!

এই বাংলায় সেই কোন কালে জয়রামবাটি নামের এক অজ পাড়া-গাঁয়ে সারদামণি নামের এক বামুনের বিধবা আমজাদ নামের এক মুসলিম জোলার এঁটো পাত কুড়িয়ে তাঁকে সন্তানের সম্মান দিয়েছিলেন, এই কথাটি ভুলে গেলে চলবে?

→

মণীন্দ্রই হয়ে উঠেছিলেন দেবারতির জীবনের কবি শ্রীরামকৃষ্ণ

মণীন্দ্র গুপ্তের মৃত্যুশোক সহ্য করতে করতে দেবারতি এই বিশ্বাসে চিরকাল স্থির থেকেছেন, তিনি আছেন। কেননা, দেবারতি আছেন বলেই মণীন্দ্র আছেন। সারদা আছেন বলেই রামকৃষ্ণ আছেন। পার্বতী আছেন বলেই শিব আছেন। সবাই অখণ্ড। সবই অখণ্ড। শিব-পার্বতীর যুগলকে মেনে রামকৃষ্ণ-সারদার বিবাহ তাই দেবারতির কাছে কবিতা।

→

মেয়েদের দুর্গা আঁকাতে গিয়ে অসুরের জায়গায় ইংরেজকে বসিয়েছিলেন নিবেদিতা

নব্যবঙ্গীয় চিত্রকলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসাবে ‘প্রবাসী’ আর ‘মর্ডান রিভিউ’-এর পাতা ভরে উঠেছিল তাঁর লেখা চিত্র-পরিচিতিতে। অবনীন্দ্রনাথ ভারতমাতার ছবি আঁকলে, সেটি ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন ভগিনী নিবেদিতা। তাঁর মনে হয়েছিল, এটি নতুন ভারত নির্মাণের লক্ষ্যে ভারতীয় শিল্পভাষায়, দেশের মানুষের জন্যে আঁকা ছবি।

→

শেষ নাহি যে শেষ কথা কে বলবে

মৃত্যু সম্পর্কে শ্রীরামকৃষ্ণ কী ভাবতেন, সে কথা নানা সময় বলে গিয়েছে নানা জনের সঙ্গে আলাপে-সংলাপে। আজ শ্রীরামকৃষ্ণর মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ শ্রীরামকৃষ্ণর মৃত্যুভাবনা নিয়েই।

→