Robbar

মিলানের তিন টিউলিপ

Published by: Robbar Digital
  • Posted:May 5, 2026 6:10 pm
  • Updated:May 5, 2026 6:10 pm  

এখনও কতটা বন্ধু আপনারা? শেষটুকু আরেকটু ভালো হতে পারত? ট্রায়োর আলো বড় দ্রুত শেষ হয়ে গেল না কি? ‘সেম্প্রেমিলান’ মিডিয়া থেকে একটি সাক্ষাৎকারে বাস্তেনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। হেসেছিলেন ষাটোর্ধ্ব মানুষটি। বিষাদ উড়িয়ে দিয়েছিলেন: “I’m always happy when I have these two friends close by. We still see each other, we eat together, we play golf. We talk about everything…”, একটু থেমে বলেছিলেন– ‘and we talk about Milan…’

অনির্বাণ ভট্টাচার্য

৮.

১৯৫৭। সুরিনাম থেকে অর্থনীতির শিক্ষক জর্জ চলে এলেন সাড়ে চার হাজার নটিকাল মাইল দূরের নেদারল্যান্ডে। সঙ্গে মিস্ট্রেস রিয়া এবং প্রাণের বন্ধু সুরিনামী ফুটবলার হার্মান। ভাগ্যান্বেষণের ডায়াস্পোরার হাজারো ইতিহাসের ভেতর এই ঘটনায় অস্বাভাবিকত্ব কিছু নেই। সমাপতন, আশ্চর্য দুই বন্ধুর উত্তরসূরিতে। জর্জের ছেলে ‘ব্ল্যাক টিউলিপ’ রুড, রুড গুলিট এবং হারমানের ছেলে ফ্রাঙ্কলিন এডমুন্ডো, সংক্ষেপে ফ্রাঙ্ক রাইকার্ড। ’৬২-র ১ নভেম্বর গুলিট পৃথিবীতে এসেছিলেন এবং বছরখানেক পর সেই সেপ্টেম্বরেই (৩০) এলেন বাস্তেন। সমাপতনে দু’জনই ছোটবেলার বন্ধু, পিতাদের লেগ্যাসি এবং রক্তে পায়ের ম্যাজিক। জুটির জন্ম তাই খেলা শুরুর আগের সেই মাইগ্রেশনের ইতিহাস থেকেই। শহরতলির গলিতে গলিতে দু’জনের নিজস্ব খেলাচ্ছলে কাটানো দিনগুলি থেকেই। এই দু’জনের বাইরে তৃতীয়জনের কথা আরেকটু পরে…

রুড গুলিট এবং ফ্রাঙ্ক রাইকার্ড

এইচ.এফ.সি হারলেম, ফেনুর্ড, পি.এস.ভি হয়ে ’৮৭-র এসি মিলানে যোগ গুলিটের, ঠিক যে সন্ধিক্ষণে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে ব্যালন ডি’ওরের পালক অসম্ভব প্রতিশ্রুতিমান কোঁকড়ানো চুলের তরুণের। পরে সাম্পাদোরিয়াতে চলে যাওয়ার আগে সাত-সাতটা বছরের সময়। অন্যদিকে রাইকার্ডের শুরু স্যর রেনাশ মিশেল-খ্যাত আয়াক্স দিয়ে, ’৮০ থেকে ’৮৭ পর্যন্ত সাত বছর পর স্পোর্টিং সিপি এবং রিয়েল জারাগোজা হয়ে ’৮৮-তে মিলানে এলেন কিছুটা বন্ধুর টানেই। ’৯৩-’৯৪ মরশুমে ফিরে গেলেন সেই আয়াক্সে। এবং এখানেই তৃতীয় সত্তা। মার্কো ভ্যান বাস্তেন। সামান্য অনুজ সুদর্শন বাস্তেনের জন্ম ’৬৪-র ৩১ অক্টোবর, ডাচ শহর উলট্রেক্টে। ’৮১-’৮২ মরশুমে ১৬ বছরের টগবগে জোয়ান বাস্তেনকে লুফে নিল আয়াক্স। ৩ এপ্রিল প্রথম ম্যাচে কিংবদন্তি ক্রুয়েফের পরিবর্ত হিসেবে নামলেন। ’৮৩-’৮৪ থেকে ’৮৬-’৮৭– পরপর চার বছর ডাচ লিগে টপ স্কোরার বাস্তেন। এবং এই চার বছরের মাথাতেই টার্নওভার। আয়াক্স থেকে এসি মিলানে যোগ, এবং এই ’৮৭-ই বার্লুসকোনির মিলানের সেই ঐতিহাসিক বছর।

মার্কো ভ্যান বাস্তেন

হ্যাঁ, এই ’৮৭-ই টার্নিং পয়েন্টের বছর। প্রেসিডেন্ট সিলভিও বার্লুসকোনির নেতৃত্বে দলের খোলনলচে বদলের সিদ্ধান্ত, সামনে কোচ আরিগো সাক্কি, যার প্রথম ফসল মার্কো ভ্যান বাস্তেনের রিক্রুটমেন্ট। সেই বছরই সমাপতনে মিলানে এসেছেন রুড গুলিট। রাইকার্ড এলেন পরের বছরে। এমন একসময় যখন মাত্র তিনজন বিদেশিকে রিক্রুট করার আইন জারি আছে। এবং ঠিক এই সময় তিন বিদেশিই সমাপতনে ডাচ। তৈরি হল কমলা রঙের ট্রায়ো, তৈরি হল ইতালীয় ‘ট্রে টিউলিপানি’, যার ইংরিজি অর্থ দ্য ‘থ্রি টিউলিপস’। আট নম্বর জার্সির ডিপ লায়িং ডিফেন্সিভ মিডমিল্ডার রাইকার্ড এবং ন’ নম্বর স্ট্রাইকার-কাম-অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বাস্তেনের পাশে আইকনিক দশ নম্বর শার্ট প্লেমেকার গুলিটের। তিন ভয়ংকর ডাচ তরুণের অলৌকিকের রিক্রুটমেন্ট। কোচ সাক্কির সঙ্গে বোঝাপড়া। ডিফেন্সে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ঘরের ছেলে বারেসি-মালদিনি। পরিণতিতে মিলান ইতিহাসের দিকে ছুটল, সামনে শুধু গোল গোল আর গোল। 

‘ট্রে টিউলিপানি’ বা ‘থ্রি টিউলিপস’

তীব্র গতি, শারীরিক দক্ষতা, দু’ পায়ে চমৎকার শট নিতে পারার ক্ষমতা এবং এরিয়াল বলে একের পর এক নিখুঁত হেডার– মাকো ভ্যান বাস্তেনের সংজ্ঞা। দুর্দান্ত ড্রিবলার, অধিনায়কোচিত রুড গুলিট অনেকটাই প্লে-মেকার। যথাযর্থ নম্বর টেন। পাশাপাশি কিছুটা পেছন থেকে খেললেও মাঠে অনেকটা জায়গা জুড়ে থাকা ভীষণভাবে তিনকাঠি চেনা ফ্রাঙ্ক রাইকার্ডের যোগ্য সঙ্গত। তিনজনে মিলে মিলানের যৌথ সাফল্যের গ্রাফ কীরকম? তিনবার ঘরোয়া সুপার কাপ, দু’বার ইউরোপিয়ান সুপার কাপ, দু’বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, দু’বার ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ। ’৮৮-’৮৯-এর সেই ফাইনাল। একসঙ্গে খেলা শ্রেষ্ঠ ম্যাচ কোনটি, এখনও তিনজনে যখন একসঙ্গে বসেন, দেখা করেন, প্রশ্ন করলেই তাঁদের কোরাস– দ্যাট ফাইনাল। ২৪ মে, ক্যাম্প ন্যু। ১৯৮৯ ইউরোপিয়ান কাপের সেই ফাইনালে রোমানিয়ান ক্লাব স্টুয়া বুকারেস্তিকে ৪-০-য় উড়িয়ে দিয়েছিল মিলান। দু’টি করে স্কোরশিট শেয়ার করলেন গুলিট এবং বাস্তেন। গুলিটের দু’টি গোলের একটি শুরুর ১৮ মিনিটে গোলরক্ষকের হাত থেকে বেরনো বলে রিটার্ন এবং ৩৯ মিনিটে একটি জোরালো ভলি। বাস্তেনের স্কোরশিটে ২৮ মিনিটের হেড এবং ৪৬ মিনিটে বাঁ পায়ের নিখুঁত প্লেসিং। পরের বছর আবার। অবশ্য সেবছর স্কোরশিট অতটা উচ্ছ্বলিত হয়নি। ২৩ মে ভিয়েনার প্র্যাটারস্টেডিওনে বেনফিকাকে ১-০ গোলে হারানো ম্যাচে ৬৮ মিনিটে একমাত্র গোল রাইকার্ডের। বাস্তেনের অ্যাসিস্ট থেকে সোলো রানের পর ডান পায়ের জোরালো টোকা ফ্রাঙ্কের। ঠিক এই সময়টায় সিরি-এ না পেলেও ’৮৮-’৮৯-এ লিগে ১৯ গোল করে ব্যালন ডি’ওর পেয়েছেন বাস্তেন, পরের বছর লিগে আবার টপার। ’৯১-’৯২-এ কোচ সাক্কির সঙ্গে বাস্তেন-সহ একাধিক ফুটবলারের সমস্যা শুরু হওয়া। টালমাটাল মিলানে ফিরে এলেন ক্যাপেলো। পরিণতিতে পরপর দু’ বছর সিরি-এ, আবার ঝড়, যার শেষ ’৯৩ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে ওঠা, যদিও শেষ হার্ডলসে মার্সেই ম্যাচে ০-১-এর সেই অবিশ্বাস্য হার, যার সমাপতনে বাস্তেনের শেষ ম্যাচ। পরের বছর আয়াক্সে ফিরে গেলেন রাইকার্ড। কোচ ক্যাপেলোর সঙ্গে ঘনঘন সমস্যায় জড়িয়ে পড়ে সাম্পাদোরিয়ায় চলে গেলেন গুলিটও।

রুড গুলিট

এর মাঝে মিলানের প্রশিক্ষকের গ্রাফটা ঝালিয়ে নেওয়া যাক। ফাবিও কাপেলো এবং আরিগো সাক্কির মধ্যে কোচিং সিট ভাগ করা ওই ক’টা বছরের ভেতর ’৮৭-তে কিছুদিন ছিলেন কাপেলো, পরে দায়িত্ব চলে যায় সাক্কির কাছে। এবং এই সন্ধিক্ষণে তিন টিউলিপের আগুনে শুরু। সাক্কি ’৯০-’৯১ মরশুম পর্যন্ত থেকে সে জায়গায় আবার ফিরে এলেন কাপেলো। থাকলেন পাঁচ বছর। যদিও তার অনেক আগে টিউলিপের জুটি ঝরে গিয়েছে। ’৮৯-’৯০ থেকেই হাঁটুর চোট ভোগাচ্ছিল গুলিটকে। ’৯৩-এর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে হার, কোচ কাপেলোর সঙ্গে সমস্যায় রোটেশন সিস্টেমে বাদ গুলিট। মার্সেই ম্যাচের ৮৬ মিনিটে উঠে গেলেন ক্লান্ত, গোড়ালি চোটে আক্রান্ত বাস্তেন। তখন সবে ২৮ পেরচ্ছেন ‘Swan of Utrecht’। দু’ বছর ধরে সেরে ওঠার চেষ্টা করলেন। আদরের মিলান, বড কাছের সেই রোজোনেরির হয়ে মার্সেই ম্যাচই শেষ ম্যাচ বাস্তেনের। ’৯৫-তেই মাত্র ৩০-এ অকাল অবসর। পেছন থেকে রাফ ট্যাকলের বারবার শিকার হওয়া বাস্তেনের নামে ফিফা নাম রাখল ভ্যান বাস্তেন ল’। ১৯৯৮ থেকে এই ধরনের ট্যাকলে লাল কার্ড নিশ্চিত, যদিও শিকার, হতভাগ্য বাস্তেন তখন বুট তুলে নিয়েছেন।

ভ্যান বাস্তেনের সঙ্গে কোচ আরিগো সাক্কি

নেদারল্যান্ড। ক্লাবের লেগ্যাসির পাশে দেশের মাটিতে তিন টিউলিপসের বাহারি রং, বাগান। যদিও বড়সড়ভাবে সাফল্য বলতে পশ্চিম জার্মানিতে, ইউরো ১৯৮৮। ক্যাপ্টেন নম্বর-টেন গুলিট নিজে। কোচ-সিটে স্যার রেনাশ মিশেল। যদিও শুরুতেই সোভিয়েতের কাছে ০-১-এ হারার অবিশ্বাস। ঠিক তারপরেই বাস্তেন-ঝড়। ইংলন্ডকে ৫-০-য় উড়িয়ে দেওয়া ম্যাচে দুর্ধর্ষ হ্যাটট্রিক। সেমিতে হোস্ট পশ্চিম-জার্মানির কাছে ৭৩ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকে ২-১, ৮৮ মিনিটে জয়সূচক উচ্ছ্বাস, গোল সেই বাস্তেনের। ২৫ জুনের ফাইনাল। মিউনিখের অলিম্পিওস্টেডিয়নে উল্টোদিকে সেই সোভিয়েত। এবং এখানেই চলে আসে ডাচ শব্দ ‘Wraak’-এর দ্যোতনা। ‘রাক’ অর্থাৎ প্রতিশোধ। দু’-অর্ধ মিলিয়ে দু’টি গোলে ২-০-য় ক্লিন সুইপ সোভিয়েত। স্কোরশিটে জুটি গুলিট এবং বাস্তেনের, যার ভেতর ৩২ মিনিটে গুলিটের হেডার-গোলের অ্যাসিস্ট এবং দলের উইনিং গোল সেই বাস্তেনেরই। ৫৩ মিনিটে সেই উইনিং গোলে বাঁদিক থেকে মুরেনের নির্বিষ উঁচু ক্রসে, ডানদিকে সামান্য কোণ থেকে অলৌকিক গোল-চেনা ভলি ১২ নম্বর জার্সির বাস্তেনের। এখান থেকেও গোল হয়! আনন্দে, অবিশ্বাসে মাথায় হাত দিচ্ছেন স্যর মিশেল। অবিশ্বাস ৬৩,০০০ দর্শকের অলিম্পিওস্টেডিয়ন। মিলানের থেকে অনেক দূরে, দেশের মাটিতে অনেকটাই পেছন থেকে খেলা অন্য কম্বিনেশনেও তখন পোক্ত রাইকার্ড। রোনাল্ড কিম্যানের সঙ্গে জুটিতে তিনি তখন দলের অন্যতম সেন্ট্রাল ব্যাক, নিখুঁতভাবে সামলাচ্ছেন ডাচ ডিফেন্স। পাশাপাশি বাস্তেন-গুলিটের জোড়া ফলাকে পরিণতি দিচ্ছেন আরেক ডাচ, দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাইট-উইঙ্গার জেরাল্ড ভ্যানেনবার্গ। 

ব্যালন ডি’ওর হাতে তিন টিউলিপ, ১৯৮৮

স্যর মিশেলের এই দলে, ’৯২ ইউরোয় এসে গিয়েছেন তরুণ বার্গক্যাম্প, অথচ আশ্চর্য হতাশ পরিণতি। গ্রুপে ঝড় তুলে টপার ডাচরা ডেনমার্কের কাছে সেমি-তে রাইকার্ডের গোলে ৮৬ মিনিটে দুর্দান্তভাবে খেলায় ফিরে এসেও পেনাল্টি শুট-আউটে ছিটকে গেল। অথবা বিশ্বকাপ ইতালিয়া ’৯০। বাস্তেনের গোড়ালি চোট, গুলিটের হাঁটু, একা হয়ে যাওয়া রাইকার্ডের বিক্ষিপ্ত মেজাজ। ক্লান্ত, আনফিট ডাচ-স্বপ্ন বেস্ট থার্ড তৃতীয় স্থানাধিকারী টিম হিসেবে কোনওরকমে প্রি-কোয়ার্টারে উঠে টগবগে জার্মানির কাছে ১-২-এ হেরে শেষ। রুডি ভোয়লারের মাথায় থুতু ছিটিয়ে কলঙ্কবিহীন সুন্দর টিউলিপে পোকা খাওয়ার চিহ্ন তৈরি করে দিলেন রাইকার্ড। ভালো হল না। তিন টিউলিপের শেষটা একেবারেই ভালো হল না।

গুলিট-রাইকার্ড-বাস্তেন

এইসবের পর, অনেকটা পর তিনজনের রঁদেভু। আমস্টারডমে নিয়ম করে দেখা করেন। এখনও গুলিট-রাইকার্ড বা গুলিট-বাস্তেন বলতে গেলে জিভ আটকে যায় ফুটবল-পৃথিবীর। কোনওভাবেই তৃতীয় সত্তাকে বাদ দিয়ে দু’টি নাম পরপর উচ্চারিত হয় না। ট্রায়োর প্রত্যেকের একাধিক সাক্ষাৎকারে, লেখায় একইরকম ভালোবাসায় উঠে এসেছে বাকি দু’জনের নাম। সংঘাত, সমস্যা সত্ত্বেও সাক্কি বা কাপেলো সম্পর্কে শ্রদ্ধায় অবনত তিনজনই। কুর্নিশ করছেন স্যর রেনাশ মিশেলকে। বার্লুসকোনিকে এক কথায় কী নাম ডাকবেন? যৌথ উত্তর ‘হি ইজ নম্বর ওয়ান’। এখনও কতটা বন্ধু আপনারা? শেষটুকু আরেকটু ভালো হতে পারত? ট্রায়োর আলো বড় দ্রুত শেষ হয়ে গেল না কি? ‘সেম্প্রেমিলান’ মিডিয়া থেকে একটি সাক্ষাৎকারে বাস্তেনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। হেসেছিলেন ষাটোর্ধ্ব মানুষটি। বিষাদ উড়িয়ে দিয়েছিলেন: “I’m always happy when I have these two friends close by. We still see each other, we eat together, we play golf. We talk about everything…”

একটু থেমে বলেছিলেন– ‘and we talk about Milan…’

………….. পড়ুন জুটি কলামের অন্যান্য পর্ব ……………

পর্ব ৭: দুই জোহানের যৌথ ম্যাজিক

পর্ব ৬: পেলে-গ্যারিঞ্চা, অপরাজেয় ইতিহাস

পর্ব ৫: চিরশত্রু থেকে শ্রেষ্ঠ জুটি

পর্ব ৪: বিতর্কিত, বর্ণময় আটাত্তরের আর্জেন্টিনার জোড়া ফলা

পর্ব ৩: পায়ে লেখা যৌথ-কবিতা

পর্ব ২: অমরত্বের জাল কাঁপানো এক চিরকালের বন্ধুত্ব

পর্ব ১: পাশে থাকা, পাসে থাকা