Robbar

যে সংগীত দুঃখ সারায়, সেই সংগীতের আরাধনা করেছিলেন অন্নপূর্ণা দেবী

তাঁকে আরও শোনা আমাদের প্রয়োজন ছিল– একথা ঠিকই কিন্তু হয়তো তাঁরও প্রয়োজন ছিল প্রকৃত উত্তরসাধিকার মতো অন্তর্মুখী যাত্রার। অন্নপূর্ণা দেবীর জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ।

→

চিনে মনখারাপের ছুটি, ভারতে কি সম্ভব?

দশ দিনের দুঃখযাপনের সবেতন ছুটি ভারতে সম্ভব কি না, এই প্রশ্নটার থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, দুঃখের দায়টা কি শুধু দুঃখী মানুষেরই?

→

সমর সেনের মহুয়ার দেশ থেকে সোভিয়েত দেশে যাত্রা

সমর সেন নিজে মাত্র বছর পাঁচেকের মেয়াদে, এত অল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ের অন্তত গোটা বিশেক বই অনুবাদ করেছেন, আবার ওই পরিমাণ বইয়ের অন্যদের করা অনুবাদের রচনাশৈলীর সম্পাদনাও করেছেন।

→

৫০ বছরের গরম হাওয়ায় পুড়তে থাকা আমরা

যেখানে শুধু ঘর ছাড়ার যন্ত্রণার কারণে মৃত্যু হয়, সেইখানে এক পরিবারের ভয় হতে থাকে, তাকে ঘরছাড়া, দেশছাড়া হতে হবে, অথবা দেশে থেকে বারবার ধর্মের নামে প্রতারিত হওয়ার অমোঘ যন্ত্রণাকে সহ্য করে যেতে হবে, হয়তো আমৃত্যু। ‘গরম হাওয়া’। আজও প্রবল প্রাসঙ্গিক এই ছবি।

→

নবদ্বীপ বরাবর সর্বধর্মের মিলনক্ষেত্র, সেই সমাহার আজও বর্তমান

মুসলমান শাসন কালে এখানে আসা ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কারণেই গড়ে ওঠে বেশ কিছু মসজিদ। এই সমস্ত কিছু একত্রে মিলিয়ে দেখলে বোঝা যায়, নবদ্বীপে সর্বধর্মের সমাহার আজও বর্তমান।

→

বিরাট ‘রাগিয়া’ প্রমাণ করলেন তিনি পাল্টাননি

সেই চেনা বিরাট হারিয়ে যাননি। তিনি ফিরেছেন, স্বমহিমায়।

→

উপুড় হৃদয়ের শব্দে লেখা মিশনের ছাত্রাবাস-জীবন

বিষয় অনুযায়ী, আলাদা অধ্যায়ে আলাদা মেজাজ থাকলেও এক সমগ্রতা এই বইকে বেঁধে রাখে।

→

বেলুড় মঠের জমিতে চিরস্থায়ী বিবেকানন্দ

মন্দিরটি এখন যেখানে দাঁড়িয়ে, গঙ্গাতীরের সেই বেলগাছ-দেবদারুগাছ সংলগ্ন জায়গাটির উল্লেখ করে সতীর্থ স্বামী ব্রহ্মানন্দকে বলেছিলেন বিবেকানন্দ, ‘রাজা, আমায় এখানে একটু জায়গা দিতে পারিস?’

→

এত মিটিং করে কী হয়?

মাঝে মাঝে, ‘সাউন্ডস গ্রেট’ বা ‘আই এগ্রি’ বলে দিলেই হল।

→

তিমিরের অন্তে যদি তিমিরবিনাশ

তিমিরের মাস্টারমশাই শঙ্খ ঘোষ লিখেছিলেন, ‘অনেক দূর থেকে, পঁচিশ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে এসে, আজ যখন তিমিরের কথা ভাবি, সে আর নিছক কোনো ব্যক্তি হয়ে থাকে না, হয়ে ওঠে যেন প্রতীক...।’

→