Robbar

ইশকুল পার হইনি, রাধাপ্রসাদ গুপ্ত একটা ছোট্ট রামের পেগ তুলে দিয়েছিল হাতে

আমার বাবা বসন্ত চৌধুরীকে, আর.পি. না কি বলেছিল, ‘তোমার ছেলেটা বড্ড ভালো, কিন্তু ওর বয়সটা ভালো না। সুতরাং, ওকে তো গাইড করতে হবে, আর তুমি মদ্যপানটা করো না, সেই জন্য আমিই দায়িত্বটা নিজের কাঁধে তুলে নিলাম।’

→

দেশের জনসংখ্যা ১৪০ কোটি, আর কন্ডোম-পিলের নাম শুনলেই কানে আঙুল?

অন্ধ্রপ্রদেশে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে কন্ডোম-রাজনীতি নিয়ে!

→

মনের ভাঙাগড়া আর ফিরে-চাওয়া নিয়েই মধুসূদনের ভাষা-জগৎ– রবীন্দ্রনাথের‌ও

রবীন্দ্রনাথ বঙ্কিমচন্দ্র ও বিবেকানন্দের মতো মধুসূদন মুগ্ধ ছিলেন না।

→

যে দেশে সূর্য অস্ত যায় না– আজও যায় না

মে-জুন মাসে আকাশে উত্তরের জ্যোতির প্রভাবে এই শহর দিন-রাত প্রায় সমান দিবালোকে উদ্ভাসিত।

→

‘মাকু’, ‘হলদে পাখির পালক’-এর চিত্রস্বত্ব পেতে লীলা মজুমদারকে চিঠি লিখেছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ

ভাবলে বড় কৌতূহল হয়, ঋতুপর্ণ ঘোষ এই অসামান্য গল্পদু’টির চলচ্চিত্ররূপ কেমন দিতেন! যাই হোক, এই প্রসঙ্গে লীলার নিজেরই একটা কথা বলা যেতে পারে– ‘যা হয়েছিল, যা হলে ভালো হয়, যা হতে পারত, সব কিছুই এক।’ লীলা মজুমদারের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা।

→

রাজনৈতিক বিরোধিতার থেকেও জোরাল কৃষক আন্দোলনের ঢেউ

আইনি জটিলতায় কৃষক আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীদের নাস্তানাবুদ করে ‘শিক্ষা’ দেওয়ার মানসিকতাকে বরদাস্ত করা কৃষকদের পক্ষে সম্ভব নয়।

→

এককালে শবররা ছিল ওড়িশার রাজা, তাদের নিয়ন্ত্রণেই পুজো পেতেন জগন্নাথদেব

পুরীতে ১৪টি মুখ্য এবং ১২টি গৌণ উৎসব পালিত হয়। মূলত বৈষ্ণব উৎসবগুলি প্রধান হলেও রথযাত্রা উৎসবটি একদিকে অভিনব ও অনন্য।

→

কাদম্বরী শুধুই রবির, আর কারও নয়

রবি অপ্রত্যাশিতভাবে তার উদয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে!

→

মানুষ কালীভক্ত হয়, ঋতুদা শুধু লি ভক্ত

প্রথমে বাড়িওয়ালি... এখন তিতলি... এরপর করবে চোখের বালি। ঋতুদার লি ফেজ চলছে।

→

জীবন জোড়া কাজের ‘খসড়া খাতা’ শৈশবেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল মাণিদার

কে জি সুব্রহ্মণ্যন-এর শতবর্ষ এ বছর। রইল তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা।

→