এমন আনন্দময় একটি অস্তিত্ব ছিল বাজার হেমব্রমের। কথা বলছেন, কাজ করছেন, গান করছেন। অমন মাপের শিল্পী, তবু দারিদ্র ছিলই ঘরে।
হাসি যে একটা বেনিয়মের শক্তি হয়ে উঠতে পারে, সেইটে রেনেসাঁস-উত্তর ইউরোপে এক ধরনের পাগলামি বলে দেগে দেওয়া হয়। সতেরো শতাব্দী থেকে হাসিকে অ্যাসাইলামে বন্দি করা হয়। ক্ষমতা গম্ভীরভাবে থাকতে চায়। কে না জানে গাম্ভীর্য নির্বোধের মুখোশ।
লেখার টেবিলের কি কোনও মন নেই? শুধুই শরীর? অসম্ভব। লেখার টেবিলের মন ছাড়া এমন থ্রিলার লেখা যায় না!
সবকিছু তো আর মেপে হয় না, আবার মাপজোখ ছাড়াও কিছু হয় না। গড়, আন্দাজ, বিশ্বাস– এসবের একটা বড়সড় ভূমিকা থাকত, সেকালের হিসেব-নিকেশে।
‘উপন্যাসসমগ্র’ প্রকাশের বছর দুয়েক পর একদিন বিকেলে নবারুণদা অপুকে ফোনে মজার সুরে বলেন, দে’জের ক্যাটালগে এত কবির ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ আছে অথচ তাঁর নেই কেন? অপু পালটা জানায় তিনি পাণ্ডুলিপি দিলেই তাঁর ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ ছাপা হবে।
বরমা গ্রামে কালীসাধকের আখড়ার দেওয়ালে দু’জন গ্রাম্য শিল্পী ‘শ্মশানে হরিশচন্দ্র’র কাহিনিচিত্র আঁকেন। এই আঁকা দেখে মুগ্ধ হয়ে সোমনাথ ছবি আঁকার দিকে আগ্রহী হন। সোমনাথের ছবি আঁকার আগ্রহ দেখে শৈলেন কাকা জলরঙের ছোট একটি বাক্স কিনে দেন।
ডান হাতের টুকটুকে তর্জনী রাঙা ঠোঁটে এমন ভাবে ধরা, যেন বলছেন, চুপ! অর্থাৎ, এই বইয়ে বাঙ্ময় চুপকথাই বেশি। যা বলব, তার থেকে বলব না অনেক বেশি।
আনন্দ-বিনোদন খেলার মুখ্য বৈশিষ্ট্য হলেও হাজার হাজার বছরের ফেলে আসা জীবনের স্মৃতিকে প্রকাশ করার স্বভাবগত তাগাদা খেলার মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়। অনেক সময় গোষ্ঠী বা জাতির ঐতিহ্য প্রকাশের মাধ্যম হয়ে ওঠে।
আকাশ দেখতে সুবিধে হবে ভেবে একসময় কোণার্ক বাড়িতে চৌকির উপর চেয়ার চাপিয়ে সূর্যাস্ত দেখবার ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি। সেই কবির আশ্রমে আকাশ ক্রমশ ফালা ফালা হয়ে গেল বড় বাড়ির স্থাপনায়। আশ্রম-সংলগ্ন অন্য বাড়িগুলির বা অধুনা শান্তিনিকেতন উপনগরীর কথা যদি বাদ দিই, খোদ উত্তরায়ণের আকাশই খণ্ডিত হয়ে গেল।
‘চলচ্চিত্র মানুষ এবং আরো কিছু’ বইটি প্রকাশের পরে পাঠকমহলে যথেষ্ট সাড়া পড়ে যায়। দু’-মলাটের মধ্যে ঋত্বিকের এতগুলো লেখা এর আগে কখনও আসেনি। তবে এ-কাজটিও সুরমা বউদি এবং ঋতবান ঘটকের সাগ্রহ অনুমোদন ছাড়া করা সম্ভব হত না।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved