Robbar

রোজনামচা

রবীন্দ্রনাথের শোকের গান প্রায় নেই, সবই শোক উত্তরণের গান, বলেছিলেন শান্তিদেব ঘোষ

আমার জ্যাঠামশাই, শান্তিদেব ঘোষ বলেছিলেন যে, ‘রবীন্দ্রনাথের শোকের গান প্রায় নেই, থাকলেও খুব কম। তাঁর স্ত্রী-পুত্র-কন্যা প্রিয়জনদের এত মৃত্যু সত্ত্বেও রবীন্দ্রনাথের প্রত্যেকটি মৃত্যুর গান মৃত্যু থেকে উত্তরণের গান।’ বলতেন, ‘কেঁদে ভাসিয়ে দিলে এই গানের প্রতি বিচার করা হয় না।’ অর্থাৎ ‘আছে দুঃখ আছে মৃত্যু’ অংশটা কেউ সাংঘাতিক টেনে টেনে করুণ সুরে গাইলে তা আদপে অর্থহীন। আসল কথা হল– ‘তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে’।

→

নির্জন রূপের ছায়া এসে পড়েছিল মাৎসুও বাশোর হাইকুতে

১৬৮৬ থেকে ১৬৯১, এই সময়কালে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পথে পথে, লিখছেন কাব্যময় গদ্য, ভ্রমণকাহিনি আর প্রচুর হাইকু। এই পাঁচ-ছ’ বছর সময়কে বলা চলে তাঁর জীবনের সবচেয়ে ফলবান অধ্যায়। হাইকু লেখার ক্ষেত্রে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ক্রমশই প্রতিষ্ঠা পেল। মাৎসুও বাশোর মৃত্যুদিনে বিশেষ নিবন্ধ।

→

দেবাশীষ দেবের ছবি

সদ্য দেবাশীষ দেবের ৭০তম জন্মদিন চলে গেল। সেই উপলক্ষেই একটি লেখা, তিনজন শিল্পীর জমায়েত। প্রচ্ছদের ক্যারিকেচার করলেন অনুপ রায়, লিখলেন কৃষ্ণেন্দু চাকী। লেখার ভেতরে রইল দেবাশীষ দেবের নানা ছবি।

→

শক্তিদা আলিঙ্গনে তৃপ্ত হতেন, অবলম্বনে নয়

কানাইনাটশাল শক্তিদার প্রিয় বাংলো। নিচের বাগানে ময়ূর, হরিণ, অজস্র গাছগাছালি। সকালে জলখাবার খেয়ে শক্তিদা দরজা বন্ধ করলেন, এক ঘণ্টা পর বারন্দায় তাঁর গমগম কণ্ঠে শুনলাম, ‘গ্রহণ করিনি আগে ভুল হয়ে গেছে/ চুম্বন করিনি আগে ভুল হয়ে গেছে’।

→

শুধুই কবি-সাহিত্যিক নয়, জনসাধারণের মিলনক্ষেত্র ছিল অমিতাভ দাশগুপ্তর দেড় কামরার ফ্ল্যাট

এক অসম্ভব সারল্যময় মেজাজের অধিকারী ছিলেন। যাঁকে বকতেন, তাঁকেই আবার বুকে জড়িয়ে ধরতেন। বাবা, শক্তিকাকা এবং জেঠু (লেখক সুরজিৎ বসু) যখন প্রবল বর্ষায় জলপাইগুড়িতে সারারাত গান গাইতেন তখন চারপাশ আলোড়িত হয়ে উঠত তাঁদের কণ্ঠস্বর রাতগুলো মিশে যেত আবেগের স্রোতে।

→

শিল্প-সংগীত থেকে প্রকৃতি সর্বত্র মিশে আছে ফিবোনাচ্চির গণিত

ফিবোনাচ্চির ‘লিবের অ্যাবেসি’ গোটা ইউরোপে দারুণ প্রভাব ফেলেছিল– সহজ আর দ্রুত করে দিয়েছিল ব্যবসা-বাণিজ্যের গণনা। তাঁর সংখ্যা-শৃঙ্খলা অনুপ্রাণিত করেছে বহু শিল্পী, সংগীতজ্ঞকে। তবে ফিবোনাচ্চি সিরিজের সবচেয়ে সুন্দর রূপটি ছড়িয়ে রয়েছে সারা প্রকৃতিময়। বিশ্ব ফিবোনাচ্চি দিবস উপলক্ষে বিশেষ নিবন্ধ।

→

‘হাম দেখেঙ্গে’ বাদ দিয়ে ফৈয়জ কি আদৌ পঠিত?

প্রেমের ভাষ্যেও ফৈয়জের উজ্জ্বল উপস্থিতি যেমন– ‘দশ্ত-এ-তনহাই’, ‘ভুলি বিস্রি চন্দ উমিদেঁ’, ‘ইয়ে জফা-এ-গম কা চারা’, ‘ইঁউ সজা চাঁদ’ ইত্যাদি। মেহেদি জাহিরের সুর দেওয়া, ‘ইয়াদ’ নজম-এ বিরহের এমন তীব্র আকুতি যা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে শ্রোতাদের মনে।

→

‘হিন্দু’ বা ‘মুসলমান’ নয়, ধর্ম-পরিচয় জিজ্ঞাসা করলে তবসসুম বলতেন ‘মনুষ্যত্ব’

দুর্ভাগ্যজনকভাবে শব্দের উঠোনে আর ভাষার দেওয়ালে আমরা পুঁতে রেখেছি ধর্মের আমূল পেরেক– সেই রেওয়াজের ঠিক উলটো পথে হেঁটে, আসগারি আর অযোধ্যানাথ ছোট্ট কিরণবালার নাম রেখেছিলেন খাঁটি আরবি শব্দে, ‘তবসসুম’।

→

যাওয়া তো নয় যাওয়া

মৃত্যুর পরে আজ প্রথম জন্মদিন জুবিন গর্গের। মৃত্যুর মতো ছেঁদো স্বাভাবিক ব্যাপারটাকে সরিয়ে রেখে, জুবিন গর্গ থেকে গিয়েছেন আমাদের মধ্যে। তাঁর গান শুধু নয়, জীবনশৈলীও। ও জুবিন রে...

→

সম্পদের রক্ষাকর্তা হিসেবেই লক্ষ্মীসরায় থাকেন জোড়া কার্তিক

জোড়া কার্তিক-সহ লক্ষ্মী সরাচিত্রে পূজিত হন সম্পদের প্রতিভূ হিসেবে। ‘সম্পদ’ কথাটি এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ লক্ষ্মী যদি শ্রী ও ধনসম্পদের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হন; তাহলে পুত্র সম্পদের দেবতা হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন জোড়া কার্তিক। কিন্তু কার্তিক জোড়ায় কেন?

→