

‘যে গান তোমায় আমি শোনাতে চেয়েছি বারেবার’, এত দরদ দিয়ে গাওয়া গানটা, কে বলবে এই ভদ্রমহিলাই ফিসফিস করে ‘রাত আকেলি হ্যায়’ বলতে বলতে আচমকা বাঘের কামড়ের মতো ‘চুপ কিউ রহিয়ে’-তে পৌঁছে গিয়েছিলেন। মাইকেল হোল্ডিং-কে ‘হুইসপারিং ডেথ’ বলা হত, আশাকেও বোধহয় এক্ষেত্রে তাই বলা উচিত।
চ্যাপলিন শব্দের বিড়ম্বনাকে মূকাভিনয়েরই একটা এক্সটেনশন বানিয়ে ফেলেন, হিঙ্কলের ভাষার মর্মার্থ অভিধানের মুখাপেক্ষী থাকে না। টুথব্রাশ গোঁফে তা দিয়ে চ্যাপলিন বলতে চান, ‘একঘেয়ে লাগল নাকি?’
বাংলা নববর্ষের অব্যবহিত পরে ইংরেজি ১৬ এপ্রিল বিকেলের দিকে দেহাবসান ঘটে আচার্য নন্দলাল বসুর। আচার্যের মৃত্যুশয্যার পাশে সুধীরা দেবীকে দেখা যায়নি। ঘরের দুয়ার তিনি রুদ্ধ করে রেখেছিলেন। এমনকী, মৃত্যুর পরেও সে দ্বার খোলেনি। ছাত্রছাত্রী আর আশ্রমিকেরা ঘিরে ছিল আচার্যের পুষ্পশোভিত দেহ।
যে আম্বেদকরকে আজ স্মরণ করা হবে, সেই মানুষটি কী বলতেন আজ নির্বাচন কমিশনের এই অগণতান্ত্রিক কাজ দেখে? যে মানুষটি সর্বজনীন ভোটাধিকারের নীতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, সেই মানুষটি কী ভাবতেন আজ, কী বলতেন মহামান্য বিচারপতিদের, তা নিয়ে নিশ্চিত আলোচনা হতে পারে।
ইম্ফলের ৪৫ কিমি দক্ষিণে মইরাং-কাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে আজাদ হিন্দ সরকার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে এপ্রিলের ১৪ তারিখের এক বিকেলে। এই তারিখটি আজও ‘মইরাং দিবস’ বা ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়ে থাকে। সেই উত্তোলিত পতাকার প্রতীক ঘিরে বিভ্রান্তি ও বিতর্ক আজও।
আশাজির সঙ্গে বাবার প্রথম রেকর্ডিং ‘বাগ মে কলি খিলি’। ‘চান্দ অউর সুরজ’ নামে একটা ছবির গান। এর মূল গানটা মায়ের গাওয়া একটা বাংলা গান। ‘যা রে যা আমার আশার ফুল ভেসে যা’। মায়ের বেশ কিছু বাংলা গানের হিন্দি ভার্সন, বাবা, আশাজিকে দিয়ে গাইয়েছিলেন।
আজ, এই মুহূর্তে, মনে হয়– তিনি মৃত্যুকে পেরিয়ে গেছেন অনেক আগেই। আজ নয়, অনেক আগেই তাঁর অমর জীবন শুরু হয়েছিল– যখন প্রথম কোনও রাতজাগা মানুষ একলা বসে তাঁর গান শুনে বলেছিল– ‘এ গানটা আমার।’
প্রয়াত হয়েছেন আশা ভোঁসলে। মুসলমান বাইজির গলার গান থেকে কৃষ্ণের ভজন, সবেতেই অনায়াস ছিল আশা ভোঁসলের গলা। বৈচিত্রময় ভারতকে রাজনৈতিক অস্ত্র যখন ছেঁটে ফেলার অদম্য চেষ্টা করছে, তখন আশা ভোঁসলে চলে গেলেন। আশার কথা, তাঁর গান রইল। আশা ভোঁসলের স্মরণে বিশেষ লেখা।
সফদর জানতেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ হল মানুষের হাসি। তিনি বিশ্বাস করতেন, যে দেশে শিশুরা খোলা ছাদে নিশ্চিন্তে ঘুড়ি ওড়াতে পারে না, সে দেশে ‘বিপ্লব’ নিছকই একটা ফাঁকা, কেতাবি শব্দ। বিশ্বাস করতেন, একটা বৈষম্যহীন, সুন্দর পৃথিবী গড়তে গেলে সবার আগে একরত্তি বাচ্চাদের মগজের জানলা দরজা খুলে দিতে হবে।
মানুষের কথা মনে রেখে গান করেন না তিনি, ঈশ্বর-স্পর্শের জন্যই যত আয়োজন। সুরপথে ধরা দেন পরমব্রহ্ম– তাকে মেনে চলাই ধর্ম। অন্ধকারের গর্ভে বসে সুর দিয়ে তিনি ধরতে চান ‘সহেলা’ রাজাটিকে। কেমন সেই রাজার চরিত্র? কিশোরী আমনকরের জন্মদিনে বিশেষ নিবন্ধ।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved