Robbar

রোজনামচা

মৃত্যুর আগে নিজের ক্যামেরা তারাপদ সাঁতরাকে দিয়ে গিয়েছিলেন ডেভিড ম্যাককাচন

মৃত্যুর আগে ডেভিড ম্যাককাচন তাঁর ‘লাইকা’ ক্যামেরাটি তারাপদ সাঁতরাকে দিয়ে যান। ক্যামেরাটির লেন্সের ঢাকনা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারাপদবাবু সেখানে একটি সাধারণ ওষুধের শিশির ক্যাপ লাগিয়ে ব্যবহার করতেন। কেউ কৌতূহলী হয়ে ক্যামেরার নাম জানতে চাইলে তিনি অত্যন্ত গম্ভীর মুখে সেটিকে ওষুধের কোম্পানির নামেই পরিচয় দিতেন।

→

‘হারমোনিয়াম’-এর ডালা খুললে এখন হাসিঠাট্টার পাশে অনেকটা মনখারাপ

২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি, প্রয়াত হয়েছিলেন তপন সিন্হা‌। ২০২৬ সালের এই জানুয়ারি মাসেই, হারমোনিয়াম ছবিটি ৫০ বছর পূর্ণ করল। হারমোনিয়ামের বাসন্তী চরিত্রে ছিলেন অভিনেত্রী সোনালী গুপ্ত। তাঁর হারমোনিয়ামের সাদা-কালো দিনগুলির কথা তিনি লিখলেন রোববার.ইন-এ।

→

রিপোর্টাজ যখন হয়ে ওঠে কথাসাহিত্য

উপন্যাস, ছোটগল্প, এমনকী রিপোর্টাজেও তিনি ছিলেন অদ্বিতীয়। দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা-ভাষায়,ভাবে এবং প্রয়োগে স্বতন্ত্র। থিয়েটার, সিনেমা এবং মার্গসংগীতের পাশে অনায়াসে দ্যুতি ছড়াত সম্পাদক দীপেন্দ্রনাথের 'এথিকোপলিটিক্যাল' চর্চা।

→

মেলার সময়ে শবরদের পাঁচতারায় খাইয়েছিলেন মহাশ্বেতাদি

মহাশ্বেতাদির খুব ইচ্ছে কলকাতা শহরে শবর মেলা করবেন। পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শবররা কলকাতায় ছ’দিন থেকে মেলা করবে। আমায় ও আমার স্ত্রীকে তাঁর আদেশ– ‘তোমরাই করবে’। তখন ‘বিনোদন বিচিত্রা’ পত্রিকার পক্ষ থেকে কলকাতা তথ্যকেন্দ্রে এই প্রদর্শনীর উদ্যোগ নেওয়া হল।

→

মৃত্যুর পর মহাশ্বেতা দেবীর নামে সেগুনচারা রোপণ করেছিল পুরুলিয়ার মানুষ

১৯৮৩-’৮৪ সাল নাগাদ সম্ভবত মহাশ্বেতাদি পুরুলিয়া যান খেড়িয়া শবরদের হাল-হকিকত জানতে। বন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে সেই যে গেলেন, আজীবন সেখানকার আদিবাসী মানুষদের সঙ্গে জুড়ে রইলেন ঘনিষ্ঠভাবে।

→

সিনেমা নিজেও ভাবে ও ভাবায়, জানান দেয় বেলা তারের সিনেমা-দর্শন

সিনেমা শুধু ভাবা প্র্যাকটিস করতে যে আমাদের উদ্বুদ্ধ করে, তাই নয়, সিনেমা যে নিজেও ভাবে, ভাবতে পারে, ভাবার ক্ষমতা রাখে তাই যেন বারবার জানান দিয়ে যায় বেলা তারের সিনেমা। পৃথিবী যখন শুধুই গতির দাস, চারপাশের সবকিছুই যখন শুধুই হঠকারি হুলুস্থুল, তখন জুলে ভার্নের গল্পের মতো পৃথিবীর গহীন অন্তরে, অস্তিত্বের সুপ্ত গর্ভগৃহে যেন হানা দিত বেলা তারের ছবি।

→

একটি ফুসফুস নিয়েই ভারতীয় সংগীতের ‘বিস্ময়চিহ্ন’ হয়ে উঠেছিলেন কুমার গন্ধর্ব

তিনি বিশ্বাস করতেন আমাদের তথাকথিত উচ্চাঙ্গ সংগীতের মূল নিহিত লোকসংগীতে। গানে, গায়কীতে, পরিবেশনায় এই বিশ্বাসটিকে প্রকাশ করেছেন অসামান্য প্রায়োগিক দক্ষতায়। টিবি তাঁর একটি ফুসফুস চিরতরে অক্ষম করে দিয়েছিল– সেই শারীরিক সীমাবদ্ধতাও তিনি পেরিয়ে গিয়েছিলেন নিজস্ব গায়কি তৈরি করে নিয়ে।

→

রসবোধে রামকৃষ্ণের যোগ্য শিষ্য ছিলেন বিবেকানন্দ

একটা পাত্রে অনেকগুলো গোটা গোটা লঙ্কা ছিল। সাহেব সেগুলো কী জিজ্ঞেস করতেই স্বামীজি বললেন, ‘এগুলো ভারতীয় কুল’– বলেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে রোববার.ইন-এ বিশেষ নিবন্ধ।

→

মণীন্দ্রই হয়ে উঠেছিলেন দেবারতির জীবনের কবি শ্রীরামকৃষ্ণ

মণীন্দ্র গুপ্তের মৃত্যুশোক সহ্য করতে করতে দেবারতি এই বিশ্বাসে চিরকাল স্থির থেকেছেন, তিনি আছেন। কেননা, দেবারতি আছেন বলেই মণীন্দ্র আছেন। সারদা আছেন বলেই রামকৃষ্ণ আছেন। পার্বতী আছেন বলেই শিব আছেন। সবাই অখণ্ড। সবই অখণ্ড। শিব-পার্বতীর যুগলকে মেনে রামকৃষ্ণ-সারদার বিবাহ তাই দেবারতির কাছে কবিতা।

→

মাধব গাডগিলই প্রথম কম্পিউটার সায়েন্সের সঙ্গে মিলিয়ে দিয়েছিলেন জীববিদ্যাকে

তাঁর জীবৎকালের শেষদিন পর্যন্ত মাধব গাডগিল সোচ্চার ছিলেন ভারতের প্রতিটি অংশের পরিবেশ, জীববৈচিত্র ও তার ওপর স্থানীয় প্রান্তিক মানুষের অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করতে। মুনাফালোভীদের উন্মত্ত ধ্বংসলীলায় আজ বিপন্ন এ সময়ে মাধব গাডগিলের নির্ভীক কণ্ঠ বয়সোচিত কারণে স্তব্ধ হল। এবার তাঁর পতাকা তুলে নেওয়ার দায়িত্ব বয়ঃকনিষ্ঠ অনুগামীদের।

→