

আজ ১৭ নভেম্বর, অলোকরঞ্জন দাশগুপ্তর মৃত্যুদিন। তাঁর কবিতার ইতিহাসবোধ এক অনন্ত পথ-পরিক্রমা।
এখন বিশ্বব্যাপী পাবলিসিটি এবং পপুলিস্ট কালচারের যুগে কমলকুমার ক্রমশই আরও দূরের মানুষ হয়ে উঠছেন। লেখার ভাষা এবং ছবির ভাষার মধ্যে অদ্ভুত সাযুজ্য নির্মাণ করতে পেরেছিলেন বলেই হয়তো চিত্রকর কমলকুমার মজুমদার একইরকম অপরিচিত।
গোয়েন্দা দীপক চ্যাটার্জীর তিনখানা হাত লিখেছিলেন স্বপনকুমার? নাকি স্রেফ মিথ? তাঁর মৃত্যুদিন আজ। তবে সত্যিই যদি মানুষের তিনহাত থাকত, কী হত?
স্বপনকুমারের মতো নির্বাসিত লেখক আর তাঁর বিস্মৃত জগৎকে হঠাৎ প্রয়োজন পড়ল কেন আবার? আজ, ১৫ নভেম্বর, স্বপনকুমারের মৃত্যুদিন।
অনাথ বন্যপ্রাণও শিশু, ‘শিশু দিবস’ উপলক্ষে রইল তাদের নিয়ে বিশেষ লেখা।
যায় চলে যায় হেমন্তের দিন। কোথাও শীতের জন্ম হয়ে গেছে। আর কিছুদিন পর শীতকাল। হুমায়ূন আহমেদ লেখেন সকালে। আমি আর টাকিলা খাই না।
‘রোববার’ পত্রিকায় নবনীতা দেবসেনের শেষ লেখা। যে লেখায় নেই শেষবেলার ক্লান্তি, বরং নতুন কাজের জগৎ উন্মোচিত হয়। মনে হয়, এই বুঝি লিখতে বসলেন নবনীতা দেবসেন, ভালোবাসার বারান্দায় হেলান দিয়ে। শেষ লেখায় নতুন শুরুর গন্ধ, হাওয়াবদল।
এই লেখাটি ‘রোববার’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ২৭.১০.২০১৯-এ। মৃত্যুর সঙ্গে বোঝাপড়া করছিলেন যেন নবনীতা দেবসেন। পাঠককে প্রথমবারের মতো জানালেন তাঁর অসুস্থতার কথা, মৃত্যুমুখিতার কথা। তবুও জীবনের প্রতি উচ্ছ্বাস কমেনি তাঁর। তাই এই লেখাটিও তাঁর শেষ লেখা নয়।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved