Robbar

রোজনামচা

মায়া কামাথের রাজনৈতিক কার্টুনেও গৃহস্থের অন্দরমহল ব্রাত্য থাকেনি

‘রাজনৈতিক ব্যঙ্গচিত্র’ আঁকেন এমন মহিলা শিল্পী গোটা পৃথিবীতে বিরল। এমন দুর্লভ এক কার্টুনিস্ট ভারতের মায়া কামাথ, প্রয়াত হয়েছিলেন মাত্র ৫০ বছর বয়সেই। মায়া কামাথের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য।

→

নাটকের তৃপ্তি, মানুষের মিত্র

তৃপ্তি মিত্রের কর্মজীবনের শুরু সহৃদয়তায়। মন দিয়ে দেখলে বোঝা যায়, শেষ-ও সেই সহৃদয়তাতেই। ক্ষণিকের জন্য অনুভূত হলেও সেই সম্মিলিত সহৃদয়তার রেশ দীর্ঘমেয়াদি– তার রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক প্রভাব তীব্র। এই শাস্ত্রীয় কট্টরপন্থার যুগে, তাঁর কর্মজীবনের দিকে ফিরে তাকিয়ে, যদি আমরা শিখি সহৃদয়তার সংজ্ঞায়ন অন্যভাবে করতে, তাতে থিয়েটারের রাজনীতির লাভ বই, ক্ষতি নেই।

→

ধুম জ্বর, প্রখর মে মাসে শাল গায়ে আন্তিগোনের রেকর্ডিং করতে এসেছিলেন তৃপ্তিদি

অসম্ভব প্রতিভার সঙ্গে হৃদয় ঠিকঠাক মিশে গেলে, কী হয়, তা তৃপ্তিদির সঙ্গে অল্প মিশলেই বোঝা যেত। যতটা হৃদয়বতী হওয়া সম্ভব, তিনি তাই-ই ছিলেন।

→

ভারতে তৈরি বিজ্ঞাপনকে ‘ভারতীয়’ করে তুলেছিলেন পীযূষ পাণ্ডে

পীযূষের বিজ্ঞাপনের ভিত ছিল সমস্যাহীন ভারত। খোলা মাঠে বসে থাকা পরিবার, চটি ছিঁড়ে যাওয়া মানুষ, এমনকী, ভারত পাকিস্তানের ওয়াঘা সীমান্ত– সবই ছিল তাঁর এই ‘ফেভিকল পেয়েছির দেশ’।

→

শরীর শরীর, তোমার মন নেই, মণিকর্ণিকা আছে

মণিকর্ণিকা নিয়ে দু’চার কথা। মানুষ পুড়ে যাওয়ার তাপ, হাওয়ার কোপ। একজন-দু’জন নয়। একসঙ্গে অনেকে। এলোমেলো এদিক-সেদিক পড়ে আছে জীবনে ব্যবহার করা ‘জরুরি’, হয়তো বা অতিপ্রিয় বস্তুটি। তাকে এই বেলায়-অবেলা-কালবেলায় ছেড়ে যেতে হল। মন পুরোপুরি পুড়ে যাওয়ার পর, এখন শরীরের পালা।

→

গণমানুষের ইতিহাস জানতে গিয়ে জানলাম গণকবরের কথা

বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিচয় হচ্ছিল আমাদের গণমানুষের ইতিহাস আর বর্তমানের সঙ্গে, তাদের গণকবর থেকে নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ আমাকে শেখাতে থাকে, দেখাতে থাকে এই দুনিয়ার দোজখ কেমন।

→

উঁচু-নিচু জাতির শ্মশান আলাদা, মরেও শান্তি নেই!

কেউ কেউ বলে শ্মশানের থেকে পবিত্র জায়গা আর হয় না। কিন্তু পোড়া কাঠ, ভাঙা মাটির হাঁড়ি, ছেঁড়া কাপড় মিলিয়ে যে আবহ তৈরি হয় তাকে কখনও আমার ‘পবিত্র’ বলে মনে হয়নি। গা-শিরশির কমেনি।

→

শেষকৃত্য করার জন্য রবীন্দ্রনাথের পুত্র রথীন্দ্রনাথকেও শ্মশানে রাস্তা দেওয়া হয়নি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্মশানযাত্রা যখন শ্মশানে এসে পৌঁছয়, তখন আরও একটি মৃত্যু যন্ত্রণার কথা সেদিনের শ্মশানের বাতাসে মিশে গিয়েছিল।

→

একদিকে কান্না হাহাকার, অন্যদিকে নীরব কর্মপ্রবাহ

প্রতিটি গ্রামে নিজস্ব শ্মশান আছে। সেই শ্মশানের মোটামুটি দু’টি ভাগ; একটি ব্যক্তিগত। অপরটি 'সাজারে' বা সর্বজনীন। ব্যক্তিগত শ্মশানে নির্দিষ্ট বংশ পরম্পরায় দাহ করা নিয়ম। সাজারে শ্মশানে গ্রামের সব শ্রেণির অধিকার।

→

শ্মশানের সঙ্গে বৈরাগ্যের কোনও সম্পর্ক নেই, তবুও প্রবাদের মতো সত্য শ্মশান-বৈরাগ্য

একমাত্র শ্মশানে গেলেই এই ধরনের বৈরাগ্য সাময়িকভাবে মানুষের ওপর চেপে বসে। কিন্তু এরাই বাড়ি ফিরে গেলে পরপর দু’দিন যদি প্রাতঃকৃত্যের সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে তখন এরা ওই শ্মশানে যাওয়াটাকেই দায়ী করবে।

→