Robbar

রোজনামচা

কলকাতাই নজরুল এবং জসীমউদ্দিনের সঙ্গে মিলিয়ে দিয়েছিল আব্বাসউদ্দিনকে

দীর্ঘ বিশ বছরের বেশি সময় কেটেছে তাঁর কলকাতায়। কলকাতা তাঁকে সব দিয়েছে। বেতারে গান গাওয়ার সাধ পূর্ণ হয়েছে। কলকাতাতেই তিনি সান্নিধ্য লাভ করেছেন তাঁর প্রধান গীতিকার, সুহৃদ, ফ্রেন্ড-ফিলোজফার-গাইড কাজী নজরুল ইসলামের; পেয়েছেন পল্লীকবি জসীমউদ্দিন ও গোলাম মোস্তফাকে।

→

নৌকা থেকে পড়ে গিয়ে জ্যোতিদা বলেছিলেন, আজ স্নানটা ভালো হল

কাঠের নৌকো। নাম ‘মণিমেখলা’। তাতে চড়ে সমুদ্রযাত্রার দুঃসাহসিক পরিকল্পনা চেপেছিল জ্যোতিদার মাথায়। ‘কলকাতা’ পত্রিকা যখন নিয়মিত, আমি রোজ যাচ্ছি, হাতে-কলমে কাজ শিখছি– এক মায়াবী অবিশ্বাস্য বিকেলে তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘ডিঙিনৌকা নিয়ে সমুদ্র অভিযানে যাব মায়া, তুমিও আমাদের সঙ্গে যাবে।’

→

তিনি নিজেই একটা বিশাল জমায়েত

হিন্দি কবি ও কথাকার বিনোদ কুমার শুক্ল গত ২৩ ডিসেম্বর চলে গেলেন। তাঁর যাওয়ার সঙ্গে কাকতালীয়ভাবে জুড়ে গেল আরাবল্লি বাঁচানোর আন্দোলন। প্রকৃতির ওপর শ‍্যেন দৃষ্টির কারণ যে মানুষের সীমাহীন চাহিদা আর প্রাকৃতিক সম্পদের চড়া বাজারদর, সেই কথাটা তিনি আমাদের অনেক দিন আগে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন।

→

জ্যোতির্ময় দত্ত আমাকে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর আন্ডারগ্রাউন্ডের ডেরায়

প্রয়াত সাংবাদিক, কবি, কিংবদন্তি পত্রিকা ‘কলকাতা’র সম্পাদক জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁকে নিয়ে স্মৃতিলিখন তপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জ্যোতির্ময় দত্তর অনুরোধে, তাঁর ‘কলকাতা’ পত্রিকাতেই হয়েছিল গদ্যের হাতেখড়ি হয়েছিল তপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

→

স্বল্প আঁচড়ে গভীর দাগ কাটায় বিশ্বাস করতেন রমাপ্রসাদ বণিক

শুধুই দুর্বোধ্য বিষয় নয়, স্বল্প আঁচড়ে গভীর দাগ কাটাই স্রষ্টার কাজ। আবার বিষয়ের মধ্যে নাটকীয় ঘাত-প্রতিঘাত থাকাও বাঞ্ছনীয়। রমাপ্রসাদ বণিক সাধারণ বুদ্ধি-সম্পন্ন মানুষের জন্য নাটক নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন, যেখানে রয়েছে বিষয়ের গভীরতা ও সত্যের অন্বেষণ।

→

সারেঙ্গিকে পেলব, মিঠে করে তুলেছিলেন পণ্ডিত রাম নারায়ণ

গুরু মাধবের পরামর্শে রাম নারায়ণ সারেঙ্গির প্রধান তারটির কার্কশ্যকে বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষায় করে তুলেছিলেন পেলব, মিঠে। তাঁর সারেঙ্গির এই মিঠে আওয়াজ পুরোদস্তুর উচ্চাঙ্গ সংগীতের গুরুগম্ভীর মহল থেকে বাণিজ্যসফল হিন্দি সিনেমার অজস্র গানে ওঁর উপস্থিতি অনিবার্য করে তুলেছিল।

→

জীবনের উদ্বোধন: এই রবীন্দ্রমন্ত্রই আজও আশ্রমের পৌষ-প্রার্থনা

শান্তিনিকেতনে ৭ পৌষ তারিখে উৎসবের বিশেষ মাহাত্ম্য কী? মাহাত্ম্য এই যে, সেদিন আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের দীক্ষার দিন। যিনি একদিন ভোগের মাঝখান থেকে জেগে উঠে ‘বিলাসমন্দিরের সমস্ত আলোকে অন্ধকার’ দেখেছিলেন, বেড়িয়ে পড়েছিলেন অমৃত উৎসের সন্ধানে।

→

আজ বড় দীন এই পৃথিবী

মানুষের থেকে মানুষ বিচ্ছিন্ন হতে দেখি। অবিশ্বাস করতে দেখি। দুটো মেরু শুধু স্পষ্ট হতে দেখি প্রতিদিন। এক পৃথিবী বন্যতা মিশে রক্তে। বছর দশেক আগেও, যা ছিল চোখরাঙানি অথবা হুমকি সেগুলো আজ শরীর পেয়ে দাপাচ্ছে।

→

‘কলকাতার যীশু’, সীমান্তহীন নীরেন্দ্রনাথ

আজ ২৫ ডিসেম্বর। প্রভু যিশুর জন্মদিন। ‘কলকাতায় যীশু’ লিখেছিলেন নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। কাকতালীয় ব্যাপার, তাঁর প্রয়াণ ঘটেছিল ২০১৮ সালের এই তারিখেই।

→

সুনয়নী দেবীর ছবি দেখে অবন ঠাকুরকে ‘সার্টিফিকেট’ লিখে দিতে বলেছিলেন গগনেন্দ্রনাথ

গগনেন্দ্রনাথের পছন্দ হয়েছিল সুনয়নীর ছবির সরল-সুন্দর রীতি। অবনীন্দ্রনাথকে অনুরোধ করেছিলেন ‘সার্টিফিকেট’ লিখে দেওয়ার জন্য। উত্তরে অবনীন্দ্রনাথ বলেছিলেন– ‘ও যে ধারায় ছবি আঁকছে তার জন্যে আমায় আর সার্টিফিকেট লিখে দিতে হবে না। পরে দেশের লোকের কাছ থেকে ও নিজেই সার্টিফিকেট আদায় করে নেবে।’

→