সেন্ট জনস গির্জা তৈরি হয় বিভিন্ন মানুষের দানে এবং কিছুটা লটারি করে তোলা টাকায়। ১৭৮৪-এর ৮ এপ্রিল এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রাচীন গৌড়ের ধ্বংসাবশেষ থেকে চার্চ তৈরির জন্য নিয়ে আসা হয় মার্বেল পাথর।
টবি জগ আসলে মানুষের অবয়বে তৈরি এক বিশেষ ধরনের সিরামিক পাত্র, যা মূলত পানীয় পরিবেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। কেবল ‘মগ’ বললে এ শিল্পবস্তুটির শৈল্পিক অমর্যাদা হয়; বরং বলা ভালো ‘টবি জগ’ একটি জলজ্যান্ত ভাস্কর্য।
তখন পাড়ার বেকার যুবকরাই সপ্তাহে একদিন করে লাইব্রেরি খোলার দায়িত্ব নিতেন। মফস্সলে একটি-দু’টি সরকারি লাইব্রেরির পাশাপাশি এমন ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি স্থানীয় অনেক বেসরকারি লাইব্রেরি ছিল। খুব বৈচিত্র না থাকলেও, বইমেলার নতুন বই না-থাকলেও, সেইসব লাইব্রেরি পাঠক তৈরিতে কোনও কার্পণ্য করেনি।
১৯৪৯ থেকে ১৯৮৮ সাল। দীর্ঘ ৩৯ বছর ধরে জামাল লিখেছেন। প্রথমে শিক্ষানবিশ হিসেবে, পরবর্তীতে অভিজ্ঞ পক্ষীবিদ হিসেবে তাঁর ভাবনা, অভিজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে ‘বোম্বে ন্যাচারাল হিস্ট্রি সোসাইটি’ এবং ‘বেঙ্গল ন্যাচারাল হিস্ট্রি সোসাইটি’র মুখপত্রে। এমনকী ‘দ্য নিউজ লেটার্স ফর বার্ড ওয়াচার্স’ সমীক্ষাপত্রেও।
ফুড ভ্লগিং তো এখন বাঙালির জীবনে হলুদ বসন্ত! একপেশে জীবনের দোটানায় না গিয়ে বাঙালি এখন মজেছে খাদ্যব্যবসায়। কারণ সে বুঝেছে, ফুড ভ্লগিংয়ের দৌলতে প্রচার তো হয়ে যাবেই এবং অন্যদিকে দশটা-পাঁচটার জীবন থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
আমাদের দেশে ‘সাহেবি প্রাতরাশ’ অর্থাৎ ‘ব্রিটিশ ব্রেকফাস্ট’ বলতে যা বোঝায়, তা আমরা আসলে কেউ জানিই না। এই সুযোগে একটি শক্ত বাংলা শব্দ সার্ভ করি– ‘অভিযোজন’।
ক্ষণকালের শীত আসে। ছুঁয়ে থাকে, চলে যায়। চিরকালীন এক জনপদে সেই চঞ্চল শীত কেমন? খুব কি বদলে যায় বেনারস? ঘাটে এসে বসে পুরনো, নতুন, চিরকালীন মানুষ? বদলে যায় রুটিন? ঘুরে দেখুন বেনারস, অক্ষরে অক্ষরে, ছবিতেও।
শীতকাল। এদিক-ওদিক উড়ে আসে পরিযায়ী পাখিরা। কিন্তু কী করে চিনে ফেলে তারা পথ? দেশ-মহাদেশ? নেই কোনও গুগল ম্যাপ, পথনির্দেশিকা! তবুও!
ভাঙা বাড়ি, কিন্তু তার ভেতরেই এক রত্নশালা। খসে পড়া দরজার ফাঁকে উঁকি দিলেই ধুলোয় ঢাকা কত যুগ আগেকার মণিমাণিক্য সব দেখতে পাচ্ছি! একের ওপর আরেক, তারও ওপর আরও অনেক, স্তূপীকৃত! নড়বড়ে দোতলায় হাঁটতে ভয় হয়, অন্ধকার সিঁড়ি কোথায় নিয়ে যায় কে জানে! এই নাকি সেই জ্ঞানভাণ্ডার, যা উন্মোচিত হয়েছিল স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের হাতে! সঙ্গে ছিলেন স্যর আশুতোষ চৌধুরী, আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল, আচার্য রামানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়।
নাবিকেরা যদি পথ হারায়, সে পথ খুঁজে দেন জলের দেবতা। মুর্শিদাবাদে সেই দেবতার প্রতি উৎসবই বেরা উৎসব। পথ ভুল করে যে জীবনজাহাজ পাড়ি দিয়েছে, তাও ঠিক পথ খুঁজে পাক।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved