

আজ থেকে ৮০০ বছর আগে একটা জনগোষ্ঠী পরিব্রজন করেছিলেন তাঁদের অসাধারণ সামুদ্রিক দক্ষতা ও জ্ঞান নিয়ে। তারপর তাঁরা শুধু মন দিয়ে সেই পেশাতেই নিযুক্ত থেকেছেন। আজ হঠাৎ সেই পেশা ছেড়ে তাঁরা কোথায় যাবেন? কী করবেন আগামী দিনে? তাঁরা কি এত বছরের প্রকৃতিলব্ধ জ্ঞান, ভাষা, সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলবেন?
১৯১২-র পয়লা নভেম্বর ইয়েটস-এর ভূমিকা-সহ রবীন্দ্রনাথের নিজের করা ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হচ্ছে ‘দ্য ইন্ডিয়া সোসাইটি’ থেকে। আর এই নভেম্বরেই বাংলাদেশের ঢাকা শহরে প্রায় নীরবে ঘটছে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। এই শহরের এক ২২ বছরের বাঙালি তরুণী তাঁর জাপানি স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির দেশ দেখবেন বলে রওনা দিচ্ছে জাহাজে। তরুণীর নাম হরিপ্রভা।
নকশাল আতঙ্কের মধ্যে প্রাণের ভয়ে মুম্বই চলে গিয়েছিলেন উত্তমকুমার। সেখানেই আলাপ হয় শক্তি সামন্তর সঙ্গে। শক্তি তাঁকে নিয়ে বানান ভারতের প্রথম বাই-লিঙ্গুয়াল ছবি ‘অমানুষ’। হিন্দি ধাঁচে বানানো এই ছবি বাঙালি কতটা পছন্দ করবে, তা নিয়ে সংশয় ছিল পরিচালকের। কিন্তু ঘটল সম্পূর্ণ বিপরীত।
যতদিন দিঘা থাকবে, ততদিন দিঘার সমুদ্রতটে প্রতিটি ঢেউয়ের ছোঁয়ায় লেখা হবে জন স্নেইথের নাম। দিঘার স্থপতি থেকে যাবেন তাঁর প্রাণপ্রিয় সমুদ্র-সৈকতে।
এই বাংলায় সেই কোন কালে জয়রামবাটি নামের এক অজ পাড়া-গাঁয়ে সারদামণি নামের এক বামুনের বিধবা আমজাদ নামের এক মুসলিম জোলার এঁটো পাত কুড়িয়ে তাঁকে সন্তানের সম্মান দিয়েছিলেন, এই কথাটি ভুলে গেলে চলবে?
দূরপাল্লা আর বই, এককালে সমান্তরালে চলত। জানলার পাশে আলগা আলোয়, ফুরিয়ে যেত কত ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনি, কত রহস্য় উদ্ধার হত স্টেশনের পর স্টেশন পেরিয়ে গেলে। বই ও ভারতীয় রেলের সম্পর্কটি দূরসম্পর্কের নয়, তারা ছিল নিকটবন্ধুই। এ এইচ হুইলার সেই বন্ধুত্বের প্রমাণ। ক্রমশ নানা সরকারি নীতিতেই রেলস্টেশন থেকে হারাচ্ছে বইয়ের দোকানগুলি, অথচ ‘ইন্ডিয়ান রেলওয়ে লাইব্রেরি সিরিজ’ নামে বেশ কিছু বই ছাপা হয়েছিল এককালে। পেপারব্যাক বিপ্লবের সেই আদিপুরুষ, এ এইচ হুইলার হয়তো হারিয়েই যাবে চিরতরে। হুইলারের সার্ধশতবর্ষের গোড়ায়, সেই ইতিহাস ফিরে দেখা, আজকের দৈন্য সময়ের ক্লান্ত বিশ্লেষণ।
হুগলি নদী থেকে উৎপন্ন সরস্বতী আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়েছে। এই প্রবাহপথে নদীকে ঘিরে আছে পৌরাণিক, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সব স্থান। সরস্বতী নদীর পাড়ে হুগলির চণ্ডীতলা। চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে ধনপতি সওদাগরের কথা জানা যায়। শোনা যায়, তাঁর পুত্র শ্রীমন্ত সওদাগর বাণিজ্যের কারণে সরস্বতী নদী পথে নৌকায় হুগলি নদী পেরিয়ে সমুদ্রযাত্রা করতেন। যাত্রাপথে চণ্ডীতলায় দেবী চণ্ডীর ঘট স্থাপন করে পুজো করেন। সেইস্থানে মন্দির নির্মাণ করে দেন।
ছেলেবেলার ঋত্বিক ঘটক। বড়বেলার ঋত্বিককে কতটা প্রভাবিত করেছে? হাতে-লেখা পত্রিকা থেকে স্যুইমিং– চকোলেট-সিগারেট থেকে ডিপথেরিয়া বাঁধানো– বিচিত্র তাঁর ছেলেবেলা। তবে, সবথেকে বিস্ময়কর, আরব্য রজনী পড়ে শখ জেগেছিল তাঁর, অনন্ত যৌবনের অধিকারী হবেন। ঋত্বিক, অনন্ত যৌবনের অধিকারী হতে পারেননি। কিন্তু বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে, তাঁর স্থানাঙ্কটি অনড়, অনন্তকালের জন্য ‘বুকড’।
বিবাহ অভিযান হবে। আর ‘বিয়ের গাড়ি’ থাকবে না, তা হয় নাকি! বর হোক কনে, দু’বাড়িতে বিয়ের জৌলুস বাড়িয়ে দেয় ফুলে সাজানো ধবধবে একখান গাড়ি। সবাই তাকে একডাকে চেনে– ‘বিয়ের গাড়ি’। আজ শুভক্ষণে সেই চার-চাকার সুখ-দুঃখের দু’চার কথা।
পুতুল এখানে মাটির কাছাকাছি। এখানে কোনও রাজা-রানি, নায়ক-নায়িকা, দেব-দেবী, দৈত্য-দানব নেই। আছে শুধু সাধারণ, প্রান্তিক, খেটে-খাওয়া মানুষ। তাই এর গানেও রোজের দিনের জীবনের ছোট-ছোট চাওয়া-পাওয়ার গল্প।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved