বিধানসভায় নীতীশ কুমারের দিক্ভ্রষ্ট বক্তব্যর ধরন প্রায় পর্নোগ্রাফি গোছের।
শহরের রাস্তায়, খেয়াল করলে আকছার দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন প্রজাতির কুকুর হারা-উদ্দেশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেন?
পেটের দিকে থাকা জামার বোতামের যেন কষ্ট না হয়। বাঙালি ও পুজোর ডায়েট নিয়ে একখানি রম্য।
মোবাইল ফোনের অন্যতম কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্ঘটনার ডকুমেন্টেশন।
ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে দু’চুমুক দিলেই ঘুম-ঘুম ভাব পালাবে তৎক্ষণাৎ। এবার শীত পড়ার আগেই পুলিশের চা খাওয়ানোর ব্যবস্থা চালু করা হল।
সাপকে বলো ‘লতা’, আর বাঘকে বলো ‘বড়মিঞা’ বা ‘বড় শেয়াল’। ব্যস, নিশ্চিন্দি। এ এক অদ্ভুত কুসংস্কার। অবিশ্যি কুসংস্কার আমাদের নেতাদের প্রিয় ব্যসন, কারণ কুসংস্কারই এঁদের কাছে বিজ্ঞান।
যুদ্ধবিরতির পক্ষে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণসভায় আনা প্রস্তাবে বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশের সঙ্গে ভোট দিতে ভারতের অনীহা কেন?
এ বছর মহালয়ার দিনেই কলকাতার একটি বিখ্যাত পুজোর উদ্বোধনে ভয়ানক বিশৃঙ্খলার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। সেদিনই আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের ওয়েস্ট গ্যালারিতে চলছিল শিল্পী সুবোধ দাশগুপ্তের ছবির প্রদর্শনী, গুটিকয়েক মাত্র দর্শক নিয়ে।
যথাযথ পারিশ্রমিক পান না। ভাঁড়ারে টান পড়ে চিরকালই। তবু তাঁরাই নাকি ‘লক্ষ্মী’!
এখন জীবন আধুনিক হয়েছে অনেকটাই। তবু লক্ষ্মী-অলক্ষ্মীর মধ্যেকার জানি দুশমন টাইপ পার্থক্য মুছে যায়নি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved