মাঝে মধ্যে ঘুড়ির সুতো ছেড়ে কেবল লাটাইয়ের টানেই ব্যালেন্স করে ওড়ানো হয় ঘুড়িখানা। রাহুল দ্রাবিড়ও সে ছেড়ে খেলার লোক।
ডার্কগ্লাস না পরে ব্যাট করতে নামলে শ্রেয়স ‘ডাক’ করতেন না সেঞ্চুরি করতেন, সে প্রশ্ন শ্রোয়েডিংগারের বিড়াল হয়ে আমাদের মনে উঁকি দেবেই।
মার্কোস ও তার সন্তান-সম্ভবা স্ত্রীর সঙ্গে কর্তারা যে ব্যবহার করেছিলেন, সেই অপমানও আমার পক্ষে ভোলা সম্ভব ছিল না।
এক লহমার জন্য হলেও সমস্ত বিদ্বেষ-ক্রোধ-প্রতিহিংসা-হাহাকারকে ভুলিয়ে দিয়েছিল সিআর নামের এক স্বর্গদূতের স্বর্গীয় ন’শো গোলের পারিজাত।
নর্থ চ্যানেল পার করা ভারতের প্রথম মহিলা সাঁতারু সায়নী দাসের একান্ত সাক্ষাৎকার।
সমস্ত বঞ্চনা ভুলে, সমস্ত তিক্ততাকে দূরে ঠেলে এভাবেই হাসতে থাকুন ‘গব্বর’।
ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান-মহামেডান। পথে। চিৎকারে। আন্দোলনে। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। একসঙ্গে। কাঁধে কাঁধ। একেই কি দৃশ্যের জন্ম বলে?
একুশ শতকের পৃথিবীতে দ্বৈত সত্তা নিয়ে বাঁচে ক'টা দেশ, জানা নেই। কেউ বাঁচুক, না-বাঁচুক, ফ্রান্স বাঁচে।
প্যারিস অলিম্পিক থেকে খারাপও নয়, ভালোও নয়– এমন একটা অম্লমধুর স্মৃতি নিয়ে ফিরেছেন ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved