

দিন ১৫ পরই শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ। কিন্তু এই ভূ-ভারতে সম্প্রচার কোথায় হবে, তার কোনও ঠিকঠিকানা নেই এখনও! কাটছেই না জটিলতা। নেপথ্যে ফিফার বিপুল অঙ্কের টাকার চাহিদা। এদিকে ফুটবল খেলার আঙ্গিকেই বিজ্ঞাপনী ঝলকের কোনও জায়গা নেই। সরকারি নয়, বেসরকারি সংস্থাগুলোও সম্প্রচার থেকে সরে আসছে। তাছাড়া, বিশ্বকাপের অধিকাংশ ম্যাচই ভারতীয় সময়ানুসারে রাত ১২টা থেকে সাড়ে ৩টের মধ্যে। দর্শক পাওয়া যাবে? এই প্রশ্নে জ্বর আসছে না তো সম্প্রচার সংস্থাগুলির?
ইস্টবেঙ্গল যত সাফল্য পেয়েছে দু’-দশকে, তার কয়েকগুণ বেশি ব্যর্থতায় ডুবেছে। আর যত ব্যর্থতার অন্ধকার এসেছে, তত মানুষ গোল হয়ে বসেছে কোনও অলীক মোমবাতির চারপাশে।
শ্রেণির শামিয়ানা ছিঁড়ে নেমে আসা বিকেলের রোদ– অরুণোদয়ের মুখ। সে আলোয় গ্যালারি তখন আর গ্যালারি না, ছিন্নমূলের মাটি। দেশভাগের ক্ষতে বুলিয়ে দেওয়া মায়ের হাত।
ইডেনে রাহুল-লক্ষ্মণ জুটির সেই সম্মোহক ব্যাটিং-এর ২৫ বছর পূর্ণ। রইল বিশেষ নিবন্ধ।
কিছু কিছু ‘ভিড়’ হয়ে ওঠে রাজনৈতিক আগ্রাসনের আরেক চতুর মুখচ্ছবি। ভিড়ের মধ্যে সেই মিশে থাকা ভিড় আনন্দজল-ভরা চোখের চিৎকৃত ‘ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়া’ বা ‘জনগণমন’র মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায় ‘ভারতমাতা কি জয়’ কিংবা ‘জয় শ্রীরাম’। ভিড় থেকে আলাদা হয়ে ওঠে আরেক ভিড়।
এই ভারতে আজ সারারাত বাজি পুড়বে। উৎসব হবে। বলা ভালো ‘উদযাপন’। এ জয় যে রিডেম্পশানের, ফিরে আসার। রিঙ্কু সিং বিশ্বকাপের মাঝে পিতৃহারা হলেন। সেই রিঙ্কু দিন ঘুরতে না ঘুরতেই দলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে গাইলেন রবীন্দ্রনাথ– 'পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মারাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ...’, ফিল্ডিং করতে নেমে প্রাণপণ ছুটলেন, যেন বোঝাতে চাইলেন– এই বিশ্বজয়ী ভারতের অংশ হিসেবে তারও কিছু খড়কুটো থেকে যাক। এ দলে, তিনিও তো আছেন।
কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে দাবি করা রাষ্ট্রের নীতি-নির্ধারকরা কাশ্মীরের ভিন্নমতের মানুষদের শাপ-শাপান্ত ব্যাতীত আর কী দিতে পেরেছেন? এই কাশ্মীরের রনজি জয় ভারতকে নিশ্চিতভাবেই জাতীয় দলে একাধিক তারকা উপহার দেবে আগামীদিনে।
ফেরা তো আসলে প্রত্যাবর্তনও। হারিয়ে যেতে যেতে ঘুরে দাঁড়ানো। যেমন করে ঘুরে দাঁড়ায় লড়াকু যোদ্ধা রঙ্গমঞ্চে নজর কেড়ে নেওয়া পার্শ্বচরিত্র। কিংবা নিঝুমপাড়ায় ফেরিওয়ালার ডাক।
মাঠ ও মাঠের বাইরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা যতই তীব্র হোক, ক্রিকেট শেষপর্যন্ত ছিল একটি মানবিক সম্পর্কের জায়গা। আজ, যখন হাত মেলানো নিয়েও প্রশ্ন ওঠে, তখন সেই সম্প্রীতি যেন আরও দূর সময়ের গল্প বলে মনে হয়।
ক্রিকেটার স্মৃতির কাহিনি হওয়া উচিত এক ডাকসাইটে ক্রীড়া সংগ্রামী হিসাবে। কিন্তু জনতা মেতে উঠল তাঁর ব্যক্তি জীবনের বেদনায় প্রলেপ দিতে। একজন আদর্শ অ্যাথলিট ফ্যান-সাপোর্ট চায় মাঠে। মাঠের বাইরে তাঁর প্রস্তুতিপর্ব। সেখানে একমাত্র প্রশিক্ষকের সাহচর্যে সনিষ্ঠ সাধনায় মগ্ন হওয়া। এই সাধনার নির্যাসই তো খেলোয়াড় নিবেদন করে দর্শককে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved