Parbati Giri: The Fearless Freedom Fighter of Odisha। Robbar
Robbar
  • ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শতবর্ষে বিস্মৃত দেশপ্রেমিক পার্বতী গিরি

মাত্র ১১ বছর বয়সে গান্ধীজির আহ্বানে ঘর ছেড়ে যে মেয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, ঘরের মোহ তাঁকে কোনওদিনই সংসারী করতে পারেনি। স্বাধীনতা-উত্তর রাজনীতিও তাঁকে আকর্ষণ করেনি কোনও দিন। জেল সংস্কার, কুষ্ঠ নিবারণ এবং প্রান্তিক ও দুঃস্থের সেবার পাশাপাশি পল্লি সংগঠন, জনশিক্ষা ও শিশু ও নারী কল্যাণের মতো কাজেই আজীবন নিমগ্ন থেকেছেন পশ্চিম ওড়িশার ‘মাদার টেরেসা’।

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ১৭:০৭   
Facebook WhatsApp Messenger

স্বাধীন ভারতের বয়স আজ ৮০ ছুঁই ছুঁই। দেশকে স্বাধীন করার লড়াইতে যাঁরা এগিয়ে এসেছিলেন, আজ তাঁরা ইতিহাসের পাতায়, নয়তো বা নিছকই স্মৃতিতে। সে স্মৃতি কখনও সমষ্টির, কখনও বা নিতান্তই ব্যাষ্টির। স্বাধীনতা আন্দোলনের মুখ বললে প্রথমেই ভেসে ওঠে পুরুষদের ছবি। আর আড়াল থেকে তাঁদের সহমর্মিতা আর ভরসা জুগিয়েছেন তাঁদের পরিবার, পরিবারের মেয়েরা। সংসারের পিছুটান থেকে মুক্ত করে পুরুষকে বন্দুকের নলের সামনে প্রাণ বাজি রাখার সাহস জুগিয়েছেন তাঁরা। স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই আড়ালবাসিনী শরিকদের কথা প্রায় অনুচ্চারিত থেকে গিয়েছে আন্দোলনের ইতিহাসে। তবে আড়ালে নয়, যে-মেয়েরা সমাজ-সংসারের আঁটসাঁট বাঁধন ছিঁড়ে নেমে এসেছিলেন আন্দোলনের প্রকাশ্য রাস্তায়– তাঁদেরই একজন পার্বতী গিরি। জীবিত থাকলে আজ তিনি শতবর্ষী হতেন। ওড়িশার প্রত্যন্ত গ্রামের এক ছোট্ট মেয়ের অদম্য জেদ আর অসামান্য দেশপ্রেমের কথা বিস্মৃতির আবছায়া থেকে স্মৃতির ছায়াপথে এঁকে দিক স্বাধীনতার মাস।

পার্বতী গিরি। জন্ম ১৯২৬-এর ১৯ জানুয়ারি। সম্বলপুর জেলার সমলেইপদার গ্রামে। ধনঞ্জয় আর শ্রীমতি গিরির চার ছেলেমেয়ের মধ্যে দ্বিতীয় পার্বতী। গ্রামের স্কুলে ক্লাস থ্রি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন পার্বতী। ঔপনিবেশিক শাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার লক্ষ্যে মহাত্মা গান্ধীর আহ্বানে তখন জনজোয়ার! ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের ছত্রছায়ায় লক্ষ লক্ষ মানুষ তখন হরতাল, ধরনা, স্ট্রাইক, পিকেটিংয়ে শামিল। দেশমাতৃকার শৃঙ্খল মোচনের জন্য মরিয়া ভারতবাসী জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত! স্বাধীনতা আন্দোলনের এই মহাযজ্ঞের আহ্বান উজ্জীবিত করেছিল গ্রামের মেয়ে পার্বতীকেও।

Remembering Odisha's Mother Teresazoom
পার্বতী গিরি

১৯৩৭ সাল। সমলাইপদারে আসেন নবকৃষ্ণ এবং মালতী চৌধুরী। এই স্বাধীনতা সংগ্রামী দম্পতি মহাত্মা গান্ধীর ভাবধারায় গ্রাম পুনর্গঠন এবং সমকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করতে আসেন। ফিরে যাওয়ার সময় তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন পার্বতী। মাত্র ১১ বছর বয়স তখন তাঁর। পার্বতী নিজেই গিয়ে বলেন তিনি তাঁদের সঙ্গে যেতে চান এবং কংগ্রেসের কর্মী হয়ে তিনি চান স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দিতে। এত ছোট্ট এক মেয়ের কাতর আর্জি শুনে তাঁরা তাকে আশ্বস্ত করেন, ‘কয়েক বছর অপেক্ষা করো, রমাদেবীর বারি আশ্রমে তোমাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।’ কিছুটা আশাহত হলেও আশা ছাড়েন না পার্বতী। এর পর পরই ওই গ্রামে আসেন পশ্চিম ওড়িশার বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী ভাগীরথী পট্টনায়েক। তাঁর কাছেও নিজের ইচ্ছের কথা জানান পার্বতী। তাঁর দৃঢ় সংকল্প আর অসম্ভব জেদ দেখে অবাক হন তিনি। কংগ্রেস কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে পার্বতীকে দলের কর্মী হিসেবে গ্রহণ করে। বাবা-মা, পরিবার-পরিজন কারওর আপত্তিই তাঁকে আটকে রাখতে পারেনি। ভাগীরথী পট্টনায়েক তাঁর ব্যক্তিগত ডায়েরিতে লিখেছিলেন, ছোট্ট মেয়ে পার্বতীর দেশপ্রেম তাঁকে মুগ্ধ করেছিল।

পার্বতীর স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দেওয়া অবশ্য নিছকই পরম্পরাহীন ঘটনা নয়। তাঁর কাকা রামচন্দ্র গিরি ছিলেন কংগ্রেসের একজন বিশিষ্ট কর্মী। সেই সূত্রেই তিনি ছোটবেলা থেকেই লক্ষ্মীকান্ত মিশ্র, ভাগীরথী পট্টনায়েক, ঘনশ্যাম পাণিগ্রাহী, দয়ানন্দ সতপথী বা ফকিরা বেহেরার মতো প্রথম সারির কংগ্রেস নেতাদের কাছ থেকে দেখেছিলেন। তাঁর মধ্যে অল্পবয়সেই জাতীয়তাবোধের উন্মেষের প্রধান কারণ হয়তো সেটাই। মাত্র ১১ বছর বয়সে পার্বতীকে নিয়ে যাওয়া হয় বারি আশ্রমে। জম্মুবতী দেবী এবং ভাগীরথী পট্টনায়েকের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষিত হতে থাকেন পার্বতী। কংগ্রেসে সদ্য যোগ দেওয়া ওড়িশার নবীন কর্মীদের এখানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হত। ওড়িশায় গান্ধীজির ঐতিহাসিক হরিজন পদযাত্রার পর স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব গুজরাতের সবরমতী আশ্রমের আদলে গড়ে তোলেন এই বারি আশ্রম। এখানে কংগ্রেস কর্মীদের বুনিয়াদি শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা, মেয়েদের উন্নয়ন,  হিন্দি ভাষা শিক্ষা, খাদি, পশুপালন ইত্যাদি নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হত। ১৯৪০ সাল পর্যন্ত পার্বতী এই আশ্রমে ছিলেন। এর পর সম্বলপুরে কংগ্রেস কর্মীর অভাব থাকায় পার্বতীকে পাঠানো হল দলের কাজকর্মের ভার দিয়ে। এবার জেলা কংগ্রেস কমিটির সদস্য হওয়ার প্রবল বাসনা জাগে তাঁর। কিন্তু নাবালিকা পার্বতীকে তখন জেলা কমিটির সদস্য করা যায়নি। এই সময় তিনি গান্ধীজির আদর্শে নানারকম গঠনমূলক কাজে গ্রামকে সংগঠিত করতে থাকেন। খাদি ও গ্রামীণ শিল্পের বিকাশ, হিন্দু-মুসলমান ঐক্য, অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধে লড়াই থেকে হরিজনদের সামাজিক উন্নতিসাধন, বিদেশি জিনিস বর্জন, এমন নানা কাজে তিনি সম্বলপুরের গ্রাম গ্রামান্তরে ঘুরে বেড়িয়েছেন। গান্ধীজির দর্শন এবং আদর্শকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল তাঁর ব্রত।

zoom
মহাত্মা গান্ধী। ভারত ছাড়ো আন্দোলনের রূপকার

১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট, গান্ধীজি ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের ডাক দেন। পরদিনই তিনি এবং কংগ্রেসের বহু নেতা কারারুদ্ধ হন। কিন্তু সাধারণ মানুষ সেই অহিংস আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে চলে। সারা দেশের মতো সম্বলপুরের সত্যাগ্রহীদেরও জেলবন্দি করতে থাকে পুলিশ। এবার ১৬ বছরের পার্বতী গিরি সেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। নাবালিকা বলে পুলিশ তাঁকে জেলে ভরতে পারে না। পার্বতী আরও তিন সহযোগীকে নিয়ে বারগড় কোর্টের মধ্যে ঢুকে ভারতীয় উকিলদের কোর্ট বয়কটের ডাক দেন। ব্রিটিশ শাসকদের অধীনে ভারতীয় উকিলদের কাজ না-করার দাবি তোলেন পার্বতী। শোনা যায়, উকিলরা তাচ্ছিল্য ভরে তাঁকে উপেক্ষা করলে, পার্বতী তাঁদের নির্লজ্জ এবং কাপুরুষ সম্বোধন করে হাতে পরার জন্য চুড়ি এগিয়ে দেন। উপায়ান্তর না-দেখে উকিলরা সেদিনের মতো কোর্ট ছেড়ে চলে যান। এরপর পার্বতী পৌঁছন সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের দফতরে। দফতরে ঢুকে ম্যাজিস্ট্রেটের চেয়ার দখল করে বসে পার্বতী তাঁর সঙ্গীসাথীদের নকল উকিল আর পিওন সাজিয়ে নেন। তামাশার চূড়ান্ত পর্বে, ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব দফতরে ঢুকলে, পার্বতী তাঁকেই খুনি এবং দেশদ্রোহী সাব্যস্ত করে শাস্তিবিধান করেন। স্বভাবতই বিব্রত ম্যাজিস্ট্রেট পার্বতীকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দেন। কিন্তু আবারও নাবালিকা বলে পার্বতীকে ব্রিটিশ পুলিশ আটকে রাখতে পারে না। অকুতোভয় পার্বতীর কর্মকাণ্ড জনমানসে নতুন উদ্দীপনা সঞ্চার করে। এর কিছু পরে ব্রিটিশ-বিরোধী প্ল্যাকার্ড বিলোনোর অপরাধে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বারগড় জেল থেকে তাঁকে পাঠানো হয় সম্বলপুর জেলে। জেলে বসে পার্বতী নিরক্ষর জেলবন্দি মেয়েদের লেখাপড়া শেখাতে থাকেন। দু’বছর পর পর ১৯৪৪ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে পার্বতী বারি আশ্রমে যান।

zoom
কস্তুরবা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্ট। ইন্দোর

১৯৪৫ সালে, মহাত্মা গান্ধী ‘কস্তুরবা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ গড়ে তোলেন। ট্রাস্টের সম্বলপুর শাখার দায়িত্বে থাকেন রমাদেবী। তিনি পার্বতীকে ট্রাস্টের কাজে যুক্ত করেন। মূলত, গ্রামের মহিলা ও শিশুদের উন্নয়নই ছিল ট্রাস্টের লক্ষ্য। ১৯৪৬ সালে পার্বতীকে প্রশিক্ষণের জন্যে ওয়ার্ধায় পাঠানো হয়। সেখানে তিন বছর কাটিয়ে তিনি এলাহাবাদে চলে যান। প্রয়াগ মহিলা বিদ্যাপিঠ থেকে তিনি স্কুলশিক্ষা শেষ করেন। ইতিমধ্যে দেশ স্বাধীন হয়। কিন্তু তাঁর মন পড়ে থাকে বৃহত্তর জনসেবার কাজে। ১৯৫৩ সালে ওড়িশার বারগড় জেলায় তিনি ‘আমেরিকান ফ্রেন্ড্‌স সোসাইটি’র এক প্রকল্পে যোগ দিয়ে সম্বলপুরের স্বাস্থ্যপরিষেবার উন্নয়নের জন্য কাজ করেন। নিজে গ্রামসেবিকা হিসেবে গ্রামে গ্রামে ঘুরে স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেন।

দু’বছর পর রমাদেবীর অনুরোধে কস্তুরবা মেমোরিয়াল ট্রাস্টে ফিরলেও স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মতান্তরের কারণে তিনি ট্রাস্ট থেকে বেরিয়ে যান। এরপর স্বাধীনভাবে সমাজসেবার কাজে তিনি নিজেকে নিয়োজিত করেন। রৌরকেলার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা থেকে কালাহান্ডির খরা– যেখানেই মানুষের সংকট ও বিপন্নতা দেখেছেন ছুটে গিয়েছেন পার্বতী গিরি। শুধু ওড়িশা নয়, বিহারের সমস্তিপুর থেকে উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ, নানা জায়গায় সমাজসেবার কাজে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। জাতপাত-ধর্ম-বর্ণ-আঞ্চলিকতার ঊর্ধ্বে মানুষের সেবাই ছিল তাঁর জীবনের লক্ষ্য।

zoom
আনন্দ আড্ডা

১৯৭৫ সালে কালাহান্ডিতে ভয়ংকর খরা হয়। দেখা দেয় দুর্ভিক্ষ। খরাদুর্গত মানুষদের জন্য সরকার নানা জায়গায় আশ্রয় শিবির খোলে। পাইকমল গ্রামের আশ্রয় শিবিরের দেখাশোনার ভার নেন পার্বতী গিরি। খরা পরিস্থিতির উন্নতি হলে সরকারি শিবিরগুলি বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু বিপন্ন মানুষদের অবস্থা তো রাতারাতি বদলে যায় না! পার্বতী গিরি নিজেই তখন অনাথ ও দুঃস্থ শিশুদের জন্য আশ্রম গড়ে তোলেন। পরে সেটির নাম দেন: কস্তুরবা গান্ধী মাতৃ নিকেতন। কিঞ্চিৎ সরকারি সাহায্য এবং কিছু স্বেচ্ছা অনুদান আর নিজের পেনশনের টাকা দিয়ে এই সংস্থার খরচ চালাতেন তিনি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই সংস্থার অভিভাবকত্ব তাঁর হাতেই ছিল। তিনি মাতৃ নিকেতনের একটি শাখাও খোলেন সম্বলপুরে। রেড ক্রশের সহায়তায় গড়ে তোলেন এক বৃদ্ধাশ্রম।

zoom
বার্ধক্যের দিনগুলিতেও সংগ্রামী

পার্বতী গিরি নামটি নিঃস্বার্থ সেবা ও মানবিকতার সমার্থক। সমাজসেবার স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি পেয়েছেন ‘সরলা পুরস্কার’। সমাজকল্যাণ মন্ত্রক তাঁকে সম্মানিত করেছে জাতীয় পুরস্কারে। সম্বলপুর বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সাম্মানিক ডক্টরেট উপাধিতে সম্মানিত করেছে।

আজীবন গান্ধীজির আদর্শে যাপিত এই জীবনের পথ চলা শেষ হয় ১৯৯৫ সালের ১৭ আগস্ট। মাত্র ১১ বছর বয়সে গান্ধীজির আহ্বানে ঘর ছেড়ে যে মেয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, ঘরের মোহ তাঁকে কোনওদিনই সংসারী করতে পারেনি। স্বাধীনতা-উত্তর রাজনীতিও তাঁকে আকর্ষণ করেনি কোনও দিন। জেল সংস্কার, কুষ্ঠ নিবারণ এবং প্রান্তিক ও দুঃস্থের সেবার পাশাপাশি পল্লি সংগঠন, জনশিক্ষা ও শিশু ও নারী কল্যাণের মতো কাজেই আজীবন নিমগ্ন থেকেছেন পশ্চিম ওড়িশার ‘মাদার টেরেসা’। দেশ গড়ার বুনিয়াদি কাজের মধ্যেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন গান্ধীজির আদর্শের নীরব উত্তরাধিকার। জঙ্গি জাতীয়তাবাদ এবং গান্ধীজির সমাজসেবার আদর্শের এক অপূর্ব মিশ্রণ পার্বতী গিরি।

শতবর্ষের পরিক্রমায় তাঁর আদর্শের অনুসরণ এবং অনুরণনই হোক তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য।

………………………..

রোববার.ইন-এ পড়ুন মৌসুমী ভট্টাচার্য-এর অন্যান্য লেখা

………………………..

FreedomFighter FreedomStruggle IndianIndependence OdishaHistory Parbati Giri QuitIndiaMovement Sangbad Pratidin Sangbad Pratidin Robbar WomensHistory

Share this article on