

আটের শেষ দিকে মেয়েদের আরেকটা প্রোডাক্ট, একেবারে তুমুল পরিবর্তন আনবে জীবনে। প্যাকেজকৃত স্যানিটারি ন্যাপকিন। উইস্পারের মতো কোম্পানির প্রোডাক্ট, দোকানদারকে ফিসফিসিয়ে বলতে হয় যে, নাম আর কালো প্লাস্টিকে মুড়ে নিষিদ্ধ বোমার মতো হাতে হাতে কাউন্টারের তলা দিয়ে চালান হয় ব্যাগে।
ষাট-সত্তর-আশি। বিশ শতকের এই তিনটে দশকে, আগের দশকগুলোর থেকে একেবারে আলাদা হয়ে গেল মেয়েরা অনেকটা যে, তা নিক্তিতে মেপে বলে দেওয়া যায়, কেননা ষাটের আগে, রূপটানগুলো ছিল মূলত ঘরোয়া। অতিধনীদের ইমপোর্টেড ‘টয়লেটরি’, (গরিব নায়ককে যা বলে ঠেস দিত ভাবী শ্বশুরেরা, যে, তার মেয়ের রূপচর্চার খরচই ওঠে না নায়কের স্বল্প মাইনেতে), তার চল ছিল কম। উল্টোদিকে, সব বাড়িতেই থাকত সর বাটা, সরের সঙ্গে বেসনের গুঁড়ো মিশিয়ে মুখে মাখার ব্যবস্থা। মুসুরির ডাল বেটে ফরসা হয়ে ওঠা মেয়েরা, চন্দনপাটায় চন্দন ঘষে ব্রণ বা ফুসকুড়িতে লাগানো সেইসব মেয়ে বোরোপ্লাস পেয়ে গিয়েছে আটের দশকে। সঙ্গে স্বাধীনতা ফ্রি।
চাই প্লাস প্লাস। বোরোপ্লাস। (গুগুল বলেই দিল ১৯৮২ সালে ইমামি লঞ্চ করেছিল বোরোপ্লাসকে। মানে আমার মাধ্যমিকের বছর সেটা। সেই বোরোপ্লাস কিন্তু জিডি ফার্মাসিউটিকালের আধিপত্যকে সামান্য হলেও কিছুদিন টক্কর দিয়েছিল। বোরোলিনের বদলে আধুনিকতর বোরোপ্লাস। আমরাও আধুনিকতর।)

পাঁচের দশক আমাদের পূর্ব প্রজন্মের যৌবনের উপবন। সেখানে নিমের হাওয়া আর বিয়েতে পাওয়া কাঠের ‘আধুনিক’ ড্রেসিং টেবিলে বসন্তমালতী। মায়ের সেগুন কাঠের ড্রেসিং টেবিলের কোনাটা গোলচে। পরে জেনেছি– ওটাই পাঁচ-ছ’ দশকের আর্ট ডেকো স্টাইল। বাড়িগুলোর বারান্দার কোণও অমন গোল গোল হতে শুরু করল। ভবানীপুর আলিপুরের নব্যদের। সেই ড্রেসিং টেবিলে স্থান পেতে শুরু করল তখন বসন্ত মালতীর পাশে কিউটিকুরা পাউডার, সরু গলার চমৎকার দেখতে নব্য ময়েশ্চারাইজার তুহিনার বোতল। তখনও আলতা-সিঁদুর আসে ঘরে ঘরে থরে থরে। কিন্তু পাশাপাশি দেখা যায় কান্তা সেন্ট। কেয়ো কার্পিন আর বিশুদ্ধ নারকেল তেল তখনও কম্পিটিশনে মত্ত! তাই ছয়ের দশকের মাঝামাঝি যারা জন্মাল, গোটা সাতের দশক তারা তেল দিয়ে চুল জবজবে করে সন্ধেবেলা বেঁধে নিত মা বা দিদিদের হাতে, পড়তে বসার আগে। মাথা ঠান্ডা থাকলে পড়াশোনাও ভালো হবে! সাতের দশকে বিকেল হলেই গা ধুয়ে শাড়ি পাল্টে ছাতে উঠত যে-মেয়েরা, পোস্টকার্ড পুড়িয়ে সেই ছাইয়ের ঝুরো টিপ পরত, তাদের একপাশে ঠেলে রেখে, গ্রীষ্মবিকেলে স্বামী আপিস থেকে ফিরবে বলে চিঁড়েভাজা করে রেখে, ঘামে ভেজা কাপড় পাল্টে ঝরঝরে নতুন পাটভাঙা কাপড় পরা, সিনেমাহলে ছবি দেখতে যেতে ফ্যাশনেবল ভয়েল শাড়ি, বম্বের মিলের বড় বড় ছাপ পরা একটা প্রজন্মকে ঘরের বউয়ের ছকে দেখে ক্লান্ত হয়ে আশিতে যৌবনের দোরগোড়ায় আসা মেয়েরা বাইরে চলে গেল। ক্যান্টিনে সন্ধে অবধি আড্ডা দিয়ে দেরিতে বাড়ি ফিরে বকুনি খেতে শুরু করল, আর ট্র্যাফিক জ্যামের স্থানাঙ্ক, আগের দশকের লোডশেডিংয়ের মতো উচ্চে উঠে গেল। লোডশেডিং কমছে, জল রাস্তায় তখনও বেদম জমছে, সেই জলে শাড়ি লটরপটর হচ্ছে, কিন্তু জিন্স আর ‘পাঞ্জাবি’ পরা মেয়েদের দঙ্গল বাড়ছে। চুলের সঙ্গে সঙ্গে তাদের মুখগুলিও ঘামতেলে চকচকে। চোখে গোল গোল ফ্রেমের বিশালাকার চশমা। পরনে ছেলেদের ব্যাগি প্যান্টস, আর মেয়েদের ঘটিহাতা দেওয়া কামিজ। সালোয়ার কামিজ সদ্য মান্যতা পেয়েছে, ছোটখাটো পোশাক বিপ্লবে ন্যাতনেতে মাড়হীন ইস্ত্রিহীন শাড়ির পরেই এখন কামিজেরা। চোস্ত চুড়িদারে লাইন কামিজের পর পর, ব্যাগি হতে শুরু করবে, যত কাজল-শাহরুখ এসে নিয়ে নেবেন স্ক্রিনস্পেস, আর তৈরি হবে মনীশা কৈরালার মতো মুখের মেয়েদের রাজ্যপাট, নিরঙ্কুশ সাম্রাজ্য। মুখে নেই তেল-কালি তোলার ক্লেনজার স্পর্শ। নব্বই ছুঁতে ছুঁতে সবাই তুলোতে ক্লেনজার মাখিয়ে মুখ পরিষ্কারে মত্ত হয়ে পড়বে।

২
আটের দশক। আটের দশক, বাংলায় বামফ্রন্টের লাল দুর্গ পোক্ত হওয়ার দশক। এক দশক আগের নকশাল আন্দোলনকে ধীরে ধীরে ভুলে যেতে পারার দশক। জ্যোতিবাবুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের দশক। সুবিখ্যাত ৩৪ বছরের স্বর্ণযুগ আটের দশক। আটের দশক, গ্লাসনস্তের জন্য ধীরে ধীরে উষ্ণ হয়ে উঠতে থাকা বরফদেওয়াল। পেরেস্ত্রইকার প্রস্তুতির দশক। ৬০ বছরের দীর্ঘ শীতল যুদ্ধের শেষের অংশে, সোভিয়েত ইউনিয়নের আপাদমস্তক উসখুসানির দশক। সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউক্রেনে, চের্নোবিলে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর নিউক্লিয়ার দশক। চেচনিয়ার বিক্ষোভ অভ্যুত্থানের প্রথম অস্থিরতার চিহ্নমাখা আটের দশকের শেষদিক।
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2020/01/slide-8-2.jpg)
আটের দশক, আঁতলামির, মার্ক্স-হেগেল-হাইডেগার পড়ার, কামু-কাফকা-সার্ত্র পড়ারও দশক। খুঁজে অসীম রায়, দেবেশ রায়, সুবিমল মিশ্র থেকে শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় পড়ে তা ঝেড়ে কোটেশন দিতে পারার দশক। কবিতায় মণিভূষণ থেকে মায়াকভস্কি, ভাস্কর চক্রবর্তী থেকে মৃদুল দাশগুপ্ত পড়ার দশক। বামপন্থী আদর্শবাদ, তৎঘটিত সাহিত্য, অন্যদিকে অস্তিত্ববাদী সাহিত্য, দুইয়ের এক তুমুল কর্ষণভূমি তখন বাংলার কফি হাউজ– চা-কেবিন কেন্দ্রিক সাহিত্য-জগতে, আমাদের শহুরে শিল্প-নাটক প্রেরণায়। ‘শিক্ষিত’ এবং ‘ভদ্রলোক’রা তখন ‘ইন থিং’। যা-নিয়ে দশকের শেষ দিকেই পড়া যাবে, ‘ঝোলাওয়ালা কালচার’ নামে এক ইংরেজি শব্দবন্ধে রসিকতা, ‘ইন্ডিয়া টুডে’ পত্রিকায়। আঁতেলদের কদর তখন চূড়ান্ত এবং শীর্ষস্পর্শকারী। যখন বঙ্গের পটভূমিতে প্রশস্ত হয়েছে রাজনৈতিকভাবে কমিউনিস্ট পার্টির নিরঙ্কুশ শাসনের ক্ষেত্র, আর তার ছায়া পড়েছে সর্বক্ষেত্রে। যেখানে শিক্ষা-শিল্প-সংস্কৃতি শহর নির্মাণের ক্ষেত্রগুলিতে ক্রমবিকশিত হচ্ছে একটা বামপন্থী মানসিক পরিমণ্ডলেই। বইমেলার সরকারীকরণ, পুরস্কার-অনুষ্ঠানগুলির সরকারীকরণ, নানা ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে সরকারি ছত্রছায়া দান, সার্বিকভাবে সংস্কৃতির ওপরে রাজনীতির আলগা হাত। এর পর পর নাইট ক্লাব থেকে দূরে পাড়ি দেবেন নিষিদ্ধ পাশ্চাত্য সংগীত শিল্পীরা, ঊষা উত্থুপকে ‘অপসংস্কৃতি’ বলে দাগাবেন, মন্ত্রী যতীন চক্রবর্তী আর ঊষা যাবেন আদালতে।

সেই পরিমণ্ডল যা আমাদের ফিল্ম ফেস্টিভাল ফিল্ম ক্লাব সংস্কৃতি, নাটকের আন্দোলনের ব্যাপ্তিকেও ছুঁয়ে থাকে। এই দশকে সক্রিয়, সৃষ্টিশীল শম্ভু মিত্র আর উৎপল দত্ত, সক্রিয় রুদ্রপ্রসাদ অথবা অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। গ্রুপ থিয়েটারের স্বর্ণযুগ। মননে মানবতাবাদী ও সাম্যবাদী আলো, অগুনতি ছেলেমেয়ে চিত্রবাণী-আইজেনস্টাইন সিনেক্লাবের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। কুরোসাওয়া গুনে গোদার ফেলিনি ত্রুফো আইজেনস্টাইন তারকভস্কি বার্গম্যান এই দশকের যুবসমাজের মুখে-মুখে। সত্যজিৎ রায়ের শেষদিকের ছবির পাশাপাশি, মৃণাল সেন, বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, অপর্ণা সেন, গৌতম ঘোষদেরও উঠে আসার দশক। সরকারি উদ্যোগে নন্দন নামক একটি সিনেমা-প্রেক্ষাগৃহ স্থাপন ১৯৮৫-তেই। কাজেই নন্দন চত্বরের সংস্কৃতিধারণের প্রক্রিয়া শুরু। এই দশক আমার ইশকুল পাশের দশক। ’৮১ সালে আমি ক্লাস টেন, নতুন বামফ্রন্ট সরকার ইতিমধ্যেই শুরু করেছেন ইশকুল পাঠ্য থেকে ইংরেজি তুলে দেওয়ার কাজ। আমরা ক্লাস নাইনেই সেই নিয়ে বিতর্ক সভায় অংশগ্রহণ করছি।

এক বছর আগে দেখেছি ‘দাদার কীর্তি’ ছবির নবাগত তাপস পালকে। মোহগ্রস্ত চোখে। আর উত্তমকুমারের মৃত্যুর পর নতুন করে আবিষ্কার করেছি অরুণকুমার চাটুজ্জেকে প্রেমিক অবতারে। অদ্ভুত প্রজন্মের এই মেয়েদের কাউন্টারপার্টেরা, এর কয়েক বছরের মধ্যে শ্রীদেবীর প্রেমে পড়বে আর আলমারিতে লাগাবে তার পোস্টার।

মেয়েদের রান্নাঘরবন্দি জীবনে সহজ খাদ্যসমাধান, ম্যাগি টু মিনিট নুডলস এসেছে এই প্রথম। ম্যাগির প্যাকেট খুলে দু’-মিনিট ফুটিয়ে খেয়ে আশ মেটেনি। বন্ধুরা বলত: মাগি নুড। এ মা কী অসভ্য রে! সঞ্চয়ী, খরচ সচেতন মায়েরা, কিছু পেঁয়াজ, কিছু গাজরকুচি, কড়াইশুঁটির দানা আর এক প্যাকেট ম্যাগির সঙ্গে এক প্যাকেট সাধারণ খোঁপা চাউ-মেশানো এক চাউমিন বানাতে শিখেছেন। ওদিকে কমপ্ল্যান বলছে, ‘দ্যাখো, আমি বাড়ছি মাম্মি!’ আর সেই আঁচে চাঁদের দিকে হাত, বাঙালি মেয়েরা রাজপুত্র চার্লস ও তার সাধারণ বধূ ডায়ানার ফ্যান হয়ে উঠছি। ’৮১ সালের এই রাজকীয় বিয়ে নিয়ে কী ভীষণ মাতামাতি হয়েছিল।

আটের দশক, নেলসন ম্যান্ডেলাকে নিয়ে উত্তাল হওয়ার দশক। ’৮৪ সাল, আমার প্রেসিডেন্সি কলেজের ফার্স্ট ইয়ার। ম্যান্ডেলা সেবারই হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট। আটের দশক, কিশোর কুমার, আশা ভোঁসলের গানে ডুবে যাওয়ার দশক। একইসঙ্গে ভূপেন হাজারিকার ‘আমি এক যাযাবর’, ‘দোলা হে দোলা’ শুনে উত্তাল হওয়ার দশক। পাশাপাশি বাংলা গানের ক্রম অবনয়নের মাঝে শুধু গণসংগীত ভাল লাগার দিন। রুমা গুহ ঠাকুরতার গাওয়া গণসংগীত। সলিল চৌধুরীর ‘এই রোকো’…
সত্তর-আশি, ট্যাঁশ বনাম বং-দের দশক। যারা রেডিও খ-তে ইংরেজি গান শোনে, লাঞ্চটাইম ভ্যারাইটি, আর যারা জিন্স পরে, সঙ্গে বাটিকের পাঞ্জাবি, তারা ট্যাঁশ। যারা শাড়ি, বড় টিপ, খোলা চুল, রবিগান, রবি নৃত্য, তারা বং। কবিতা লেখে তারা বাংলায়, ডায়েরির পাতায় পাতায়।
আটের দশক। বিনোদনের শেষ কথা বিবিধ ভারতী, অ্যাজ ইউজুয়াল পাশের বাড়ি থেকে আসা গানগুলোই বেশি ভালো লাগে। সঙ্গে বিজ্ঞাপন হয় ডিং ডং। টিভি এসে গিয়েছে সাতের দশকের মাঝামাঝি। আর আশির মাঝামাঝি রঙিন টিভিতে ডি ডি থ্রি নামের একটা তৃতীয় সরকারি চ্যানেলে আমরা দেখতে শুরু করব তৃতীয় ধারার ছবি, নাসির-স্মিতা-শাবানার। ঢাকার চ্যানেলে নাটক দেখতে ছাতে ছাতে এসেছে মাছের কাঁটা টিভি অ্যান্টেনার সঙ্গে আলাদা বুস্টার।

আটের দশক, বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ডেটল সাবান, লিরিল সাবান, পান পরাগ। লিরিল সাবানের অ্যাডে একটি সবুজ সুইম স্যুট পরা মেয়ে আমাদের জীবনকে অদ্ভুত আলোকময় করে তুলেছে। হয়তো-বা আলোকপ্রাপ্তও। কেননা মেয়েটি পুরুষসঙ্গীহীন, একলা একলাই ঝরনার জলে স্নান করছে। এনজয়ও। ’৭৫ সালে আসা টিভির পর্দায়, ততদিনে কলকাতায় পেলে এসে গিয়েছেন। আটের দশকে এসেছে মহাভারত সিরিয়াল আর প্রথম রঙিন টিভি। আশিতেই প্রথম আমরা পেলাম ধারা সরষের তেলের মজার বিজ্ঞাপন, প্রতি রবিবার বিজ্ঞাপন দেখার দিকে চোখ, মন, সিনেমা তো আছেই বিকেল চারটের।

আটের শেষ দিকে মেয়েদের আরেকটা প্রোডাক্ট, একেবারে তুমুল পরিবর্তন আনবে জীবনে। প্যাকেজকৃত স্যানিটারি ন্যাপকিন। উইস্পারের মতো কোম্পানির প্রোডাক্ট, দোকানদারকে ফিসফিসিয়ে বলতে হয় যে, নাম আর কালো প্লাস্টিকে মুড়ে নিষিদ্ধ বোমার মতো হাতে হাতে কাউন্টারের তলা দিয়ে চালান হয় ব্যাগে। যে জিনিস খুব দামি, কিন্তু ক্রমশ সরিয়ে দেবে ছেঁড়া ন্যাকড়া, তুলো, ছাই, কাগজ আরও কতশত অদ্ভুত অস্বাস্থ্যকর উপায়ের ঘরোয়া সমাধানকে– প্রবল অস্বস্তি আর চর্মরোগ, নানা সংক্রমণের ভীতি থেকে আস্তে আস্তে টেনে নেবে মেয়েদের হাঁটাচলার স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে, ‘মাসের ঐ কটি দিন’। যেসব প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপনের সময়ে টিভির সামনে জেঠু, বাবা, মেসো, কাকি সবার সামনে একটি তরুণী কাঁটা হয়ে যায়, নীরবতা ছেয়ে যায় সারা ঘরে, মুখ ফিরিয়ে নেয় সবাই টিভি থেকে। সেই প্রোডাক্ট আশির শেষদিক থেকে মেয়েদের জীবনের সঙ্গে জুড়ে যাওয়া, এটা তো প্রায় নীরব বিপ্লব।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved