


আঁদ্রে ব্রেতোঁ অনুধাবন করেছিলেন যে, বিজ্ঞানের প্রগতি আর তথাকথিত ‘উন্নত যুক্তি’ আসলে মানুষকে আরও নিখুঁতভাবে গণহত্যা করার হাতিয়ার এনে দিয়েছে, জাগ্রত মস্তিষ্কের যুক্তি মানুষকে শুধু যুদ্ধ করতেই শেখায়। তাই, তিনি মানুষের অবচেতন মন, স্বপ্ন এবং যুক্তিহীন অদ্ভুত এক অলৌকিক জগৎকেই শিল্প ও সাহিত্যের মূল উপাদান হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ব্রেতোঁর কাছে এই পরাবাস্তববাদ বা সুররিয়ালিজম কেবল ক্যানভাসে ছবি আঁকা বা কবিতা লেখার মাধ্যম ছিল না, তা ছিল মানুষের মনস্তাত্ত্বিক মুক্তির একটি রাজনৈতিক আন্দোলন।
শিল্পের কি কোনও নির্দিষ্ট সীমানা আছে? যুক্তি আর বাস্তবতার চেনা ছকে কি মানুষের মনকে পুরোপুরি বন্দি করা যায়?
বিশ শতকের শুরুতে এই প্রশ্নগুলোই বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা ও মানবীয় নিষ্ঠুরতা দেখে তৎকালীন তরুণ বুদ্ধিজীবীরা প্রচলিত সমাজব্যবস্থা ও যুক্তিবাদের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেন। তাঁরা বুঝতে পারেন, প্রচলিত বুর্জোয়া সমাজব্যবস্থায়, যে বিজ্ঞান ও ‘যুক্তিবাদ’ নিয়ে ইউরোপ এতকাল গর্ব করে এসেছে, তা আসলে মানবজাতিকে কেবল এক রক্তক্ষয়ী ও অর্থহীন যুদ্ধের দিকেই ঠেলে দিয়েছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে আমেরিকার একদল তরুণ লেখক ও বুদ্ধিজীবী যেমন, আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, এফ. স্কট ফিটজেরাল্ড প্রমুখ প্যারিসে সমবেত হলেন। যুদ্ধের ভয়াবহতা সশরীরে দেখার পর তাঁরা প্রচলিত সমাজ, ধর্ম ও নৈতিকতার ওপর বিশ্বাস হারিয়ে সম্পূর্ণ লক্ষ্যহীন ও দিশেহারা হয়ে পড়লেন। ঠিক তখনই ফরাসি কবি ও চিন্তাবিদ আঁদ্রে ব্রেতোঁ (André Breton) সাহিত্যে ও শিল্পকলায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেন। জন্ম নেয় ‘পরাবাস্তববাদ’ বা ‘সুররিয়ালিজম’।

১৮৯৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া এই দূরদর্শী চিন্তাবিদ বিশ শতকের শিল্প ও সাহিত্য জগতের গতিপথ চিরতরে বদলে দিয়েছিলেন এই পরাবাস্তববাদের হাত ধরে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রেতোঁ নিজে একজন সেনা-চিকিৎসক হিসেবেই কাজ করেছিলেন। সেখানে তিনি যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং মানসিক আঘাতপ্রাপ্ত সৈনিকদের অবর্ণনীয় কষ্ট খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন। তিনি অনুধাবন করেছিলেন যে, বিজ্ঞানের প্রগতি আর তথাকথিত ‘উন্নত যুক্তি’ আসলে মানুষকে আরও নিখুঁতভাবে গণহত্যা করার হাতিয়ার এনে দিয়েছে, জাগ্রত মস্তিষ্কের যুক্তি মানুষকে শুধু যুদ্ধ করতেই শেখায়। তাই তিনি মানুষের অবচেতন মন, স্বপ্ন এবং যুক্তিহীন অদ্ভুত এক অলৌকিক জগৎকেই শিল্প ও সাহিত্যের মূল উপাদান হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ব্রেতোঁর কাছে এই পরাবাস্তববাদ বা সুররিয়ালিজম কেবল ক্যানভাসে ছবি আঁকা বা কবিতা লেখার মাধ্যম ছিল না, তা ছিল মানুষের মনস্তাত্ত্বিক মুক্তির একটি রাজনৈতিক আন্দোলন।

১৯২৪ সালে আঁদ্রে ব্রেতোঁ প্রকাশ করেছিলেন তাঁর যুগান্তকারী দলিল ‘সুররিয়ালিস্ট ম্যানিফেস্টো’ (Surrealist Manifesto) বা ‘পরাবাস্তববাদের ইশতেহার’। ‘সুররিয়ালিজম’ শব্দটি অবশ্য আঁদ্রে ব্রেতোঁর নিজের ছিল না। ১৯১৭ সালে ফরাসি সাহিত্যের প্রগতিশীল কবি, নাট্যকার ও শিল্প সমালোচক গিওম আপোলিনার (Guillaume Apollinaire) এই শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন। পরাবাস্তববাদ আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা তখনও হয়নি। ফরাসি কবি জঁ ককতো-র একটি ব্যালের সমালোচনায় তিনি প্রথমবার ‘সুররিয়ালিস্ট’ (Surrealist) শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে তাঁর নিজের নাটক ‘লে মামেল দ্য তিরেসিয়াস’ (Les Mamelles de Tirésias)-এর উপশিরোনাম হিসেবেও তিনি ‘সুররিয়ালিস্ট ড্রামা’ কথাটি যুক্ত করেন।
১৯২৪ সালে আঁদ্রে ব্রেতোঁর ইশতেহার প্রকাশের মধ্য দিয়েই একটি বিচ্ছিন্ন ভাবনা সুসংগঠিত ‘পরাবাস্তববাদী আন্দোলন’-এ রূপ নেয়। ব্রেতোঁ শুধু একজন কবিই ছিলেন না, তিনি ছিলেন এই আন্দোলনের প্রধান তাত্ত্বিক ও পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তাঁর নেতৃত্বেই ‘সুররিয়ালিজম’ কেবল একটি সাহিত্যিক ধারা হিসেবে সীমাবদ্ধ না থেকে চিত্রশিল্প, চলচ্চিত্র ও থিয়েটার-সহ শিল্পের প্রতিটি শাখায় এক তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করে। সেই কারণেই আঁদ্রে ব্রেতোঁ-কে বলা হয়েছিল পরাবাস্তববাদ আন্দোলনের ‘পোপ’ বা প্রধান সংগঠক ও তাত্ত্বিক নেতা।

ব্রেতোঁ পরাবাস্তববাদকে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন এমন এক বিশুদ্ধ মানসিক স্বয়ংক্রিয়তা হিসেবে, যার ওপর যুক্তি, নৈতিকতা বা নান্দনিকতার কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। ব্রেতোঁ এবং তাঁর অনুসারীরা ‘সাইকিক অটোমেটিজম’ (Psychic Automatism) পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। এর অর্থ হল, মস্তিষ্ককে কোনও যৌক্তিক বা নৈতিক ফিল্টার ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে লিখতে বা আঁকতে দেওয়া, যাতে অবচেতন মনের ভিতরের চিত্রটি সরাসরি কাগজের পাতায় উঠে আসে। ব্রেতোঁর এই আন্দোলন কেবল একটি শিল্পরীতি ছিল না, এটি ছিল প্রচলিত সমাজব্যবস্থা এবং বুর্জোয়া সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক বিদ্রোহ।
তাঁর লেখা উপন্যাস ‘নাদিয়া’ ছিল পরাবাস্তববাদী সাহিত্যের অন্যতম সেরা উদাহরণ। ১৯২৮ সালে প্রকাশিত এই বইটি প্রথাগত উপন্যাসের নিয়মকানুন ভেঙে আঁদ্রে ব্রেতোঁ-র নিজস্ব পরাবাস্তববাদী দর্শনের বাস্তব প্রয়োগ ঘটিয়েছিল। উপন্যাসটি কোনও প্রচলিত গল্পের মতো শুরু হয়নি, শুরু হয়েছিল একটি দার্শনিক প্রশ্ন দিয়ে– ‘আমি কে?’ (Who am I?)। এরপর ব্রেতোঁর নিজের ডায়েরি, চিন্তাভাবনা এবং স্মৃতির টুকরো কোলাজের মতো সাজিয়ে পুরো বইটি তৈরি হয়েছিল। ব্রেতোঁ এই উপন্যাসে দেখিয়েছিলেন কীভাবে সাধারণ দৈনন্দিন জীবনের ভিতরেই অদ্ভুত সব সংযোগ, কাকতালীয় ঘটনা ও অবচেতনের ছোঁয়া লুকিয়ে থাকে।
পরাবাস্তববাদী সাহিত্য হল এমন এক লিখনশৈলী, যেখানে যুক্তির সমস্ত বাঁধন ভেঙে মানুষের অবচেতন মন এবং স্বপ্নের জগতকে শব্দের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়। ব্রেতোঁর পরাবাস্তববাদের মূল ভিত্তিই ছিল মানুষের অবচেতন মন। প্রখ্যাত মনোবিজ্ঞানী সিগমুন্ড ফ্রয়েডের অবচেতন তত্ত্ব ব্রেতোঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ব্রেতোঁ বিশ্বাস করতেন, জাগ্রত অবস্থার যুক্তি ও সামাজিক নিয়ম মানুষের ভিতরের আসল সৃজনশীলতাকে সুপ্ত অবস্থায় রেখে দেয়। তিনি ফ্রয়েডীয় তত্ত্বকে মনস্তত্ত্বের ল্যাবরেটরি থেকে বের করে এনে কবিতার কাগজে এবং চিত্রশিল্পীর ক্যানভাসে প্রয়োগ করলেন, কবি ও শিল্পীদের আহ্বান জানালেন যুক্তি, নৈতিকতা বা নান্দনিকতার পূর্বশর্ত ছাড়াই মনের ভিতর বয়ে চলা চিন্তাকে সরাসরি কাগজে বা ক্যানভাসে রূপ দিতে। একে বলা হয়েছিল– ‘অটোমেটিক রাইটিং’ বা স্বয়ংক্রিয় লিখন। স্বপ্ন এবং বাস্তবতার মেলবন্ধনে এক নতুন ‘অতি-বাস্তবতা’ বা পরাবাস্তবতার জন্ম দেওয়াই ছিল এই আন্দোলনের লক্ষ্য।
ব্রেতোঁর হাত ধরে সেই পরাবাস্তববাদের ভাবনা দ্রুত প্যারিসের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ব জুড়েই কবিতা ও শিল্পকলায় ছড়িয়ে পড়ে। সালভাদর দালি, রেনে মাগ্রিত, লুই আরাগঁ, পল এলুয়ারের মতো দিকপালরা এই আন্দোলনে শামিল হন। বিশ্বকবিতায় যুক্ত হয় নতুন রূপক, অদ্ভুত উপমা এবং যুক্তিহীন কিন্তু তীব্র আবেগময় পঙক্তিমালা, সালভাদর দালি তাঁর তুলিতে ফুটিয়ে তুললেন গলানো ঘড়ি ও পরাবাস্তব মরুভূমি। অবিন্যস্ত ও স্বয়ংক্রিয় রেখাচিত্রের মাধ্যমে ক্যানভাস ভরিয়ে তুললেন ম্যাক্স আর্নস্ট ও জোয়ান মিরো।

আপোলিনারের নাটক দিয়ে যে পরাবাস্তববাদী থিয়েটারের বীজ বপন হয়েছিল, ব্রেতোঁর আন্দোলনের প্রভাবে তা পূর্ণতা পায়। প্রথাগত নাটকের রৈখিক গল্পের কথন, যুক্তি এবং কার্যকারণ সম্পর্ককে সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হয়। মঞ্চে যুক্ত হতে শুরু করে অবাস্তব আলো, অদ্ভুত মুখোশ এবং স্বপ্নের মতো আবহ। পাশাপাশি লুইস বুনুয়েল এবং সালভাদর দালির যৌথ পরিচালনায় তৈরি ‘আঁ আন্দালুসিয়ান ডগ’ (Un Chien Andalou) চলচ্চিত্রটি ১৯২৯ সালে সিনেমার ইতিহাসে প্রথম খাঁটি সুররিয়ালিস্ট চলচ্চিত্র হিসেবে ঝড় তোলে।

আঁদ্রে ব্রেতোঁর পরাবাস্তববাদী আন্দোলন ইউরোপে শুরু হলেও এর ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছিল পৃথিবীর সর্বত্র। সেই ঢেউ এসে লেগেছিল বাংলা কবিতার জগতেও। বিশ শতকের তিনের দশকে রবীন্দ্র-উত্তর আধুনিক কবিদের হাত ধরে বাংলা কবিতায় অবচেতন মন, স্বপ্নিল জগৎ এবং যুক্তিহীন অবভাস স্থান পেতে শুরু করে। আর এই ধারার সবচেয়ে সফল এবং অগ্রগামী রূপকার ছিলেন কবি জীবনানন্দ দাশ।
জীবনানন্দ দাশ ছিলেন সেই নতুন রাস্তার নিঃসঙ্গ পথিক, যার কাব্যচেতনার যুগনিঃসৃত ভার, কালচেতনার সংগ্রাম তাঁকে চিরপ্রবহমান সময়ের দিকে ধাবিত করেছিল। জীবনানন্দ দাশের বেশ কিছু কবিতা এবং পরবর্তীকালের ‘হাংরি আন্দোলন’ ও ছয়ের দশকের কবিদের ওপর এই পরাবাস্তববাদের গভীর প্রভাব লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

জীবনানন্দ দাশ অবশ্য ফ্রয়েডীয় মনস্তত্ত্ব বা ব্রেতোঁর ইশতেহার হুবহু অনুবাদ করেননি, বরং তিনি পরাবাস্তববাদকে বাংলার নিজস্ব প্রকৃতি ও আবহমান চেতনার সঙ্গে মিশিয়ে নিয়েছিলেন। তাঁর কবিতায় চেনা বাস্তব জগৎ হঠাৎ করেই এক অচেনা, কুয়াশাময় ও স্বপ্নিল রূপ ধারণ করে। যেমন তাঁর লেখা– ‘হেমন্তের ঝড়ে ঝরে পড়ে শুধু পাতা;/ শুকনো পাতার শব্দে কাঁপে নিশীথ রাতের স্তব্ধতা…’ কিংবা, “সবচেয়ে জোরালো বাতাস এসে আমার চুল উড়িয়ে দিল–বললে: ‘তুমি কি সেই চিল?’ ”-এর মতো পঙক্তিতে মানুষ আর প্রকৃতির সীমানা মুছে যায়, যা পরাবাস্তববাদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। তাঁর ‘ঘাস’, ‘উট’, ‘হায় চিল’ বা ‘আট বছর আগের একদিন’ কবিতায় যে অদ্ভুত আঁধার, মৃত্যুর চেতনা এবং পরাবাস্তব রূপকের ব্যবহার দেখা যায়, তা ব্রেতোঁর তত্ত্বেরই এক চমৎকার বাঙালি সংস্করণ।

কবি বুদ্ধদেব বসু তাই জীবনানন্দ দাশকে বলেছিলেন ‘নির্জনতম কবি’, যাঁর কবিতার উপমাগুলো যুক্তি দিয়ে নয়, বরং এক অবচেতন অনুভূতি দিয়ে উপলব্ধি করতে হয়। স্বপ্ন ও কল্পনার গভীর তলদেশ ছুঁয়ে অবচেতনের অন্তর্ভেদী আলোড়ন সাযুজ্য পেয়েছিল তাঁর কিছু পরাবাস্তববাদী কবিতায়।
জীবনানন্দ দাশের পর পাঁচ ও ছয়ের দশকে বাংলা কবিতায় পরাবাস্তববাদ আরও সুসংগঠিত রূপ নিয়েছিল। ১৯৬০-এর দশকে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হওয়া ‘হাংরি আন্দোলন’ (Hungry Generation) এবং পরবর্তী সময়ে শক্তি চট্টোপাধ্যায়, বিনয় মজুমদার, কিংবা সমীর রায়চৌধুরীর কবিতায় ব্রেতোঁর সেই ‘যুক্তি ও সামাজিক শৃঙ্খল ভাঙার’ প্রবণতা স্পষ্টভাবে দেখা যায়। কবিরা অবদমিত চাওয়া-পাওয়া, যৌনতা এবং সমাজের অসঙ্গতিগুলোকে কোনও প্রথাগত নান্দনিকতার পরোয়া না করে সরাসরি কবিতায় তুলে নিয়ে আসেন। তরুণ কবিদের মধ্যেও অবচেতন মনের সেই খেয়ালি প্রকাশ ও পরাবাস্তব চিত্রকল্প তৈরির প্রবণতা বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
আজ ১০০ বছর পরেও আঁদ্রে ব্রেতোঁর সেই পরাবাস্তববাদী আন্দোলনের প্রাসঙ্গিকতা শেষ হয়ে যায়নি। আজও আমাদের তা শিখিয়ে চলেছে যে, চেনা বাস্তবতার বাইরেও মানুষের মনের ভিতরে আরেকটি বিশাল জগৎ আছে। ব্রেতোঁ পরাবাস্তবকে কেবল একটি শিল্প আন্দোলন হিসেবে দাঁড় করিয়ে যাননি, বরং তিনি মানুষের চিন্তার স্বাধীনতা ও কল্পনার অসীম ক্ষমতাকে মুক্ত করার এক চিরন্তন লড়াইয়ের সূচনা করেছিলেন।
…………………….
রোববার.ইন-এ পড়ুন পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী-র অন্যান্য লেখা
…………………….
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved