

সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ বলছে, ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে শহর কার্যত এক ‘পরিবেশগত জরুরি অবস্থার’ মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত গরমের ফলে শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি অনিদ্রা ও স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে, যা সরাসরি মানুষের মানসিক উদ্বেগ ও বিষণ্ণতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একটি তথ্য পেলাম। সত্যতা যাচাই করতে ভয় হয়। কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সের একটি ওয়েবসাইট বলছে, ৩০ অক্টোবর ২০২৫ বাতাসের গুণমান অনুসারে বিশ্বের দূষিততম ৪০টি শহরের মধ্যে সবক’টিই ভারতের। রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগর নামক একটি শহরের ক্ষেত্রে এই সূচক ছিল ৮৩০। এই পরিসংখ্যান ভৌতিক হলে সুখ পাব।
আমরা দূষণকে ‘শীতের সমস্যা’ মনে করি বলেই, বছরের বাকি সময়ে আমাদের প্রস্তুতি থাকে না। দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের নজরদারিতে শীতকালে তৎপরতা বেশি, কিন্তু গ্রীষ্ম বা বর্ষায় একই উৎসগুলো অবাধে দূষণ ছড়াতে থাকে। দূষণ যখন সারাবছরের সমস্যা, সমাধানও হওয়া উচিত সারাবছরব্যাপী।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved